সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) সাতটি রাস্তার আংশিক কাজ করে অতিরিক্ত বিল নিয়ে চলে গেছেন ঠিকাদার। ফলে এসব রাস্তা চলাচলের অনুপযোগী হয়ে জনদুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। তবে এ নিয়ে ঠিকাদার ও প্রকৌশলীরা পরস্পরবিরোধী বক্তব্য দিচ্ছেন।
২০২৪-২৫ অর্থবছরে চাঁদপুর-নামা সিলোট রাস্তা নির্মাণে মেসার্স সার্চ ট্রেডিংকে দুই কোটি ৯৮ লাখ টাকা, বিনোদপুর-কুসুম্বী ভায়া বিনসাড়া রাস্তা সংস্কারে হাসনা কনস্ট্রাকশনকে এক কোটি ৪২ লাখ টাকা, নওগাঁ মাজার রোড টু রংমহল রাস্তা সংস্কারে মেসার্স সাব্বির কনস্ট্রাকশনকে ৬৬ লাখ টাকা, উলিপুর টু চকজয়কৃষ্ণপুর রাস্তা নির্মাণে মেসার্স রাইয়ান কনস্ট্রাকশনকে ৪৬ লাখ টাকা, সরাতলা-মাধাইনগর ভায়া মাদারজানি রাস্তা নির্মাণে ওশান এন্টারপ্রাইজকে পাঁচ কোটি ৩৩ লাখ টাকা, বিনোদপুর টু খড়খড়িয়া রাস্তা নির্মাণে ওশান এন্টারপ্রাইজকে দুই কোটি ৪৫ লাখ টাকা এবং হেদার খাল টু কুন্দাইল ভায়া ধাপতেঁতুলিয়া রাস্তা নির্মাণে নিশিত বসু অ্যান্ড মীম ডেভেলপমেন্টকে ৯ কোটি ৩৪ লাখ টাকার কার্যাদেশ দেওয়া হয়।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, এসব রাস্তার কোনোটা আংশিক আবার কোনোটা অর্ধেক কাজ করে বিল নিয়ে ঠিকাদার লাপাত্তা হয়ে গেছে। এসব ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানে এলজিইডির পক্ষ থেকে কাজ সমাপ্ত করার তাগাদা দিয়ে চিঠি দিলেও তারা কর্ণপাত করছে না। যার ফলে চলাচলে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হয়েছে।
এ বিয়য়ে মেসার্স হাসনা কনস্ট্রাকশনের ঠিকাদার মি. খোকনের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি সরাসরি অভিযোগ করে বলেন, তাড়াশ উপজেলা প্রকৌশলী মো. ফজলুল হক অতিরিক্ত পিসি (ঘুষ) দাবি করায় কাজ করা সম্ভব হচ্ছে না।
একই অভিযোগ করেছেন নাম প্রকাশ না করার শর্তে আরো তিন ঠিকাদার।
উপজেলা প্রকৌশলী মো. ফজলুল হক ঠিকাদারদের এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ঠিকাদাররা কার্যাদেশ পাওয়ার পর সামান্য কাজ করে অতিরিক্ত বিল দাবি করায়, তা না দেওয়ায় নানা রকম অভিযোগ তুলছেন।

তাড়াশ (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি। জনতার কণ্ঠ.কম 



















