সিরাজগঞ্জ , শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo মমতাকে অব্যাহতি দিয়ে ভেঙে দেওয়া হলো পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রিসভা Logo কবিগুরুর জন্মবার্ষিকী উদযাপনে প্রস্তুত শাহজাদপুরের কাছারিবাড়ি Logo নিকার অনুমোদন: ভূল্লী উপজেলা গঠনে জনসাধারণের উচ্ছ্বাস Logo ধর্ষণ মামলায় নির্দোষ ইমাম জেলে, ডিএনএ পরীক্ষায় বেরিয়ে এলো আসল তথ্য Logo অবৈধভাবে গড়ে উঠা স্থাপনা দখলমুক্ত হবে: পানি সম্পদ মন্ত্রী Logo বিদ্যুৎ মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি: বিদ্যুৎমন্ত্রী Logo  বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ও ট্রান্সফরমার চোর চক্রের ৯ সদস্য গ্রেফতার Logo মাদক সেবনের দায়ে কারাদণ্ড, কলেজ ছাত্রদল সভাপতি বহিষ্কার Logo মাসুদ উদ্দিনকে জুলাই হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল Logo ইসরায়েলকে হুমকি দিলে কঠিন পরিণতি: নেতানিয়াহুর হুঁশিয়ারি

পিতার কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়ে মেয়েকে হত্যা

ঘটনাস্থলে উৎসুক জনতার ভিড়। ছবি : সংগৃহীত

নরসিংদীর মাধবদীতে আমেনা আক্তার নামের এক কিশোরীকে তার বাবার কাছ থেকে তুলে নিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।

 

 

বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে মাধবদী থানার মহিষাশুরা ইউনিয়নের কোতালিরচর দড়িকান্দীর সরিষা ক্ষেত থেকে গলায় ওড়না প্যাঁচানো মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

 

 

নিহত আমেনা আক্তার (১৫) বরিশালের বাসিন্দা আশরাফ হোসেনের মেয়ে। তারা মাধবদীর বিলপাড় এলাকায় ভাড়ায় বসবাস করতেন।

 

নিহতের স্বজন ও স্থানীয়রা জানান, গত ১৫ দিন আগে স্থানীয় বখাটে নূর মোহাম্মদের নেতৃত্বে ৫/৬ জনের একটি দল আমেনাকে তুলে নিয়ে যায়। তখন বিষয়টি স্থানীয়ভাবে মীমাংসাও করা হয়। বুধবার রাতে বাবা আশরাফ হোসেন তার কাজ শেষে মেয়েকে নিয়ে খালার বাড়িতে রেখে আসতে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে বড়ইতলা এলাকায় পৌঁছালে নূর মোহাম্মদ দলবল নিয়ে আবারও বাবার কাছ থেকে আমেনাকে জোরপূর্বক তোলে নিয়ে যায়। পরে পরিবারের লোকজন খোঁজাখুঁজি করে। বৃহস্পতিবার সকালে একটি সরিষা ক্ষেতে মরদেহ পাওয়া যায়।

নিহতের বাবা মো. আশরাফ হোসেন বলেন, নূর মোহাম্মদের নেতৃত্বে ৫/৬ জন লোক আমার সামনে থেকে আমার মেয়েকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যায়। পরে আমরা অনেক খোঁজাখুঁজি করে রাতে আর পাইনি। সকালে আমরা জানতে পারি, আমেনার মরদেহ সরিষা ক্ষেতে পড়ে আছে। আমার সন্তানকে যারা হত্যা করেছে তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।

মাধবদী থানার ওসি কামাল হোসেন বলেন, প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছি, মেয়েটির সঙ্গে নূর মোহাম্মদের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। এটি মেয়েটির পরিবার মেনে নেয়নি। বুধবার তাকে বাবার কাছ থেকে নূর মোহাম্মদ তুলে নিয়ে গেছে বলে জেনেছি। পরে সকালে মরদেহ পাওয়া যায়।

 

 

তিনি আরও বলেন, এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অপরাধীদের খুঁজে বের করতে কাজ করছে পুলিশ। ইতোমধ্যে সন্দেহভাজন হিসেবে একজনকে আটক করা হয়েছে। আর ধর্ষণের বিষয়টি তদন্তের পর বিস্তারিত বলা যাবে।

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মমতাকে অব্যাহতি দিয়ে ভেঙে দেওয়া হলো পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রিসভা

পিতার কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়ে মেয়েকে হত্যা

আপডেট টাইম : ০৩:১৩:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

নরসিংদীর মাধবদীতে আমেনা আক্তার নামের এক কিশোরীকে তার বাবার কাছ থেকে তুলে নিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।

 

 

বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে মাধবদী থানার মহিষাশুরা ইউনিয়নের কোতালিরচর দড়িকান্দীর সরিষা ক্ষেত থেকে গলায় ওড়না প্যাঁচানো মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

 

 

নিহত আমেনা আক্তার (১৫) বরিশালের বাসিন্দা আশরাফ হোসেনের মেয়ে। তারা মাধবদীর বিলপাড় এলাকায় ভাড়ায় বসবাস করতেন।

 

নিহতের স্বজন ও স্থানীয়রা জানান, গত ১৫ দিন আগে স্থানীয় বখাটে নূর মোহাম্মদের নেতৃত্বে ৫/৬ জনের একটি দল আমেনাকে তুলে নিয়ে যায়। তখন বিষয়টি স্থানীয়ভাবে মীমাংসাও করা হয়। বুধবার রাতে বাবা আশরাফ হোসেন তার কাজ শেষে মেয়েকে নিয়ে খালার বাড়িতে রেখে আসতে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে বড়ইতলা এলাকায় পৌঁছালে নূর মোহাম্মদ দলবল নিয়ে আবারও বাবার কাছ থেকে আমেনাকে জোরপূর্বক তোলে নিয়ে যায়। পরে পরিবারের লোকজন খোঁজাখুঁজি করে। বৃহস্পতিবার সকালে একটি সরিষা ক্ষেতে মরদেহ পাওয়া যায়।

নিহতের বাবা মো. আশরাফ হোসেন বলেন, নূর মোহাম্মদের নেতৃত্বে ৫/৬ জন লোক আমার সামনে থেকে আমার মেয়েকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যায়। পরে আমরা অনেক খোঁজাখুঁজি করে রাতে আর পাইনি। সকালে আমরা জানতে পারি, আমেনার মরদেহ সরিষা ক্ষেতে পড়ে আছে। আমার সন্তানকে যারা হত্যা করেছে তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।

মাধবদী থানার ওসি কামাল হোসেন বলেন, প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছি, মেয়েটির সঙ্গে নূর মোহাম্মদের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। এটি মেয়েটির পরিবার মেনে নেয়নি। বুধবার তাকে বাবার কাছ থেকে নূর মোহাম্মদ তুলে নিয়ে গেছে বলে জেনেছি। পরে সকালে মরদেহ পাওয়া যায়।

 

 

তিনি আরও বলেন, এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অপরাধীদের খুঁজে বের করতে কাজ করছে পুলিশ। ইতোমধ্যে সন্দেহভাজন হিসেবে একজনকে আটক করা হয়েছে। আর ধর্ষণের বিষয়টি তদন্তের পর বিস্তারিত বলা যাবে।