সিরাজগঞ্জ , শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo মমতাকে অব্যাহতি দিয়ে ভেঙে দেওয়া হলো পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রিসভা Logo কবিগুরুর জন্মবার্ষিকী উদযাপনে প্রস্তুত শাহজাদপুরের কাছারিবাড়ি Logo নিকার অনুমোদন: ভূল্লী উপজেলা গঠনে জনসাধারণের উচ্ছ্বাস Logo ধর্ষণ মামলায় নির্দোষ ইমাম জেলে, ডিএনএ পরীক্ষায় বেরিয়ে এলো আসল তথ্য Logo অবৈধভাবে গড়ে উঠা স্থাপনা দখলমুক্ত হবে: পানি সম্পদ মন্ত্রী Logo বিদ্যুৎ মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি: বিদ্যুৎমন্ত্রী Logo  বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ও ট্রান্সফরমার চোর চক্রের ৯ সদস্য গ্রেফতার Logo মাদক সেবনের দায়ে কারাদণ্ড, কলেজ ছাত্রদল সভাপতি বহিষ্কার Logo মাসুদ উদ্দিনকে জুলাই হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল Logo ইসরায়েলকে হুমকি দিলে কঠিন পরিণতি: নেতানিয়াহুর হুঁশিয়ারি

সাংবাদিকের ওপর হামলা, ৩ দিন অতিবাহিত হলেও নেই গ্রেপ্তার

ডিমলা থানা। ছবি : সংগৃহীত

নীলফামারীর ডিমলায় পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে হামলার শিকার হয়েছেন দুই সাংবাদিক। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলার তিন দিন পার হলেও এখনো কোনো আসামিকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।

 

 

আহত সাংবাদিকরা হলেন কালবেলার ডিমলা প্রতিনিধি ও প্রেস ক্লাব ডিমলার সহসভাপতি কামরুজ্জামান মৃধা এবং বার্তা বাজার ও দৈনিক নয়া দিগন্তের প্রতিনিধি ও একই ক্লাবের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. রেজোয়ান ইসলাম।

 

 

শনিবার (১৭ জানুয়ারি) সকাল পর্যন্ত পুলিশ কোনো আসামি গ্রেপ্তারের তথ্য নিশ্চিত করতে পারেনি। এতে উপজেলার কর্মরত সাংবাদিকরা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

 

এর আগে বুধবার (১৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে ডিমলা উপজেলার নাউতারা ইউনিয়নের শুকানদিঘী এলাকায় সংবাদ সংগ্রহের সময় পূর্বপরিকল্পিতভাবে হামলার শিকার হন ওই দুই সাংবাদিক। হামলায় তারা গুরুতর আহত হন এবং বর্তমানে ডিমলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

ঘটনার রাতেই আহত সাংবাদিক মো. রেজোয়ান ইসলাম বাদী হয়ে ডিমলা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় পাঁচজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ১৫ থেকে ২০ জনকে আসামি করা হয়।

মামলার বাদী মো. রেজোয়ান ইসলাম বলেন, ঘটনার এতদিন পরও পুলিশ কোনো আসামিকে গ্রেপ্তার না করায় আমরাসহ উপজেলার সব সাংবাদিক চরম হতাশ। আমরা দ্রুত সব আসামিকে গ্রেপ্তার করে সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাই।

 

 

 

আহত সাংবাদিক কামরুজ্জামান মৃধা বলেন, এটি একটি পরিকল্পিত হামলা। উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আমাদের ওপর হামলা করা হয়েছে। ঘটনার পরও আসামিরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। পুলিশ দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে অপরাধীরা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠবে।

 

 

 

এ বিষয়ে প্রশাসনের বক্তব্য জানতে ডিমলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শওকত আলী সরকার ও সহকারী পুলিশ সুপার নিয়াজ মেহেদীর সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও ফোনটি রিসিভ হয়নি।

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মমতাকে অব্যাহতি দিয়ে ভেঙে দেওয়া হলো পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রিসভা

সাংবাদিকের ওপর হামলা, ৩ দিন অতিবাহিত হলেও নেই গ্রেপ্তার

আপডেট টাইম : ১২:১৪:০১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬

নীলফামারীর ডিমলায় পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে হামলার শিকার হয়েছেন দুই সাংবাদিক। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলার তিন দিন পার হলেও এখনো কোনো আসামিকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।

 

 

আহত সাংবাদিকরা হলেন কালবেলার ডিমলা প্রতিনিধি ও প্রেস ক্লাব ডিমলার সহসভাপতি কামরুজ্জামান মৃধা এবং বার্তা বাজার ও দৈনিক নয়া দিগন্তের প্রতিনিধি ও একই ক্লাবের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. রেজোয়ান ইসলাম।

 

 

শনিবার (১৭ জানুয়ারি) সকাল পর্যন্ত পুলিশ কোনো আসামি গ্রেপ্তারের তথ্য নিশ্চিত করতে পারেনি। এতে উপজেলার কর্মরত সাংবাদিকরা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

 

এর আগে বুধবার (১৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে ডিমলা উপজেলার নাউতারা ইউনিয়নের শুকানদিঘী এলাকায় সংবাদ সংগ্রহের সময় পূর্বপরিকল্পিতভাবে হামলার শিকার হন ওই দুই সাংবাদিক। হামলায় তারা গুরুতর আহত হন এবং বর্তমানে ডিমলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

ঘটনার রাতেই আহত সাংবাদিক মো. রেজোয়ান ইসলাম বাদী হয়ে ডিমলা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় পাঁচজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ১৫ থেকে ২০ জনকে আসামি করা হয়।

মামলার বাদী মো. রেজোয়ান ইসলাম বলেন, ঘটনার এতদিন পরও পুলিশ কোনো আসামিকে গ্রেপ্তার না করায় আমরাসহ উপজেলার সব সাংবাদিক চরম হতাশ। আমরা দ্রুত সব আসামিকে গ্রেপ্তার করে সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাই।

 

 

 

আহত সাংবাদিক কামরুজ্জামান মৃধা বলেন, এটি একটি পরিকল্পিত হামলা। উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আমাদের ওপর হামলা করা হয়েছে। ঘটনার পরও আসামিরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। পুলিশ দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে অপরাধীরা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠবে।

 

 

 

এ বিষয়ে প্রশাসনের বক্তব্য জানতে ডিমলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শওকত আলী সরকার ও সহকারী পুলিশ সুপার নিয়াজ মেহেদীর সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও ফোনটি রিসিভ হয়নি।