সিরাজগঞ্জ , শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::

সিরাজগঞ্জে গৃহবধু হত্যায় ভাই-বোনের যাবজ্জীবন

সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে স্ত্রীকে হত্যার দায়ে স্বাী দোলন হোসেন প্রামানিক ও তার বোন সুজনী খাতুনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সেই সঙ্গে উভয়কে ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে আরও ৬ মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (১০ নভেম্বর) বিকেলে সিরাজগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ মো. ইকবাল হোসেন এ রায় প্রদান করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত ভাইবোন রায়গঞ্জ উপজেলার ধানগড়া গ্রামের শুকুর আলী প্রামাণিকের সন্তান। নিহত জিয়াছমিন একই গ্রামের ইউছুব আলী প্রামনিকের মেয়ে। মামলার বাকি চার আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পেশকার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

মামলা সূত্রে জানা যায়, দোলন প্রামানিকের সঙ্গে জিয়াছমিনের বিয়ে হয় ২০১০ সালে। তাদের সংসারে একটি ছেলে ও একটি মেয়ে সন্তানের জন্ম হয়। বিয়ের পর থেকে তাদের মধ্যে পারিবারিক নানা বিষয় নিয়ে দ্বন্দ্ব চলছিল। বিভিন্ন সময়ে দোলন প্রামানিক তার স্ত্রীকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করতো। এ বিষয় নিয়ে এলাকার মুরুব্বিরা দফায় দফায় শালিসী বৈঠকও করেছে।  এভাবে চলতে থাকার এক পর্যায়ে ২০১৯ সালের ১৩ জুন জিয়াছমিন খাতুনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

এ ঘটনায় নিহতের পিতা মো. ইউছুব আলী প্রামাণিক বাদী হয়ে দোলন প্রামানিকসহ ৭জনকে আসামি করে থানায় মামলা দায়ের করেন।  মামলার তদন্ত শেষে ৬ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দেয় তদন্তকারি কর্মকর্তা। দীর্ঘ শুনানী শেষে আদালত আজ এই রায় প্রদান করেন।

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অদম্য পলি রানী: পা দিয়ে লিখেই দিচ্ছে এইচএসসি পরীক্ষা

সিরাজগঞ্জে গৃহবধু হত্যায় ভাই-বোনের যাবজ্জীবন

আপডেট টাইম : ০৬:৫৬:২৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ নভেম্বর ২০২৫

সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে স্ত্রীকে হত্যার দায়ে স্বাী দোলন হোসেন প্রামানিক ও তার বোন সুজনী খাতুনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সেই সঙ্গে উভয়কে ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে আরও ৬ মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (১০ নভেম্বর) বিকেলে সিরাজগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ মো. ইকবাল হোসেন এ রায় প্রদান করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত ভাইবোন রায়গঞ্জ উপজেলার ধানগড়া গ্রামের শুকুর আলী প্রামাণিকের সন্তান। নিহত জিয়াছমিন একই গ্রামের ইউছুব আলী প্রামনিকের মেয়ে। মামলার বাকি চার আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পেশকার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

মামলা সূত্রে জানা যায়, দোলন প্রামানিকের সঙ্গে জিয়াছমিনের বিয়ে হয় ২০১০ সালে। তাদের সংসারে একটি ছেলে ও একটি মেয়ে সন্তানের জন্ম হয়। বিয়ের পর থেকে তাদের মধ্যে পারিবারিক নানা বিষয় নিয়ে দ্বন্দ্ব চলছিল। বিভিন্ন সময়ে দোলন প্রামানিক তার স্ত্রীকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করতো। এ বিষয় নিয়ে এলাকার মুরুব্বিরা দফায় দফায় শালিসী বৈঠকও করেছে।  এভাবে চলতে থাকার এক পর্যায়ে ২০১৯ সালের ১৩ জুন জিয়াছমিন খাতুনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

এ ঘটনায় নিহতের পিতা মো. ইউছুব আলী প্রামাণিক বাদী হয়ে দোলন প্রামানিকসহ ৭জনকে আসামি করে থানায় মামলা দায়ের করেন।  মামলার তদন্ত শেষে ৬ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দেয় তদন্তকারি কর্মকর্তা। দীর্ঘ শুনানী শেষে আদালত আজ এই রায় প্রদান করেন।