সিরাজগঞ্জ , শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::

হাতিয়ায় চেতনানাশক প্রয়োগে অজ্ঞান করে স্বর্ণালঙ্কার ও নগদ টাকা লুট

নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ায় চেতনানাশক ঔষধ প্রয়োগ করে পরিবারের সদস্যদের অজ্ঞান করে স্বর্ণালঙ্কার ও নগদ টাকা লুটের ঘটনা ঘটেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার গভীর রাতে উপজেলার এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। চোরের দল ঘরে প্রবেশ করে সবাইকে অচেতন করে মূল্যবান মালামাল লুটে নেয়।
ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী কামরুল ইসলাম জানান, “আমি অসুস্থ আত্মীয়কে দেখতে মধ্যরাতে বাড়িতে ফিরি। কিছুক্ষণ পর ঘুমিয়ে যাই। ফজরের নামাজের আগে মেয়ের চিৎকার শুনে দেখি ঘর তছনছ। স্ত্রীর ৯ ভরি স্বর্ণালঙ্কার, নগদ দুই লাখ টাকা, আমার ও ছেলের মোবাইল ফোনসহ সব মূল্যবান মালামাল লুটে গেছে। ঘরের সবাইকে অচেতন করা হয়েছিল, ডাকলেও কেউ জাগছিল না।
তিনি আরও বলেন, “চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে চোরেরা দরজা ভেঙে পালিয়ে যায়।”
এ বিষয়ে হাতিয়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম আজমল হুদা বলেন, “বিষয়টি আমরা নিশ্চিত হয়েছি। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। আমরা ঘটনার সঠিক তদন্ত করছি এবং ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ঘটনায় এলাকায় চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে।

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অদম্য পলি রানী: পা দিয়ে লিখেই দিচ্ছে এইচএসসি পরীক্ষা

হাতিয়ায় চেতনানাশক প্রয়োগে অজ্ঞান করে স্বর্ণালঙ্কার ও নগদ টাকা লুট

আপডেট টাইম : ১২:৩১:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৫

নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ায় চেতনানাশক ঔষধ প্রয়োগ করে পরিবারের সদস্যদের অজ্ঞান করে স্বর্ণালঙ্কার ও নগদ টাকা লুটের ঘটনা ঘটেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার গভীর রাতে উপজেলার এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। চোরের দল ঘরে প্রবেশ করে সবাইকে অচেতন করে মূল্যবান মালামাল লুটে নেয়।
ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী কামরুল ইসলাম জানান, “আমি অসুস্থ আত্মীয়কে দেখতে মধ্যরাতে বাড়িতে ফিরি। কিছুক্ষণ পর ঘুমিয়ে যাই। ফজরের নামাজের আগে মেয়ের চিৎকার শুনে দেখি ঘর তছনছ। স্ত্রীর ৯ ভরি স্বর্ণালঙ্কার, নগদ দুই লাখ টাকা, আমার ও ছেলের মোবাইল ফোনসহ সব মূল্যবান মালামাল লুটে গেছে। ঘরের সবাইকে অচেতন করা হয়েছিল, ডাকলেও কেউ জাগছিল না।
তিনি আরও বলেন, “চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে চোরেরা দরজা ভেঙে পালিয়ে যায়।”
এ বিষয়ে হাতিয়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম আজমল হুদা বলেন, “বিষয়টি আমরা নিশ্চিত হয়েছি। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। আমরা ঘটনার সঠিক তদন্ত করছি এবং ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ঘটনায় এলাকায় চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে।