সিরাজগঞ্জ , শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo মমতাকে অব্যাহতি দিয়ে ভেঙে দেওয়া হলো পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রিসভা Logo কবিগুরুর জন্মবার্ষিকী উদযাপনে প্রস্তুত শাহজাদপুরের কাছারিবাড়ি Logo নিকার অনুমোদন: ভূল্লী উপজেলা গঠনে জনসাধারণের উচ্ছ্বাস Logo ধর্ষণ মামলায় নির্দোষ ইমাম জেলে, ডিএনএ পরীক্ষায় বেরিয়ে এলো আসল তথ্য Logo অবৈধভাবে গড়ে উঠা স্থাপনা দখলমুক্ত হবে: পানি সম্পদ মন্ত্রী Logo বিদ্যুৎ মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি: বিদ্যুৎমন্ত্রী Logo  বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ও ট্রান্সফরমার চোর চক্রের ৯ সদস্য গ্রেফতার Logo মাদক সেবনের দায়ে কারাদণ্ড, কলেজ ছাত্রদল সভাপতি বহিষ্কার Logo মাসুদ উদ্দিনকে জুলাই হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল Logo ইসরায়েলকে হুমকি দিলে কঠিন পরিণতি: নেতানিয়াহুর হুঁশিয়ারি

হাওরে বন্যার শঙ্কা, ২০ হাজার পরিবারকে জাতিসংঘের সহায়তা

ফাইল ছবি

আসন্ন বন্যার ঝুঁকি মোকাবিলায় সিলেট বিভাগের হাওরাঞ্চলের ২০ হাজারের বেশি পরিবারকে আগাম সহায়তা দিয়েছে জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি)।

 

 

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ওয়ার্ল্ড ফুড প্রোগ্রাম (ডব্লিউএফপি) জানায়, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলার ঝুঁকিপূর্ণ পরিবারগুলোর কাছে ‘অ্যান্টিসিপেটরি অ্যাকশন’ বা আগাম প্রস্তুতিমূলক কর্মসূচির আওতায় এই সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।

 

 

সংস্থাটি জানায়, নির্ভরযোগ্য আবহাওয়া পূর্বাভাসের ভিত্তিতে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে বন্যা পরিস্থিতি অবনতি হতে পারে— এমন আশঙ্কায় গত ২৯ এপ্রিল সন্ধ্যা থেকে নগদ অর্থ বিতরণ শুরু হয়। এর আওতায় প্রতিটি পরিবারকে সরাসরি ৫ হাজার টাকা করে দেওয়া হয়েছে।

এ পর্যন্ত ২০ হাজারেরও বেশি পরিবার নগদ সহায়তা ও আগাম সতর্কবার্তা পেয়েছে। পাশাপাশি সরকারি সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় থাকা আরও প্রায় ৪ হাজার ৪০০ পরিবারকে অতিরিক্ত জরুরি সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।

ডব্লিউএফপি জানায়, তাদের নিজস্ব তহবিলের পাশাপাশি ইউরোপীয় কমিশনের মানবিক সহায়তা বিভাগ ইসিএইচওর অর্থায়নে এ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

সংস্থাটির ভারপ্রাপ্ত কান্ট্রি ডিরেক্টর সিমোন পার্চমেন্ট বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে দুর্যোগের ঝুঁকি বেড়ে যাওয়ায় আগাম পদক্ষেপ নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। এ ধরনের উদ্যোগের মাধ্যমে পরিবারগুলো আগেভাগেই খাদ্য মজুত, সম্পদ সুরক্ষা এবং নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার প্রস্তুতি নিতে পারে।

 

 

তিনি আরও জানান, দুর্যোগের পর সহায়তার তুলনায় আগাম সহায়তা জীবন ও সম্পদের ক্ষতি উল্লেখযোগ্যভাবে কমাতে সক্ষম।

 

 

উল্লেখ্য, জলবায়ু ঝুঁকির দিক থেকে বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম ঝুঁকিপূর্ণ দেশ। ২০১৭ সাল থেকে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে যৌথভাবে ডব্লিউএফপি এ ধরনের আগাম প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রম বাস্তবায়ন করে আসছে।

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মমতাকে অব্যাহতি দিয়ে ভেঙে দেওয়া হলো পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রিসভা

হাওরে বন্যার শঙ্কা, ২০ হাজার পরিবারকে জাতিসংঘের সহায়তা

আপডেট টাইম : ১০:৫৫:৫৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১ মে ২০২৬

আসন্ন বন্যার ঝুঁকি মোকাবিলায় সিলেট বিভাগের হাওরাঞ্চলের ২০ হাজারের বেশি পরিবারকে আগাম সহায়তা দিয়েছে জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি)।

 

 

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ওয়ার্ল্ড ফুড প্রোগ্রাম (ডব্লিউএফপি) জানায়, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলার ঝুঁকিপূর্ণ পরিবারগুলোর কাছে ‘অ্যান্টিসিপেটরি অ্যাকশন’ বা আগাম প্রস্তুতিমূলক কর্মসূচির আওতায় এই সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।

 

 

সংস্থাটি জানায়, নির্ভরযোগ্য আবহাওয়া পূর্বাভাসের ভিত্তিতে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে বন্যা পরিস্থিতি অবনতি হতে পারে— এমন আশঙ্কায় গত ২৯ এপ্রিল সন্ধ্যা থেকে নগদ অর্থ বিতরণ শুরু হয়। এর আওতায় প্রতিটি পরিবারকে সরাসরি ৫ হাজার টাকা করে দেওয়া হয়েছে।

এ পর্যন্ত ২০ হাজারেরও বেশি পরিবার নগদ সহায়তা ও আগাম সতর্কবার্তা পেয়েছে। পাশাপাশি সরকারি সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় থাকা আরও প্রায় ৪ হাজার ৪০০ পরিবারকে অতিরিক্ত জরুরি সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।

ডব্লিউএফপি জানায়, তাদের নিজস্ব তহবিলের পাশাপাশি ইউরোপীয় কমিশনের মানবিক সহায়তা বিভাগ ইসিএইচওর অর্থায়নে এ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

সংস্থাটির ভারপ্রাপ্ত কান্ট্রি ডিরেক্টর সিমোন পার্চমেন্ট বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে দুর্যোগের ঝুঁকি বেড়ে যাওয়ায় আগাম পদক্ষেপ নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। এ ধরনের উদ্যোগের মাধ্যমে পরিবারগুলো আগেভাগেই খাদ্য মজুত, সম্পদ সুরক্ষা এবং নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার প্রস্তুতি নিতে পারে।

 

 

তিনি আরও জানান, দুর্যোগের পর সহায়তার তুলনায় আগাম সহায়তা জীবন ও সম্পদের ক্ষতি উল্লেখযোগ্যভাবে কমাতে সক্ষম।

 

 

উল্লেখ্য, জলবায়ু ঝুঁকির দিক থেকে বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম ঝুঁকিপূর্ণ দেশ। ২০১৭ সাল থেকে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে যৌথভাবে ডব্লিউএফপি এ ধরনের আগাম প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রম বাস্তবায়ন করে আসছে।