সিরাজগঞ্জ , শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo মমতাকে অব্যাহতি দিয়ে ভেঙে দেওয়া হলো পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রিসভা Logo কবিগুরুর জন্মবার্ষিকী উদযাপনে প্রস্তুত শাহজাদপুরের কাছারিবাড়ি Logo নিকার অনুমোদন: ভূল্লী উপজেলা গঠনে জনসাধারণের উচ্ছ্বাস Logo ধর্ষণ মামলায় নির্দোষ ইমাম জেলে, ডিএনএ পরীক্ষায় বেরিয়ে এলো আসল তথ্য Logo অবৈধভাবে গড়ে উঠা স্থাপনা দখলমুক্ত হবে: পানি সম্পদ মন্ত্রী Logo বিদ্যুৎ মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি: বিদ্যুৎমন্ত্রী Logo  বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ও ট্রান্সফরমার চোর চক্রের ৯ সদস্য গ্রেফতার Logo মাদক সেবনের দায়ে কারাদণ্ড, কলেজ ছাত্রদল সভাপতি বহিষ্কার Logo মাসুদ উদ্দিনকে জুলাই হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল Logo ইসরায়েলকে হুমকি দিলে কঠিন পরিণতি: নেতানিয়াহুর হুঁশিয়ারি

গ্রিনল্যান্ডে সামরিক বিমান মোতায়েনের ঘোষণা দিল যুক্তরাষ্ট্র

ছবি : সংগৃহীত

গ্রিনল্যান্ডের পিটুফিক স্পেস বেসে সামরিক বিমান মোতায়েন করতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের গ্রিনল্যান্ড অধিগ্রহণ ঘিরে উত্তেজনা বাড়ার মধ্যেই সোমবার (১৯ জানুয়ারি) এ ঘোষণা দিয়েছে নর্থ আমেরিকান এয়ারোস্পেস ডিফেন্স কমান্ড (নোরাড)।

 

 

মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) আনাদোলু এজেন্সির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

 

যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার যৌথ প্রতিরক্ষা সংস্থা নোরাড মার্কিন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানায়, ‘নোরাডের বিমান শিগগিরই গ্রিনল্যান্ডের পিটুফিক স্পেস বেসে পৌঁছাবে।’

নোরাড বলছে, ‘এই মোতায়েন আগে থেকেই পরিকল্পিত বিভিন্ন কার্যক্রমের অংশ, যা যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও ডেনমার্কের মধ্যে বিদ্যমান প্রতিরক্ষা সহযোগিতার ধারাবাহিকতা বজায় রাখবে।’

 

সংস্থাটি জোর দিয়ে জানিয়েছে, ‘ডেনমার্কের সঙ্গে সমন্বয় করেই এই মোতায়েন হচ্ছে এবং সব ধরনের কূটনৈতিক অনুমোদন নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে গ্রিনল্যান্ড কর্তৃপক্ষকেও এ বিষয়ে অবহিত করা হয়েছে।’

 

 

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘এই বিমানগুলো উত্তর আমেরিকার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিয়মিত ‘ডিসপার্সড অপারেশনস’-এর অংশ হিসেবে কাজ করবে।’

 

 

পিটুফিক স্পেস বেস, যা আগে ‘থুলে এয়ার ফোর্স বেস’ নামে পরিচিত ছিল। এটি গ্রিনল্যান্ডের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত একটি গুরুত্বপূর্ণ মার্কিন সামরিক ঘাঁটি। এখানে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্র সতর্কীকরণ ব্যবস্থা ও যোগাযোগ কেন্দ্র পরিচালিত হয়।

 

 

বিশ্লেষকদের একটি অংশের মতে, গ্রিনল্যান্ড দখলের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের আলাদা করে কোনো বাস্তব প্রয়োজন নেই। কারণ নোরাডসহ বিদ্যমান প্রতিরক্ষা চুক্তির মাধ্যমেই ওয়াশিংটন ইতোমধ্যে এই অঞ্চলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারে।

 

 

ডেনমার্কের অধীন স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল গ্রিনল্যান্ড মূলত কৌশলগত আর্কটিক অবস্থান, বিপুল খনিজ সম্পদ এবং রাশিয়া ও চীনের ক্রমবর্ধমান প্রভাব নিয়ে উদ্বেগের কারণে ট্রাম্প প্রশাসনের বিশেষ আগ্রহের কেন্দ্রে রয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

 

 

তবে ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ড; উভয় পক্ষই স্পষ্টভাবে গ্রিনল্যান্ড হস্তান্তরের যে কোনো প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে আসছে এবং দ্বীপটির ওপর ডেনমার্কের সার্বভৌমত্ব পুনর্ব্যক্ত করেছে।

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মমতাকে অব্যাহতি দিয়ে ভেঙে দেওয়া হলো পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রিসভা

গ্রিনল্যান্ডে সামরিক বিমান মোতায়েনের ঘোষণা দিল যুক্তরাষ্ট্র

আপডেট টাইম : ০৫:০৭:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬

গ্রিনল্যান্ডের পিটুফিক স্পেস বেসে সামরিক বিমান মোতায়েন করতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের গ্রিনল্যান্ড অধিগ্রহণ ঘিরে উত্তেজনা বাড়ার মধ্যেই সোমবার (১৯ জানুয়ারি) এ ঘোষণা দিয়েছে নর্থ আমেরিকান এয়ারোস্পেস ডিফেন্স কমান্ড (নোরাড)।

 

 

মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) আনাদোলু এজেন্সির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

 

যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার যৌথ প্রতিরক্ষা সংস্থা নোরাড মার্কিন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানায়, ‘নোরাডের বিমান শিগগিরই গ্রিনল্যান্ডের পিটুফিক স্পেস বেসে পৌঁছাবে।’

নোরাড বলছে, ‘এই মোতায়েন আগে থেকেই পরিকল্পিত বিভিন্ন কার্যক্রমের অংশ, যা যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও ডেনমার্কের মধ্যে বিদ্যমান প্রতিরক্ষা সহযোগিতার ধারাবাহিকতা বজায় রাখবে।’

 

সংস্থাটি জোর দিয়ে জানিয়েছে, ‘ডেনমার্কের সঙ্গে সমন্বয় করেই এই মোতায়েন হচ্ছে এবং সব ধরনের কূটনৈতিক অনুমোদন নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে গ্রিনল্যান্ড কর্তৃপক্ষকেও এ বিষয়ে অবহিত করা হয়েছে।’

 

 

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘এই বিমানগুলো উত্তর আমেরিকার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিয়মিত ‘ডিসপার্সড অপারেশনস’-এর অংশ হিসেবে কাজ করবে।’

 

 

পিটুফিক স্পেস বেস, যা আগে ‘থুলে এয়ার ফোর্স বেস’ নামে পরিচিত ছিল। এটি গ্রিনল্যান্ডের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত একটি গুরুত্বপূর্ণ মার্কিন সামরিক ঘাঁটি। এখানে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্র সতর্কীকরণ ব্যবস্থা ও যোগাযোগ কেন্দ্র পরিচালিত হয়।

 

 

বিশ্লেষকদের একটি অংশের মতে, গ্রিনল্যান্ড দখলের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের আলাদা করে কোনো বাস্তব প্রয়োজন নেই। কারণ নোরাডসহ বিদ্যমান প্রতিরক্ষা চুক্তির মাধ্যমেই ওয়াশিংটন ইতোমধ্যে এই অঞ্চলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারে।

 

 

ডেনমার্কের অধীন স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল গ্রিনল্যান্ড মূলত কৌশলগত আর্কটিক অবস্থান, বিপুল খনিজ সম্পদ এবং রাশিয়া ও চীনের ক্রমবর্ধমান প্রভাব নিয়ে উদ্বেগের কারণে ট্রাম্প প্রশাসনের বিশেষ আগ্রহের কেন্দ্রে রয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

 

 

তবে ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ড; উভয় পক্ষই স্পষ্টভাবে গ্রিনল্যান্ড হস্তান্তরের যে কোনো প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে আসছে এবং দ্বীপটির ওপর ডেনমার্কের সার্বভৌমত্ব পুনর্ব্যক্ত করেছে।