সিরাজগঞ্জ , শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo মমতাকে অব্যাহতি দিয়ে ভেঙে দেওয়া হলো পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রিসভা Logo কবিগুরুর জন্মবার্ষিকী উদযাপনে প্রস্তুত শাহজাদপুরের কাছারিবাড়ি Logo নিকার অনুমোদন: ভূল্লী উপজেলা গঠনে জনসাধারণের উচ্ছ্বাস Logo ধর্ষণ মামলায় নির্দোষ ইমাম জেলে, ডিএনএ পরীক্ষায় বেরিয়ে এলো আসল তথ্য Logo অবৈধভাবে গড়ে উঠা স্থাপনা দখলমুক্ত হবে: পানি সম্পদ মন্ত্রী Logo বিদ্যুৎ মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি: বিদ্যুৎমন্ত্রী Logo  বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ও ট্রান্সফরমার চোর চক্রের ৯ সদস্য গ্রেফতার Logo মাদক সেবনের দায়ে কারাদণ্ড, কলেজ ছাত্রদল সভাপতি বহিষ্কার Logo মাসুদ উদ্দিনকে জুলাই হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল Logo ইসরায়েলকে হুমকি দিলে কঠিন পরিণতি: নেতানিয়াহুর হুঁশিয়ারি

ফুয়েল কার্ড বিতরণ শুরু, মোটরসাইকেল চালকদের উপচে পড়া ভিড়

ফিলিং স্টেশন থেকে পেট্রোল ও অকটেন সংগ্রহে ফুয়েল কার্ড বাধ্যতামূলক করায় সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলায় মোটরসাইকেল চালকদের মধ্যে কার্ড সংগ্রহে ব্যাপক সাড়া পড়েছে। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সকাল থেকে উপজেলা পরিষদ চত্বরে ফুয়েল কার্ড সংগ্রহ করতে আসা চালকদের ভিড় লক্ষ্য করা যায়।
সকাল ১০টার দিকে সরেজমিনে দেখা যায়, মোটরসাইকেল চালকেরা জাতীয় পরিচয়পত্র, রেজিস্ট্রেশন, ড্রাইভিং লাইসেন্স, ট্যাক্স টোকেন ও ফিটনেসসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে কার্ডের জন্য আবেদন করছেন। সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তারা কাগজপত্র যাচাই-বাছাই শেষে কার্ড প্রদান করছেন। তবে যাচাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত আবেদনকারীদের দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে।
রায়গঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আবদুল খালেক পাটোয়ারী জানান, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা অনুযায়ী ফুয়েল কার্ড বিতরণ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। প্রকৃত যানবাহন মালিক ও চালকদের যাচাই করে কার্ড দেওয়া হচ্ছে।
এদিকে মোটরসাইকেল চালকদের অভিযোগ, হঠাৎ করে ফুয়েল কার্ড বাধ্যতামূলক হওয়ায় অনেকেই আগে থেকে বিষয়টি জানতে পারেননি। ফলে একসঙ্গে বিপুল সংখ্যক মানুষ কার্ড নিতে আসায় ভিড় তৈরি হয়েছে। তবে বিনামূল্যে কার্ড দেওয়ার উদ্যোগকে তারা ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। দ্রুত কার্ড হাতে পেলে জ্বালানি সংগ্রহে ভোগান্তি কমবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তারা।
প্রশাসনের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ৩০ থেকে ৩১ মার্চ অফিস চলাকালীন সময়ে (সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত) ফুয়েল কার্ড সংগ্রহ করতে হবে। আগামী ১ এপ্রিল ২০২৬ থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনোভাবেই পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি করা হবে না।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রায়গঞ্জ উপজেলায় মাত্র ছয়টি পেট্রোল পাম্প থাকলেও বরাদ্দকৃত জ্বালানির তুলনায় চাহিদা অনেক বেশি। এ কারণে এলাকায় পেট্রোল ও অকটেনের সংকট দেখা দিয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতেই মূলত ফুয়েল কার্ড চালু করা হয়েছে।
যমুনা অয়েল কোম্পানির ডিলার ঘুড়কা সমবায় ফিলিং স্টেশনের ব্যবস্থাপক আব্দুল গাফফার জানান, মাসিক চাহিদার ভিত্তিতে প্রায় ৩ হাজার লিটার পেট্রোল ও সমপরিমাণ অকটেন পাই। আগে যা এক মাসে বিক্রি হতো, এখন তা মাত্র দুই দিনেই শেষ হয়ে যাচ্ছে।
কার্ড সংগ্রহকারী মো. লিটন ও নাজমুল হুদা বলেন, সকাল থেকে দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে নির্ধারিত শর্ত পূরণ করে  ফুয়েল কার্ড পেয়েছি।  এই প্রক্রিয়া আরও সহজ করার দাবি জানান তারা।

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মমতাকে অব্যাহতি দিয়ে ভেঙে দেওয়া হলো পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রিসভা

ফুয়েল কার্ড বিতরণ শুরু, মোটরসাইকেল চালকদের উপচে পড়া ভিড়

আপডেট টাইম : ০৪:৪৯:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬
ফিলিং স্টেশন থেকে পেট্রোল ও অকটেন সংগ্রহে ফুয়েল কার্ড বাধ্যতামূলক করায় সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলায় মোটরসাইকেল চালকদের মধ্যে কার্ড সংগ্রহে ব্যাপক সাড়া পড়েছে। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সকাল থেকে উপজেলা পরিষদ চত্বরে ফুয়েল কার্ড সংগ্রহ করতে আসা চালকদের ভিড় লক্ষ্য করা যায়।
সকাল ১০টার দিকে সরেজমিনে দেখা যায়, মোটরসাইকেল চালকেরা জাতীয় পরিচয়পত্র, রেজিস্ট্রেশন, ড্রাইভিং লাইসেন্স, ট্যাক্স টোকেন ও ফিটনেসসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে কার্ডের জন্য আবেদন করছেন। সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তারা কাগজপত্র যাচাই-বাছাই শেষে কার্ড প্রদান করছেন। তবে যাচাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত আবেদনকারীদের দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে।
রায়গঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আবদুল খালেক পাটোয়ারী জানান, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা অনুযায়ী ফুয়েল কার্ড বিতরণ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। প্রকৃত যানবাহন মালিক ও চালকদের যাচাই করে কার্ড দেওয়া হচ্ছে।
এদিকে মোটরসাইকেল চালকদের অভিযোগ, হঠাৎ করে ফুয়েল কার্ড বাধ্যতামূলক হওয়ায় অনেকেই আগে থেকে বিষয়টি জানতে পারেননি। ফলে একসঙ্গে বিপুল সংখ্যক মানুষ কার্ড নিতে আসায় ভিড় তৈরি হয়েছে। তবে বিনামূল্যে কার্ড দেওয়ার উদ্যোগকে তারা ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। দ্রুত কার্ড হাতে পেলে জ্বালানি সংগ্রহে ভোগান্তি কমবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তারা।
প্রশাসনের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ৩০ থেকে ৩১ মার্চ অফিস চলাকালীন সময়ে (সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত) ফুয়েল কার্ড সংগ্রহ করতে হবে। আগামী ১ এপ্রিল ২০২৬ থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনোভাবেই পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি করা হবে না।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রায়গঞ্জ উপজেলায় মাত্র ছয়টি পেট্রোল পাম্প থাকলেও বরাদ্দকৃত জ্বালানির তুলনায় চাহিদা অনেক বেশি। এ কারণে এলাকায় পেট্রোল ও অকটেনের সংকট দেখা দিয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতেই মূলত ফুয়েল কার্ড চালু করা হয়েছে।
যমুনা অয়েল কোম্পানির ডিলার ঘুড়কা সমবায় ফিলিং স্টেশনের ব্যবস্থাপক আব্দুল গাফফার জানান, মাসিক চাহিদার ভিত্তিতে প্রায় ৩ হাজার লিটার পেট্রোল ও সমপরিমাণ অকটেন পাই। আগে যা এক মাসে বিক্রি হতো, এখন তা মাত্র দুই দিনেই শেষ হয়ে যাচ্ছে।
কার্ড সংগ্রহকারী মো. লিটন ও নাজমুল হুদা বলেন, সকাল থেকে দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে নির্ধারিত শর্ত পূরণ করে  ফুয়েল কার্ড পেয়েছি।  এই প্রক্রিয়া আরও সহজ করার দাবি জানান তারা।