সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে যাতায়াত ও টিফিন খরচ বাবদ সম্মানী ভাতা ও সনদ প্রদান না করার অভিযোগ উঠেছে কামারখন্দ কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে।
এঘটনায় প্রতিকার পেতে গত ১৮ জানুয়ারি তৌহিদুল ইসলাম তালুকদার নামে ভুক্তভোগী এক শিক্ষার্থী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর অভিযোগ দিয়েছেন।
অভিযোগ তদন্তে গত ২০ জানুয়ারি উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শাহ আলমকে আহবায়ক ও উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার আনন্দ কুমার মন্ডলকে সদস্য করে কমিটি গঠন করেছে উপজলা নির্বাহী কর্মকর্তা। কমিটিকে ৫ কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হলেও এক মাসেও প্রতিবেদন জমা দিতে পারেনি তদন্ত কমিটি।
ভুক্তভোগী তৌহিদুল অ্যাসেট প্রকল্পের আওতায় মোটর ড্রাইভিং এর ২০২৫ সালের (মে-আগষ্ট) কোর্সের শিক্ষার্থী। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, অ্যাসেট প্রকল্পের আওতায় মোটর ড্রাইভিং এর ২০২৫ সালের (মে-আগষ্ট) কোর্সে ২৫ জন শিক্ষার্থী ভর্তি হয়। নভেম্বরে পরীক্ষা হলে সেখানে ১৭জন পরীক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়। পরীক্ষার উত্তীর্ণদের সনদ ও সম্মানী ভাতা বাবদ ১৩ হাজার ৫০০ টাকা দেওয়ার কথা। কিন্তু অধ্যক্ষ এ ব্যাপারে নানা মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন। ভুক্তভোগী তৌহিদুল ইসলাম তালুকদার জানান, সনদ ও টাকার বিষয়ে জানতে গেলে অধ্যক্ষকে প্রতিষ্ঠানে পাওয়া যায় না। পরে তার মুঠোফোনে ফোন দিলে তিনি ধমক দিয়ে বলেন, আপনার জন্য আমাকে বসে থাকতে হবে নাকি, ফাইজলামি করেন নাকি, ডিরেক্টর না থাকলে অফিস চলে না? আপনার যে টাকা দরকার সেই টাকা নিয়ে যাবেন, চেক দিয়ে দিবো আপনাকে। আমাকে দরকার কি আপনার?
কামারখন্দ কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের অধ্যক্ষ প্রকৌশলী মোহম্মদ গোলাম নবী জানান, অভিযোগ দেওয়া শিক্ষার্থী টাকা কিংবা সনদের ব্যাপারে আমাদের কিছু জানায়নি। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর অভিযোগের প্রেক্ষিতে তদন্ত কমিটি এব্যাপারে তদন্ত করে গেছে। প্রতিবেদন জমা দেওয়ার ব্যাপারে উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার ও তদন্ত কমিটির সদস্য আনন্দ কুমার মন্ডল জানান, নির্বাচনের কারণে প্রতিবেদন জমা দিতে বিলম্ব হয়েছে। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ও তদন্ত কমিটির আহবায়ক শাহ আলম জানান, প্রাথমিক তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি। সোমবার প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে বলে জানান।

কামারখন্দ (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি। জনতার কন্ঠ.কম। 



















