সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার সলঙ্গা এলাকার নলকা ইউনিয়নের আলোকদিয়া এলাকায় ফুলজোড় নদীর পাড় কাটার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে নদীর পাড় থেকে মাটি কেটে অন্যত্র বিক্রি করা হচ্ছে, ফলে আবাদি জমি ও নদীভাঙনের ঝুঁকি বাড়ছে।
সরেজমিনে সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে গিয়ে দেখা যায়, এক্সকাভেটর (ভেকু) দিয়ে নদীর পাড় থেকে মাটি কেটে ১০ থেকে ১২টি ড্রাম ট্রাকে করে অন্যত্র নেওয়া হচ্ছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, লুৎফর রহমান নামে এক ব্যক্তি এসব মাটি বিক্রির সঙ্গে জড়িত।

সরকারি খাস খতিয়ানভুক্ত নদীর পাড়ের মাটি কাটা আইনসিদ্ধ কিনা—এ বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত মাটি ব্যবসায়ী লুৎফর রহমান বলেন, আইনগতভাবে সরকারি নদীর পাড় কাটা যায় না, তবে তিনি সেখানে মাটি কাটছেন বলে স্বীকার করেন।
এলাকার কৃষকদের দাবি, প্রশাসনের সঙ্গে যোগসাজশ করে দিনের পর দিন নদীর পাড় কাটা হচ্ছে। এতে করে বর্ষা মৌসুমে কয়েক শত বিঘা আবাদি জমি নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে বলে তারা জানান। তাদের মতে, অব্যাহতভাবে নদীর পাড় ও আশপাশের জমি কাটার ফলে ভাঙনের ঝুঁকি আরও বাড়ছে।
এ বিষয়ে নলকা ইউনিয়ন সহকারী (ভূমি) জিহাদুল ইসলাম জানান, অভিযোগ পাওয়ার পর ঘটনাস্থলে অফিসের লোক পাঠানো হয়েছে।
রায়গঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাসুদ রানা বলেন, বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখা হচ্ছে এবং দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, অবৈধভাবে নদীর পাড় কাটা বন্ধে প্রশাসন দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেবে।

রায়গঞ্জ (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি। জনতার কণ্ঠ.কম 



















