সিরাজগঞ্জ , শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo মমতাকে অব্যাহতি দিয়ে ভেঙে দেওয়া হলো পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রিসভা Logo কবিগুরুর জন্মবার্ষিকী উদযাপনে প্রস্তুত শাহজাদপুরের কাছারিবাড়ি Logo নিকার অনুমোদন: ভূল্লী উপজেলা গঠনে জনসাধারণের উচ্ছ্বাস Logo ধর্ষণ মামলায় নির্দোষ ইমাম জেলে, ডিএনএ পরীক্ষায় বেরিয়ে এলো আসল তথ্য Logo অবৈধভাবে গড়ে উঠা স্থাপনা দখলমুক্ত হবে: পানি সম্পদ মন্ত্রী Logo বিদ্যুৎ মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি: বিদ্যুৎমন্ত্রী Logo  বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ও ট্রান্সফরমার চোর চক্রের ৯ সদস্য গ্রেফতার Logo মাদক সেবনের দায়ে কারাদণ্ড, কলেজ ছাত্রদল সভাপতি বহিষ্কার Logo মাসুদ উদ্দিনকে জুলাই হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল Logo ইসরায়েলকে হুমকি দিলে কঠিন পরিণতি: নেতানিয়াহুর হুঁশিয়ারি
এপস্টেইন নথি ঘিরে চাঞ্চল্যকর নতুন তথ্য

ধর্ষণে নিহতদের দাফন করা হয় বাংলোর মাটিতে

ছবি : সংগৃহীত

মার্কিন বিচার বিভাগের প্রকাশিত সর্বশেষ এপস্টেইন ফাইলে একটি ইমেইল ঘিরে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। ইমেইলটির প্রেরক নিজেকে জেফ্রি এপস্টেইনের সাবেক কর্মী দাবি করে অভিযোগ করেছেন, নিউ মেক্সিকোর জোরো র‍্যাঞ্চ এলাকায় দুই ‘বিদেশি তরুণীর’ মৃত্যু হয়েছিল এবং সেখানে তাদের দাফনের নির্দেশ দেওয়া হয়। অভিযোগগুলো যাচাই করা হয়নি এবং নথিতে সেগুলোকে অভিযোগ হিসেবেই উল্লেখ করা হয়েছে। খবর ডেইলি মেইলের।

 

 

২০১৯ সালের ২১ নভেম্বর পাঠানো ওই ইমেইলটি পরে এফবিআইয়ের কাছে পাঠানো হয়। যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ শুক্রবার যে প্রায় ৩০ লাখ নথি প্রকাশ করেছে, তার অংশ হিসেবেই ইমেইলটি সামনে আসে। প্রেরকের নাম গোপন রাখা হয়েছে।

 

 

ইমেইলে প্রেরক দাবি করেন, তিনি জোরো র‍্যাঞ্চে কাজ করেছেন এবং সেখানে ঘটে যাওয়া নানা ঘটনার প্রত্যক্ষ সাক্ষী। তিনি আরও বলেন, এপস্টেইন ও ‘ম্যাডাম জি’ নামে পরিচিত এক ব্যক্তির নির্দেশে ওই দাফন সম্পন্ন হয়। তবে এসব অভিযোগের পক্ষে কোনো প্রমাণ ইমেইলে দেওয়া হয়নি।

 

নথিতে আরও উল্লেখ রয়েছে, ইমেইলের প্রেরক কিছু ভিডিওর লিংকের কথা বলেন এবং সেগুলোর বিনিময়ে অর্থ দাবি করেন। ইমেইলটি এপস্টেইনের মৃত্যুর কয়েক মাস পর এফবিআইয়ের কাছে পৌঁছায়। উল্লেখ্য, এপস্টিন ২০১৯ সালে নিউইয়র্কের একটি কারাগারে বিচারাধীন অবস্থায় মারা যান।

প্রকাশিত নথিতে এপস্টেইনের সম্পত্তি নিয়েও তথ্য রয়েছে। ১৯৯৩ সালে কেনা জোরো র‍্যাঞ্চটি তিনি মৃত্যুর আগ পর্যন্ত নিজের কাছে রেখেছিলেন। পরে সম্পত্তিটি বিক্রি করা হয়। এই র‍্যাঞ্চটি আগে থেকেই বিচ্ছিন্ন অবস্থান ও গোপন যাতায়াতের কারণে আলোচনায় ছিল।

 

বিশ্লেষকেরা বলছেন, নথিগুলোতে থাকা অভিযোগগুলো গুরুতর হলেও এগুলো যাচাই-বাছাই ছাড়া চূড়ান্ত সত্য হিসেবে ধরা যায় না। যুক্তরাষ্ট্রের কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এপস্টেইন সংক্রান্ত প্রকাশিত নথির ভিত্তিতে প্রয়োজন হলে তদন্ত এগিয়ে নেওয়া হবে।

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মমতাকে অব্যাহতি দিয়ে ভেঙে দেওয়া হলো পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রিসভা

এপস্টেইন নথি ঘিরে চাঞ্চল্যকর নতুন তথ্য

ধর্ষণে নিহতদের দাফন করা হয় বাংলোর মাটিতে

আপডেট টাইম : ০৯:৩৪:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

মার্কিন বিচার বিভাগের প্রকাশিত সর্বশেষ এপস্টেইন ফাইলে একটি ইমেইল ঘিরে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। ইমেইলটির প্রেরক নিজেকে জেফ্রি এপস্টেইনের সাবেক কর্মী দাবি করে অভিযোগ করেছেন, নিউ মেক্সিকোর জোরো র‍্যাঞ্চ এলাকায় দুই ‘বিদেশি তরুণীর’ মৃত্যু হয়েছিল এবং সেখানে তাদের দাফনের নির্দেশ দেওয়া হয়। অভিযোগগুলো যাচাই করা হয়নি এবং নথিতে সেগুলোকে অভিযোগ হিসেবেই উল্লেখ করা হয়েছে। খবর ডেইলি মেইলের।

 

 

২০১৯ সালের ২১ নভেম্বর পাঠানো ওই ইমেইলটি পরে এফবিআইয়ের কাছে পাঠানো হয়। যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ শুক্রবার যে প্রায় ৩০ লাখ নথি প্রকাশ করেছে, তার অংশ হিসেবেই ইমেইলটি সামনে আসে। প্রেরকের নাম গোপন রাখা হয়েছে।

 

 

ইমেইলে প্রেরক দাবি করেন, তিনি জোরো র‍্যাঞ্চে কাজ করেছেন এবং সেখানে ঘটে যাওয়া নানা ঘটনার প্রত্যক্ষ সাক্ষী। তিনি আরও বলেন, এপস্টেইন ও ‘ম্যাডাম জি’ নামে পরিচিত এক ব্যক্তির নির্দেশে ওই দাফন সম্পন্ন হয়। তবে এসব অভিযোগের পক্ষে কোনো প্রমাণ ইমেইলে দেওয়া হয়নি।

 

নথিতে আরও উল্লেখ রয়েছে, ইমেইলের প্রেরক কিছু ভিডিওর লিংকের কথা বলেন এবং সেগুলোর বিনিময়ে অর্থ দাবি করেন। ইমেইলটি এপস্টেইনের মৃত্যুর কয়েক মাস পর এফবিআইয়ের কাছে পৌঁছায়। উল্লেখ্য, এপস্টিন ২০১৯ সালে নিউইয়র্কের একটি কারাগারে বিচারাধীন অবস্থায় মারা যান।

প্রকাশিত নথিতে এপস্টেইনের সম্পত্তি নিয়েও তথ্য রয়েছে। ১৯৯৩ সালে কেনা জোরো র‍্যাঞ্চটি তিনি মৃত্যুর আগ পর্যন্ত নিজের কাছে রেখেছিলেন। পরে সম্পত্তিটি বিক্রি করা হয়। এই র‍্যাঞ্চটি আগে থেকেই বিচ্ছিন্ন অবস্থান ও গোপন যাতায়াতের কারণে আলোচনায় ছিল।

 

বিশ্লেষকেরা বলছেন, নথিগুলোতে থাকা অভিযোগগুলো গুরুতর হলেও এগুলো যাচাই-বাছাই ছাড়া চূড়ান্ত সত্য হিসেবে ধরা যায় না। যুক্তরাষ্ট্রের কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এপস্টেইন সংক্রান্ত প্রকাশিত নথির ভিত্তিতে প্রয়োজন হলে তদন্ত এগিয়ে নেওয়া হবে।