সিরাজগঞ্জ , শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo মমতাকে অব্যাহতি দিয়ে ভেঙে দেওয়া হলো পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রিসভা Logo কবিগুরুর জন্মবার্ষিকী উদযাপনে প্রস্তুত শাহজাদপুরের কাছারিবাড়ি Logo নিকার অনুমোদন: ভূল্লী উপজেলা গঠনে জনসাধারণের উচ্ছ্বাস Logo ধর্ষণ মামলায় নির্দোষ ইমাম জেলে, ডিএনএ পরীক্ষায় বেরিয়ে এলো আসল তথ্য Logo অবৈধভাবে গড়ে উঠা স্থাপনা দখলমুক্ত হবে: পানি সম্পদ মন্ত্রী Logo বিদ্যুৎ মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি: বিদ্যুৎমন্ত্রী Logo  বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ও ট্রান্সফরমার চোর চক্রের ৯ সদস্য গ্রেফতার Logo মাদক সেবনের দায়ে কারাদণ্ড, কলেজ ছাত্রদল সভাপতি বহিষ্কার Logo মাসুদ উদ্দিনকে জুলাই হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল Logo ইসরায়েলকে হুমকি দিলে কঠিন পরিণতি: নেতানিয়াহুর হুঁশিয়ারি

প্রবীণ সাংবাদিক রফিকুল আলমের পাশে বিএনপি নেতা বাচ্চু

  • রিপোর্টার:
  • আপডেট টাইম : ০৭:৩১:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৫
  • 162

সিরাজগঞ্জের প্রবীণ সাংবাদিক রফিকুল আলম খানের পাশে দাঁড়ালেন বিএনপি নেতা সাইদুর রহমান বাচ্চু।

জনতার কণ্ঠ প্রতিবেদক

কালবেলা মাল্টিমিডিয়ায় ভিডিও স্টোরি  প্রকাশের পৌণে চার মাস পর সিরাজগঞ্জের প্রবীণ ও অসুস্থ্য সাংবাদিক রফিকুল আলম খানের পাশে দাঁড়ালেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহি কমিটির সদস্য ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান বাচ্চু।

বুধবার (২৭ আগষ্ট) তিনি সদর উপজেলার ডুমুর গ্রামে রফিকুল আলম খানের গ্রামের বাড়িতে গিয়ে তাঁর শারিরিক অবস্থার খোঁজ খবর নেন বাচ্চু। পরে তিনি আর্থিক সহযোগীতা করেন প্রবীণ এই সাংবাদিককে।

আশির্ধো এই প্রবীণ সাংবাদিক বিএনপি নেতা সাইদুর রহমান বাচ্চুকে দেখেই বলেন, আমি যখন পুরোদমে সাংবাদিকতা করি, বাচ্চু সাহেব তখন ছাত্রনেতা ছিলেন। তখন থেকেই আমি তাকে চিনি। তাঁর মতো একজন নেতা আমার খোঁজ খবর নিতে আমার বাড়িতে আসায় আমি কৃতজ্ঞ। ধন্যবাদ জানাচ্ছি, বাচ্চু সাহেবকে। তাকে আমি প্রাণভরে দোয়া করছি।

এ সময় সাইদুর রহমান বাচ্চু বলেন,  আমি কালবেলায় একটি নিউজ দেখেছিলাম, প্রবীণ সাংবাদিক রফিকুল ভাই অসুস্থ্য। আসলে আমাদের যারা পুরাতন সিনিয়র সাংবাদিক ছিলেন অনেকেই পৃথিবী ছেড়ে চলে গেছেন। যাদের অবদান ছিল এই সিরাজগঞ্জের উন্নয়নের জন্য। আদর্শগতভাবে ওনারা লেখালেখি করেছেন, ওনারা সিরাজগঞ্জের আলোকিত মানুষ।

কালবেলার ওই নিউজটি দেখে উদ্বুদ্ধ হয়ে এ রকম আলোকিত সংবাদিক রফিকুল আলম খানকে দেখার জন্য এসেছি। তিনি একাকি ও অসহায় জীবনযাপন করেছেন।

রফিকুল ইসলাম খান প্রথম আলো, আমার দেশে, বাংলাদেশ রেডিওর মতো বড় বড় মিডিয়ায় কাজ করেছেন। তিনি আদর্শের সঙ্গেই সাংবাদিকতা করেছেন। সাংবাদিক রউফ ভাই, আমিনুল চৌধুরী, সুনীল ঘোষ, মোতালেব ভাইয়েরও অবদান সিরাজগঞ্জের জন্য আছে।

এ সময় জেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক তানভীর মাহমুদ পলাশ, স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক আনোয়ার হোসেন রাজেশ, জেলা বিএনপির সহ দপ্তর সম্পাদক, সাংবাদিক শেখ এনামুল হক, জনতার কণ্ঠ’র সম্পাদক ও প্রকাশক স্বপন চন্দ্র দাস, বহুলী সাবেক সাধারণ সম্পাদক হায়দার আলীসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

প্রত্যন্ত গ্রামে ছোট একটি ঘরে চৌকিতে শুয়ে বসেই দিন কাটে এক সময়ের দাপুটে সাংবাদিক রফিকুল আলম খানের। বয়সের কারণে পা দুটি নিশ্চল হয়ে পড়ায় হাঁটাচলা করতে পারেন না। কখনো কখনো পুরনো জীর্ণ হুইল চেয়ারটিতে ঘর থেকে উঠোনে বসিয়ে দেন প্রতিবেশীরা।

বয়সের ভারে ন্যূব্জ এই সাংবাদিককে নিয়ে কালবেলা মাল্টিমিডিয়ায় `প্রবীণ সাংবাদিক রফিকুলের খোঁজ রাখে না কেউ” শিরোনামে গত ৬ মে একটি ভিডিও স্টোরি প্রকাশিত হয়।

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মমতাকে অব্যাহতি দিয়ে ভেঙে দেওয়া হলো পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রিসভা

প্রবীণ সাংবাদিক রফিকুল আলমের পাশে বিএনপি নেতা বাচ্চু

আপডেট টাইম : ০৭:৩১:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৫

জনতার কণ্ঠ প্রতিবেদক

কালবেলা মাল্টিমিডিয়ায় ভিডিও স্টোরি  প্রকাশের পৌণে চার মাস পর সিরাজগঞ্জের প্রবীণ ও অসুস্থ্য সাংবাদিক রফিকুল আলম খানের পাশে দাঁড়ালেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহি কমিটির সদস্য ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান বাচ্চু।

বুধবার (২৭ আগষ্ট) তিনি সদর উপজেলার ডুমুর গ্রামে রফিকুল আলম খানের গ্রামের বাড়িতে গিয়ে তাঁর শারিরিক অবস্থার খোঁজ খবর নেন বাচ্চু। পরে তিনি আর্থিক সহযোগীতা করেন প্রবীণ এই সাংবাদিককে।

আশির্ধো এই প্রবীণ সাংবাদিক বিএনপি নেতা সাইদুর রহমান বাচ্চুকে দেখেই বলেন, আমি যখন পুরোদমে সাংবাদিকতা করি, বাচ্চু সাহেব তখন ছাত্রনেতা ছিলেন। তখন থেকেই আমি তাকে চিনি। তাঁর মতো একজন নেতা আমার খোঁজ খবর নিতে আমার বাড়িতে আসায় আমি কৃতজ্ঞ। ধন্যবাদ জানাচ্ছি, বাচ্চু সাহেবকে। তাকে আমি প্রাণভরে দোয়া করছি।

এ সময় সাইদুর রহমান বাচ্চু বলেন,  আমি কালবেলায় একটি নিউজ দেখেছিলাম, প্রবীণ সাংবাদিক রফিকুল ভাই অসুস্থ্য। আসলে আমাদের যারা পুরাতন সিনিয়র সাংবাদিক ছিলেন অনেকেই পৃথিবী ছেড়ে চলে গেছেন। যাদের অবদান ছিল এই সিরাজগঞ্জের উন্নয়নের জন্য। আদর্শগতভাবে ওনারা লেখালেখি করেছেন, ওনারা সিরাজগঞ্জের আলোকিত মানুষ।

কালবেলার ওই নিউজটি দেখে উদ্বুদ্ধ হয়ে এ রকম আলোকিত সংবাদিক রফিকুল আলম খানকে দেখার জন্য এসেছি। তিনি একাকি ও অসহায় জীবনযাপন করেছেন।

রফিকুল ইসলাম খান প্রথম আলো, আমার দেশে, বাংলাদেশ রেডিওর মতো বড় বড় মিডিয়ায় কাজ করেছেন। তিনি আদর্শের সঙ্গেই সাংবাদিকতা করেছেন। সাংবাদিক রউফ ভাই, আমিনুল চৌধুরী, সুনীল ঘোষ, মোতালেব ভাইয়েরও অবদান সিরাজগঞ্জের জন্য আছে।

এ সময় জেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক তানভীর মাহমুদ পলাশ, স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক আনোয়ার হোসেন রাজেশ, জেলা বিএনপির সহ দপ্তর সম্পাদক, সাংবাদিক শেখ এনামুল হক, জনতার কণ্ঠ’র সম্পাদক ও প্রকাশক স্বপন চন্দ্র দাস, বহুলী সাবেক সাধারণ সম্পাদক হায়দার আলীসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

প্রত্যন্ত গ্রামে ছোট একটি ঘরে চৌকিতে শুয়ে বসেই দিন কাটে এক সময়ের দাপুটে সাংবাদিক রফিকুল আলম খানের। বয়সের কারণে পা দুটি নিশ্চল হয়ে পড়ায় হাঁটাচলা করতে পারেন না। কখনো কখনো পুরনো জীর্ণ হুইল চেয়ারটিতে ঘর থেকে উঠোনে বসিয়ে দেন প্রতিবেশীরা।

বয়সের ভারে ন্যূব্জ এই সাংবাদিককে নিয়ে কালবেলা মাল্টিমিডিয়ায় `প্রবীণ সাংবাদিক রফিকুলের খোঁজ রাখে না কেউ” শিরোনামে গত ৬ মে একটি ভিডিও স্টোরি প্রকাশিত হয়।