সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক পদে সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলার কামারখন্দ সিনিয়র ফাযিল (স্নাতক) মাদ্রাসায় লিখিত পরীক্ষা দিতে এসেছেন চৌহালী উপজেলার যমুনা নদী বেষ্টিত চরাঞ্চলের সালমা খাতুন।
শুক্রবার (৯ জানুয়ারি )দুপুর সোয়া একটার দিকে তার স্বামী মসজিদে জুম্মার নামাজ আদায় করতে গেলে সালমা ফেসবুকের মাধ্যমে জানতে পারেন তার বাবা আব্দুস সামাদ মুন্সি (৮০) মারা গেছেন।
বাবার মৃত্যুর খবরে দেড় বছরের শিশু কন্যাকে কোলে নিয়েই কান্নায় ভেঙে পড়েন সালমা। এসময় তার স্বামী সহ তার এলাকার পরীক্ষার্থীরা তাকে সান্তনা দেন। তবুও যেন থামছে না সালমার কান্নার রোল। আব্দুস সামাদ মুন্সি চৌহালী উপজেলার সদর ইউনিয়নের কোদালিয়া গ্রামের বাসিন্দা।
সালমার স্বামী আলমগীর হোসেন জানান, তিন ভাই ও তিন বোনের মধ্যে সবার ছোট সালমা। সালমার বিয়েও হয়েছে একই গ্রামে। যার কারণে বাবার সঙ্গে সালমার খুব ভালো সম্পর্ক ছিলো। বার্ধক্যজনিত কারণে বেশ কিছুদিন হলো অসুস্থ ছিলেন সালমার বাবা। শুক্রবার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারি শিক্ষক পদে লিখিত পরীক্ষা দিতে এসে জানতে পারে তার বাবা মারা গেছেন। তারপর থেকে সালমা বার বার কান্নায় ভেঙে পড়েন। বাবার মৃত্যুর শোক নিয়েই পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে সালমা।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিপাশা হোসাইন জানান, উপজেলার ৬টি কেন্দ্রে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারি শিক্ষক পদে নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাবার মৃত্যুজনিত কারণে পরীক্ষার্থী সালমাকে বিশেষ কোন সুবিধা দেওয়ার কোন সুযোগ নেই।

কামারখন্দ (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি। জনতার কন্ঠ.কম। 



















