সিরাজগঞ্জ , শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo মমতাকে অব্যাহতি দিয়ে ভেঙে দেওয়া হলো পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রিসভা Logo কবিগুরুর জন্মবার্ষিকী উদযাপনে প্রস্তুত শাহজাদপুরের কাছারিবাড়ি Logo নিকার অনুমোদন: ভূল্লী উপজেলা গঠনে জনসাধারণের উচ্ছ্বাস Logo ধর্ষণ মামলায় নির্দোষ ইমাম জেলে, ডিএনএ পরীক্ষায় বেরিয়ে এলো আসল তথ্য Logo অবৈধভাবে গড়ে উঠা স্থাপনা দখলমুক্ত হবে: পানি সম্পদ মন্ত্রী Logo বিদ্যুৎ মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি: বিদ্যুৎমন্ত্রী Logo  বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ও ট্রান্সফরমার চোর চক্রের ৯ সদস্য গ্রেফতার Logo মাদক সেবনের দায়ে কারাদণ্ড, কলেজ ছাত্রদল সভাপতি বহিষ্কার Logo মাসুদ উদ্দিনকে জুলাই হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল Logo ইসরায়েলকে হুমকি দিলে কঠিন পরিণতি: নেতানিয়াহুর হুঁশিয়ারি

সামান্য পাঁচ টাকার জন্য খুন, মৃত্যুদণ্ড পেল আসামি

প্রতীকী ছবি : সংগৃহীত

মাত্র ৫ টাকার জন্য খুনের অভিযোগে রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানার করা মামলায় আসামি মো. কাজলকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

 

 

মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) ঢাকার ১১ নম্বর অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. নূরুল ইসলামের আদালত এ আদেশ দেন। দণ্ডের পাশাপাশি আসামি ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

 

 

সাজাপ্রাপ্ত আসামি ২০১৮ সালের ২৫ মার্চ থেকে জেলে আছেন। রায় ঘোষণার সময় আসামিকে কারাগারে থেকে আদালতে হাজির করা হয়। রায় ঘোষণা শেষে সাজা পরোয়ানা দিয়ে আবারও তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

আসামি কাজলের বাড়ি নেত্রকোনা জেলার পূর্বধলা থানার জারিয়া গ্রামে। তার বাবার নাম মো. ফজর আলী ও মাতার নাম আয়েশা বেগম।

মামলায় অভিযোগে বলা হয়, কুমিল্লা জেলার হোমনা থানার দরিচর গ্রামের জুলহাস মিয়া শেরেবাংলা নগর থানার ২৫/বি ইন্দিরা রোড, ফার্মগেটের এক বাসায় ৩০ বছর কেয়ারটেকার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ২০১৮ সালের ২০ মার্চ সন্ধ্যা পৌনে ৭টার সময় বাসার পাশের সিমেন্টের দোকান ‘রাজা অ্যান্ড কোং’ এর সামনে আসেন। তখন আসামি কাজল ভিকটিমের কাছে ৫ টাকা চান। টাকা দিতে দেরি হওয়ায় আসামির হাতে থাকা একটি ধারালো ছুরি দিয়ে ভিকটিমের নাভিতে সজোরে আঘাত করে। এর ফলে ভিকটিম গুরুতর আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে রাস্তায় লুটাইয়া পড়ে। এসময় আহতকে পথচারীরা ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

 

 

এই ঘটনার নিহতের ছেলে মো. সাইফুল রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরদিন তাকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে নেওয়া হলে আসামি কাজল আদালতের কাছে ঘটনার দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দেন। একই বছরের ৯ জুন মামলাটি তদন্ত করে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শেরেবাংলা নগর থানার উপপরিদর্শক মো. সুজানুল ইসলাম আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।

 

 

২০১৮ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে চার্জগঠন করে বিচার শুরু হয়। বিচারকালে ১৫ সাক্ষীর মধ্যে ১১ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন আদালত।

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মমতাকে অব্যাহতি দিয়ে ভেঙে দেওয়া হলো পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রিসভা

সামান্য পাঁচ টাকার জন্য খুন, মৃত্যুদণ্ড পেল আসামি

আপডেট টাইম : ০৬:৫৯:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬

মাত্র ৫ টাকার জন্য খুনের অভিযোগে রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানার করা মামলায় আসামি মো. কাজলকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

 

 

মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) ঢাকার ১১ নম্বর অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. নূরুল ইসলামের আদালত এ আদেশ দেন। দণ্ডের পাশাপাশি আসামি ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

 

 

সাজাপ্রাপ্ত আসামি ২০১৮ সালের ২৫ মার্চ থেকে জেলে আছেন। রায় ঘোষণার সময় আসামিকে কারাগারে থেকে আদালতে হাজির করা হয়। রায় ঘোষণা শেষে সাজা পরোয়ানা দিয়ে আবারও তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

আসামি কাজলের বাড়ি নেত্রকোনা জেলার পূর্বধলা থানার জারিয়া গ্রামে। তার বাবার নাম মো. ফজর আলী ও মাতার নাম আয়েশা বেগম।

মামলায় অভিযোগে বলা হয়, কুমিল্লা জেলার হোমনা থানার দরিচর গ্রামের জুলহাস মিয়া শেরেবাংলা নগর থানার ২৫/বি ইন্দিরা রোড, ফার্মগেটের এক বাসায় ৩০ বছর কেয়ারটেকার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ২০১৮ সালের ২০ মার্চ সন্ধ্যা পৌনে ৭টার সময় বাসার পাশের সিমেন্টের দোকান ‘রাজা অ্যান্ড কোং’ এর সামনে আসেন। তখন আসামি কাজল ভিকটিমের কাছে ৫ টাকা চান। টাকা দিতে দেরি হওয়ায় আসামির হাতে থাকা একটি ধারালো ছুরি দিয়ে ভিকটিমের নাভিতে সজোরে আঘাত করে। এর ফলে ভিকটিম গুরুতর আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে রাস্তায় লুটাইয়া পড়ে। এসময় আহতকে পথচারীরা ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

 

 

এই ঘটনার নিহতের ছেলে মো. সাইফুল রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরদিন তাকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে নেওয়া হলে আসামি কাজল আদালতের কাছে ঘটনার দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দেন। একই বছরের ৯ জুন মামলাটি তদন্ত করে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শেরেবাংলা নগর থানার উপপরিদর্শক মো. সুজানুল ইসলাম আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।

 

 

২০১৮ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে চার্জগঠন করে বিচার শুরু হয়। বিচারকালে ১৫ সাক্ষীর মধ্যে ১১ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন আদালত।