সিরাজগঞ্জ , শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo মমতাকে অব্যাহতি দিয়ে ভেঙে দেওয়া হলো পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রিসভা Logo কবিগুরুর জন্মবার্ষিকী উদযাপনে প্রস্তুত শাহজাদপুরের কাছারিবাড়ি Logo নিকার অনুমোদন: ভূল্লী উপজেলা গঠনে জনসাধারণের উচ্ছ্বাস Logo ধর্ষণ মামলায় নির্দোষ ইমাম জেলে, ডিএনএ পরীক্ষায় বেরিয়ে এলো আসল তথ্য Logo অবৈধভাবে গড়ে উঠা স্থাপনা দখলমুক্ত হবে: পানি সম্পদ মন্ত্রী Logo বিদ্যুৎ মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি: বিদ্যুৎমন্ত্রী Logo  বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ও ট্রান্সফরমার চোর চক্রের ৯ সদস্য গ্রেফতার Logo মাদক সেবনের দায়ে কারাদণ্ড, কলেজ ছাত্রদল সভাপতি বহিষ্কার Logo মাসুদ উদ্দিনকে জুলাই হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল Logo ইসরায়েলকে হুমকি দিলে কঠিন পরিণতি: নেতানিয়াহুর হুঁশিয়ারি

বক্তব্যে জিয়াউর রহমানের নাম বলেননি ইউএনও, ক্ষুব্ধ বিএনপি

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তার লিখিত বক্তব্যে শহীদ জিয়াউর রহমানের নাম উচ্চারণ না করায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছে বিএনপির নেতাকর্মীরা।

 

 

বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সকালে সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নুসরাত জাহান তার বক্তব্যে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নাম উচ্চারণ না করায় ক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা অনুষ্ঠান বর্জন করে চলে যান।

 

 

এদিকে বিষয়টি নিয়ে ইউএনওর সঙ্গে তাড়াশ পৌর বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব আব্দুল বারিক খন্দকারের বিতর্কের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। তাড়াশের সাংবাদিক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ ভিডিওটি নিজ নিজ ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছেন। এসব পোস্টে মিশ্র প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বিভিন্ন কমেন্ট করছেন নেটিজনরো।

 

 

আব্দুল বারিক খন্দকার অভিযোগ করে বলেন, স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত অনুষ্ঠানে দুজন ঘোষক ধারা বিবরণী পাঠ করছিলেন। আমরা লক্ষ্য করলাম সেখানে জিয়াউর রহমানের নাম নেই। এক পর্যায়ে উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আফসার আলী ইউএনওর কাছে এ বিষয়ে অভিযোগ করলেন। বলে আসার পরে একটিবার বললেন মুক্তিযুদ্ধের ঘোষক জিয়াউর রহমান। সকল অনুষ্ঠান শেষে ইউএনও মহোদয় বক্তব্য রাখলেন, আমরা লক্ষ্য করলাম একটিবারও তিনি জিয়াউর রহমানের নাম বলেন নাই। পরে আমরা ইউএনওকে বলে অনুষ্ঠান বর্জন করে চলে এলাম।

 

 

তাড়াশ উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি খন্দকার সেলিম জাহাঙ্গীর বলেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসের ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ জিয়াউর রহমানকে স্মরণ না করা, স্বাধীনতার ঘোষণা উনি দিয়েছেন সেটা উল্লেখ না করা এটা খুবই লজ্জাকর। তার লিখিত বক্তব্যে একবারও শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের নাম বলা হয়নি। তিনি ইউএনওকে দুর্নীতিবাজ উল্লেখ করে বলেন, তিনি প্রায় ৮ কোটি টাকা লুট করেছে।

 

 

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নুসরাত জাহান বলেন, অনুষ্ঠানে আমার লিখিত বক্তব্যটা ছিল ওখানে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে অংশ থেকে শুরু সবার কথা বলেছি, সম্মান জ্ঞাপন করেছি। পরবর্তী অনুষ্ঠানে আমাদরে এমপি মহোদয় ছিলেন, ওখানে এসব বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। তা ছাড়া এখন আর তেমন কোন জটিলতা নেই।

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মমতাকে অব্যাহতি দিয়ে ভেঙে দেওয়া হলো পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রিসভা

বক্তব্যে জিয়াউর রহমানের নাম বলেননি ইউএনও, ক্ষুব্ধ বিএনপি

আপডেট টাইম : ০৬:৫৭:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তার লিখিত বক্তব্যে শহীদ জিয়াউর রহমানের নাম উচ্চারণ না করায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছে বিএনপির নেতাকর্মীরা।

 

 

বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সকালে সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নুসরাত জাহান তার বক্তব্যে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নাম উচ্চারণ না করায় ক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা অনুষ্ঠান বর্জন করে চলে যান।

 

 

এদিকে বিষয়টি নিয়ে ইউএনওর সঙ্গে তাড়াশ পৌর বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব আব্দুল বারিক খন্দকারের বিতর্কের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। তাড়াশের সাংবাদিক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ ভিডিওটি নিজ নিজ ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছেন। এসব পোস্টে মিশ্র প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বিভিন্ন কমেন্ট করছেন নেটিজনরো।

 

 

আব্দুল বারিক খন্দকার অভিযোগ করে বলেন, স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত অনুষ্ঠানে দুজন ঘোষক ধারা বিবরণী পাঠ করছিলেন। আমরা লক্ষ্য করলাম সেখানে জিয়াউর রহমানের নাম নেই। এক পর্যায়ে উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আফসার আলী ইউএনওর কাছে এ বিষয়ে অভিযোগ করলেন। বলে আসার পরে একটিবার বললেন মুক্তিযুদ্ধের ঘোষক জিয়াউর রহমান। সকল অনুষ্ঠান শেষে ইউএনও মহোদয় বক্তব্য রাখলেন, আমরা লক্ষ্য করলাম একটিবারও তিনি জিয়াউর রহমানের নাম বলেন নাই। পরে আমরা ইউএনওকে বলে অনুষ্ঠান বর্জন করে চলে এলাম।

 

 

তাড়াশ উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি খন্দকার সেলিম জাহাঙ্গীর বলেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসের ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ জিয়াউর রহমানকে স্মরণ না করা, স্বাধীনতার ঘোষণা উনি দিয়েছেন সেটা উল্লেখ না করা এটা খুবই লজ্জাকর। তার লিখিত বক্তব্যে একবারও শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের নাম বলা হয়নি। তিনি ইউএনওকে দুর্নীতিবাজ উল্লেখ করে বলেন, তিনি প্রায় ৮ কোটি টাকা লুট করেছে।

 

 

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নুসরাত জাহান বলেন, অনুষ্ঠানে আমার লিখিত বক্তব্যটা ছিল ওখানে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে অংশ থেকে শুরু সবার কথা বলেছি, সম্মান জ্ঞাপন করেছি। পরবর্তী অনুষ্ঠানে আমাদরে এমপি মহোদয় ছিলেন, ওখানে এসব বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। তা ছাড়া এখন আর তেমন কোন জটিলতা নেই।