সিরাজগঞ্জ , শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬

স্কুলে না গিয়ে তামাক চাষ করছিলেন ১৩ শিক্ষক, তুলছিলেন বেতনও

  • রিপোর্টার:
  • আপডেট টাইম : ০৩:২৪:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৫
  • 69

ন্যাশনাল ডেস্ক। জনতার কণ্ঠ.কম
বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থেকেও নিয়মিত বেতন-ভাতা নেওয়ার অভিযোগে বান্দরবানের আলীকদম উপজেলার দুর্গম এলাকার তিন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১৩ শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের প্রেক্ষিতে পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অধ্যাপক থানজামা লুসাই এ নির্দেশ দেন।

জানা গেছে, আলীকদমের তিনটি প্রাথমিক বিদ্যালয় যথাক্রমে রেংপুং হেডম্যানপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, রাইতুমণি পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও মেনকিউ মেনকপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১৩ জন শিক্ষক এ ব্যবস্থার আওতায় পড়েছেন।

‎উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে দেওয়া এক অফিস আদেশে জেলা পরিষদ থেকে বলা হয়, তিন বিদ্যালয়ের ১৩ শিক্ষক কর্মস্থলে যাননি।

শিক্ষার্থীদেরও পাঠদান করেননি। তবে নিয়মিত বেতন-ভাতা নিয়েছেন। বেতন নিয়ে তামাক চাষসহ বিভিন্ন ব্যবসা-বাণিজ্যের কাজ করেছেন। নিজেরা কর্মস্থলে অনুপস্থিত থেকে বর্গা শিক্ষক (নিজের পরিবর্তে অন্যজনকে দায়িত্ব দিয়ে যাওয়া) নিয়োগ দিয়েছেন।

‎অফিস আদেশে আরো উল্লেখ করা হয়, স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ ও গণমাধ্যমের সংবাদে সত্যতা যাচাইয়ের জন্য জেলা পরিষদ থেকে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছিল। ওই তদন্ত কমিটি অভিযোগের সত্যতা পেয়েছে। এ ব্যাপারে বক্তব্য জানতে চাওয়া হলে ১৩ জনের কেউ সন্তোষজনক উত্তর দিতে পারেননি। তাই তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলাসহ প্রয়োজনীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হলো।

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে না গিয়ে তামাক চাষ করছিলেন ১৩ শিক্ষক, তুলছিলেন বেতনও

আপডেট টাইম : ০৩:২৪:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৫

ন্যাশনাল ডেস্ক। জনতার কণ্ঠ.কম
বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থেকেও নিয়মিত বেতন-ভাতা নেওয়ার অভিযোগে বান্দরবানের আলীকদম উপজেলার দুর্গম এলাকার তিন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১৩ শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের প্রেক্ষিতে পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অধ্যাপক থানজামা লুসাই এ নির্দেশ দেন।

জানা গেছে, আলীকদমের তিনটি প্রাথমিক বিদ্যালয় যথাক্রমে রেংপুং হেডম্যানপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, রাইতুমণি পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও মেনকিউ মেনকপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১৩ জন শিক্ষক এ ব্যবস্থার আওতায় পড়েছেন।

‎উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে দেওয়া এক অফিস আদেশে জেলা পরিষদ থেকে বলা হয়, তিন বিদ্যালয়ের ১৩ শিক্ষক কর্মস্থলে যাননি।

শিক্ষার্থীদেরও পাঠদান করেননি। তবে নিয়মিত বেতন-ভাতা নিয়েছেন। বেতন নিয়ে তামাক চাষসহ বিভিন্ন ব্যবসা-বাণিজ্যের কাজ করেছেন। নিজেরা কর্মস্থলে অনুপস্থিত থেকে বর্গা শিক্ষক (নিজের পরিবর্তে অন্যজনকে দায়িত্ব দিয়ে যাওয়া) নিয়োগ দিয়েছেন।

‎অফিস আদেশে আরো উল্লেখ করা হয়, স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ ও গণমাধ্যমের সংবাদে সত্যতা যাচাইয়ের জন্য জেলা পরিষদ থেকে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছিল। ওই তদন্ত কমিটি অভিযোগের সত্যতা পেয়েছে। এ ব্যাপারে বক্তব্য জানতে চাওয়া হলে ১৩ জনের কেউ সন্তোষজনক উত্তর দিতে পারেননি। তাই তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলাসহ প্রয়োজনীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হলো।