সিরাজগঞ্জ , শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo মমতাকে অব্যাহতি দিয়ে ভেঙে দেওয়া হলো পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রিসভা Logo কবিগুরুর জন্মবার্ষিকী উদযাপনে প্রস্তুত শাহজাদপুরের কাছারিবাড়ি Logo নিকার অনুমোদন: ভূল্লী উপজেলা গঠনে জনসাধারণের উচ্ছ্বাস Logo ধর্ষণ মামলায় নির্দোষ ইমাম জেলে, ডিএনএ পরীক্ষায় বেরিয়ে এলো আসল তথ্য Logo অবৈধভাবে গড়ে উঠা স্থাপনা দখলমুক্ত হবে: পানি সম্পদ মন্ত্রী Logo বিদ্যুৎ মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি: বিদ্যুৎমন্ত্রী Logo  বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ও ট্রান্সফরমার চোর চক্রের ৯ সদস্য গ্রেফতার Logo মাদক সেবনের দায়ে কারাদণ্ড, কলেজ ছাত্রদল সভাপতি বহিষ্কার Logo মাসুদ উদ্দিনকে জুলাই হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল Logo ইসরায়েলকে হুমকি দিলে কঠিন পরিণতি: নেতানিয়াহুর হুঁশিয়ারি

আসন্ন ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ ১২ ফেব্রুয়ারি

ছবি : সংগৃহীত

জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে তপশিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। নির্বাচনের তপশিল অনুযায়ী আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

 

বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বাংলাদেশ বেতারে আগেই রেকর্ড করা ভাষণের মাধ্যমে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের তপশিল ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন।

 

সিইসি বলেন, আগামী ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার) ৩০০ আসনের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি জুলাইয়ে গ্রহণকৃত জাতীয় সংবিধান সংশোধন বাস্তবায়ন আদেশ ২০২৫-এর ওপর গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনের জন্য মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ তারিখ ২৯ ডিসেম্বর। মনোনয়নপত্র বাছাই হবে ৩০ ডিসেম্বর থেকে ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত।

তিনি বলেন, রিটার্নিং অফিসারের আদেশের বিরুদ্ধে কমিশনে আপিল দায়েরের শেষ তারিখ ১১ জানুয়ারি। কমিশনে দায়েরকৃত আপিল নিষ্পত্তি হবে ১২ থেকে ১৮ জানুয়ারি। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২০ জানুয়ারি। রিটার্নিং অফিসার কর্তৃক চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ ও প্রতীক বরাদ্দ হবে ২১ জানুয়ারি। নির্বাচনী প্রচারণা চলবে ২২ জানুয়ারি থেকে ভোটগ্রহণ শুরুর ৪৮ ঘণ্টা আগ পর্যন্ত, অর্থাৎ ১০ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার সকাল ৭:৩০ মিনিট পর্যন্ত।

ভাষণে সিইসি বলেন, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন করাই এই কমিশনের প্রধান লক্ষ্য। এরই মধ্যে নির্ভুল ভোটার তালিকা তৈরি করা হয়েছে, প্রায় অকার্যকর পোস্টাল ভোটকে কার্যকর করা হয়েছে।

সিইসি আরও জানান, বর্তমানে দেশে মোট ভোটার ১২ কোটি ৭৬ লাখ ৯৫ হাজার ১৮৩ জন। যেখানে পুরুষ ভোটার ছয় কোটি ৪৮ লাখ ১৪ হাজার ৯০৭ জন এবং নারী ভোটার ছয় কোটি ২৮ লাখ ৭৯ হাজার।

 

সাধারণত বিটিভি ও বেতারে জাতির উদ্দেশে ভাষণের মাধ্যমে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তপশিল ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন। এবার সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে একই দিনে গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। এ দুটি নির্বাচনের তফসিল একই সঙ্গে ঘোষণা করা হলো।

 

এর আগে বুধবার (১০ ডিসেম্বর) বিকেল ৪টার দিকে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বাংলাদেশ বেতারে সিইসি এএমএম নাসির উদ্দিনের ভাষণ রেকর্ড করা হয়।

 

তপশিল রেকর্ডের আগে ভোটের তারিখ নির্ধারণের উদ্দেশে বুধবার দুপুরে বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি)। ইসি সচিব জানান, জাতীয় নির্বাচন ও গণভোটের প্রস্তুতি সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করা হয়েছে এবং রাষ্ট্রপতি সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

 

এর আগে, মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) দুপুরে সিইসি সুপ্রিম কোর্টে প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। সাক্ষাৎ শেষে তিনি সাংবাদিকদের জানান, আসন্ন নির্বাচনে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের আদলে বা বিচারিক ক্ষমতা প্রয়োগের জন্য মাঠ পর্যায়ে বিচারকদের প্রয়োজন হবে। এজন্য প্রধান বিচারপতির কাছে ৩০০ জন বিচারক চাওয়া হয়েছে।

 

তিনি বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচনের লক্ষ্যে আমরা বিচার বিভাগের সহযোগিতা চেয়েছি। প্রধান বিচারপতি সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।

 

এবারের সংসদ নির্বাচনে প্রায় ১৩ কোটি ভোটার অংশ নেবেন। এ বিপুল সংখ্যক ভোটারের জন্য ইসি ৪২,৭৬১টি ভোটকেন্দ্র চূড়ান্ত করেছে। জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট একই দিনে হওয়ায় ভোটের সময় এক ঘণ্টা বাড়ানো হয়েছে। পাশাপাশি সময় সাশ্রয় করতে প্রতিটি কক্ষে দুটি গোপন বুথ রাখা হয়েছে।

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মমতাকে অব্যাহতি দিয়ে ভেঙে দেওয়া হলো পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রিসভা

আসন্ন ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ ১২ ফেব্রুয়ারি

আপডেট টাইম : ০৭:৫২:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৫

জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে তপশিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। নির্বাচনের তপশিল অনুযায়ী আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

 

বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বাংলাদেশ বেতারে আগেই রেকর্ড করা ভাষণের মাধ্যমে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের তপশিল ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন।

 

সিইসি বলেন, আগামী ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার) ৩০০ আসনের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি জুলাইয়ে গ্রহণকৃত জাতীয় সংবিধান সংশোধন বাস্তবায়ন আদেশ ২০২৫-এর ওপর গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনের জন্য মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ তারিখ ২৯ ডিসেম্বর। মনোনয়নপত্র বাছাই হবে ৩০ ডিসেম্বর থেকে ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত।

তিনি বলেন, রিটার্নিং অফিসারের আদেশের বিরুদ্ধে কমিশনে আপিল দায়েরের শেষ তারিখ ১১ জানুয়ারি। কমিশনে দায়েরকৃত আপিল নিষ্পত্তি হবে ১২ থেকে ১৮ জানুয়ারি। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২০ জানুয়ারি। রিটার্নিং অফিসার কর্তৃক চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ ও প্রতীক বরাদ্দ হবে ২১ জানুয়ারি। নির্বাচনী প্রচারণা চলবে ২২ জানুয়ারি থেকে ভোটগ্রহণ শুরুর ৪৮ ঘণ্টা আগ পর্যন্ত, অর্থাৎ ১০ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার সকাল ৭:৩০ মিনিট পর্যন্ত।

ভাষণে সিইসি বলেন, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন করাই এই কমিশনের প্রধান লক্ষ্য। এরই মধ্যে নির্ভুল ভোটার তালিকা তৈরি করা হয়েছে, প্রায় অকার্যকর পোস্টাল ভোটকে কার্যকর করা হয়েছে।

সিইসি আরও জানান, বর্তমানে দেশে মোট ভোটার ১২ কোটি ৭৬ লাখ ৯৫ হাজার ১৮৩ জন। যেখানে পুরুষ ভোটার ছয় কোটি ৪৮ লাখ ১৪ হাজার ৯০৭ জন এবং নারী ভোটার ছয় কোটি ২৮ লাখ ৭৯ হাজার।

 

সাধারণত বিটিভি ও বেতারে জাতির উদ্দেশে ভাষণের মাধ্যমে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তপশিল ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন। এবার সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে একই দিনে গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। এ দুটি নির্বাচনের তফসিল একই সঙ্গে ঘোষণা করা হলো।

 

এর আগে বুধবার (১০ ডিসেম্বর) বিকেল ৪টার দিকে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বাংলাদেশ বেতারে সিইসি এএমএম নাসির উদ্দিনের ভাষণ রেকর্ড করা হয়।

 

তপশিল রেকর্ডের আগে ভোটের তারিখ নির্ধারণের উদ্দেশে বুধবার দুপুরে বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি)। ইসি সচিব জানান, জাতীয় নির্বাচন ও গণভোটের প্রস্তুতি সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করা হয়েছে এবং রাষ্ট্রপতি সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

 

এর আগে, মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) দুপুরে সিইসি সুপ্রিম কোর্টে প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। সাক্ষাৎ শেষে তিনি সাংবাদিকদের জানান, আসন্ন নির্বাচনে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের আদলে বা বিচারিক ক্ষমতা প্রয়োগের জন্য মাঠ পর্যায়ে বিচারকদের প্রয়োজন হবে। এজন্য প্রধান বিচারপতির কাছে ৩০০ জন বিচারক চাওয়া হয়েছে।

 

তিনি বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচনের লক্ষ্যে আমরা বিচার বিভাগের সহযোগিতা চেয়েছি। প্রধান বিচারপতি সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।

 

এবারের সংসদ নির্বাচনে প্রায় ১৩ কোটি ভোটার অংশ নেবেন। এ বিপুল সংখ্যক ভোটারের জন্য ইসি ৪২,৭৬১টি ভোটকেন্দ্র চূড়ান্ত করেছে। জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট একই দিনে হওয়ায় ভোটের সময় এক ঘণ্টা বাড়ানো হয়েছে। পাশাপাশি সময় সাশ্রয় করতে প্রতিটি কক্ষে দুটি গোপন বুথ রাখা হয়েছে।