গভীর প্রেম, তীব্র অনুভূতি আর সঙ্গীকে সব দুঃখ থেকে আগলে রাখার এক ভালোবাসার সুর ‘বর্ষা চোখ’। বাংলাদেশের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী ইমরান মাহমুদুলের একক ‘বলতে বলতে চলতে চলতে’ অ্যালবামের ‘বর্ষা চোখ’ গানটি জনপ্রিয়তার চূড়ায় উঠে ৫ কোটির ভিউ ছুঁয়েছে।
২০১৫ সালে সংগীতা থেকে প্রকাশ হওয়া অ্যালবামটির সাত নম্বর গান ছিল ‘বর্ষা চোখ’। লাকি সেভেন হিসেবে থাকা গানটিই ছুঁয়ে গেল শ্রোতাদের মন। তুমুল জনপ্রিয়তা পাওয়া গানটির কথা লিখেছেন সাংবাদিক ও গীতিকার তারেক আনন্দ। সুর সংগীত ও কণ্ঠ ইমরান মাহমুদুলের।
প্রেমিকের চোখে জল বা বিষাদ (বর্ষা) দেখতে না চাওয়ার আকুলতা এবং ভালোবাসার প্রিয় মানুষটিকে সবসময় সুখে রাখার প্রতিশ্রুতির সুন্দর অভিব্যক্তি ফুটিয়ে তোলা হয়েছে সুর ও কথার মেলবন্ধনে।
অ্যালবাম প্রকাশের পর ‘বর্ষা চোখ’ শ্রোতাদের পছন্দের তালিকায় চলে আসে। গীতিকার তারেক আনন্দ বলেন, একদম শেষ মুহূর্তে গানটি লেখার সুযোগ আসে। খুব দ্রুত গানটি লিখে পাঠিয়ে দিয়েছিলাম ইমরানকে। পরদিন সকালেই দেখি ট্র্যাক রেডি। প্রথমবার গানটি শোনার পর আমার চোখের কোণে জল চলে আসে। মনে হয়, গানটি সারা দেশেই বাজতে শুনছি। প্রকাশের পর ঠিক তা-ই হলো, অভাবনীয় সাড়া পেলাম। ডিজিটাল যুগে এসে ৫ কোটি ভিউ ছাড়িয়েছে। এটা একজন গীতিকারের জন্য তৃপ্তির জায়গায়। সবচেয়ে বড় কথা হলো, ভালো একটি কবিতা যখন অসংখ্য মানুষের কাছে পৌঁছে যায়, তখন গীতিকবি হিসেবে ভীষণ ভালো লাগে।’
শিল্পী ইমরান মাহমদুল বলেন, ‘রোমান্টিক কথার ওপর সহজ, সুন্দর সুর করার চেষ্টা করেছিলাম। গানটি শ্রোতারা পছন্দ করেছেন এটাই আমার ভালো লাগা।’
গানটির মাধ্যমে মূলত প্রিয় মানুষের চোখের জল বা কষ্টকে দূরে সরিয়ে তাকে সব সময় আনন্দে রাখার যে প্রতিশ্রুতি, তা তরুণ প্রজন্মের শ্রোতাদের মনে দারুণভাবে নাড়া দিয়েছিল। তারেক আনন্দের দুর্দান্ত কথায় ইমরান সুরের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ভালোবাসার গভীর আকুতি ফুটিয়ে তুলেছেন ‘বর্ষা চোখ’ গানটিতে।
জনতার কন্ঠ/এস এ

বিনোদন ডেস্ক । জনতার কণ্ঠ.কম 


















