সিরাজগঞ্জ , শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::

সিলেটে গলাকাটা অবস্থায় আহত তরুণী উদ্ধার

  • রিপোর্টার:
  • আপডেট টাইম : ০৯:৩০:৪১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ নভেম্বর ২০২৫
  • 44

ন্যাশনাল ডেস্ক। জনতার কণ্ঠ.কম

সিলেটের তারাপুর চা বাগান এলাকা থেকে গলাকাটা অবস্থায় এক তরুণীকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শনিবার (১১ নভেম্বর) বেলা ১১টার দিকে নগরীর তারাপুর চা বাগানের পাশের সড়ক থেকে আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, শনিবার সকালে বৃষ্টির মধ্যে চা বাগানের সড়কের পাশে রক্তাক্ত অবস্থায় তরুণীকে পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা। পরে তারা ৯৯৯-এ কল করলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে।

সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ দেবাশীষ দেব কালবেলাকে বলেন, তরুণীকে মুমূর্ষু অবস্থায় আনা হয়েছে এবং তার অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক। এখনো কথা বলতে পারছেন না। তার পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে।

এয়ারপোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সৈয়দ আনিসুর রহমান কালবেলাকে বলেন, তরুণীর গলায় একাধিক আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। সে কথা বলতে পারছে না, তবে ইশারায় কথা বলছে। তার এ অবস্থার জন্য কারও দায় আছে কি না, জানতে চাওয়া হয়। তার বাবা দায়ী কি না, প্রশ্ন করলে সে মাথা নেড়ে সম্মতি দিয়েছে। প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটনের চেষ্টা চলছে।

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অদম্য পলি রানী: পা দিয়ে লিখেই দিচ্ছে এইচএসসি পরীক্ষা

সিলেটে গলাকাটা অবস্থায় আহত তরুণী উদ্ধার

আপডেট টাইম : ০৯:৩০:৪১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ নভেম্বর ২০২৫

ন্যাশনাল ডেস্ক। জনতার কণ্ঠ.কম

সিলেটের তারাপুর চা বাগান এলাকা থেকে গলাকাটা অবস্থায় এক তরুণীকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শনিবার (১১ নভেম্বর) বেলা ১১টার দিকে নগরীর তারাপুর চা বাগানের পাশের সড়ক থেকে আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, শনিবার সকালে বৃষ্টির মধ্যে চা বাগানের সড়কের পাশে রক্তাক্ত অবস্থায় তরুণীকে পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা। পরে তারা ৯৯৯-এ কল করলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে।

সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ দেবাশীষ দেব কালবেলাকে বলেন, তরুণীকে মুমূর্ষু অবস্থায় আনা হয়েছে এবং তার অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক। এখনো কথা বলতে পারছেন না। তার পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে।

এয়ারপোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সৈয়দ আনিসুর রহমান কালবেলাকে বলেন, তরুণীর গলায় একাধিক আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। সে কথা বলতে পারছে না, তবে ইশারায় কথা বলছে। তার এ অবস্থার জন্য কারও দায় আছে কি না, জানতে চাওয়া হয়। তার বাবা দায়ী কি না, প্রশ্ন করলে সে মাথা নেড়ে সম্মতি দিয়েছে। প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটনের চেষ্টা চলছে।