সিরাজগঞ্জ , শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo মমতাকে অব্যাহতি দিয়ে ভেঙে দেওয়া হলো পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রিসভা Logo কবিগুরুর জন্মবার্ষিকী উদযাপনে প্রস্তুত শাহজাদপুরের কাছারিবাড়ি Logo নিকার অনুমোদন: ভূল্লী উপজেলা গঠনে জনসাধারণের উচ্ছ্বাস Logo ধর্ষণ মামলায় নির্দোষ ইমাম জেলে, ডিএনএ পরীক্ষায় বেরিয়ে এলো আসল তথ্য Logo অবৈধভাবে গড়ে উঠা স্থাপনা দখলমুক্ত হবে: পানি সম্পদ মন্ত্রী Logo বিদ্যুৎ মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি: বিদ্যুৎমন্ত্রী Logo  বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ও ট্রান্সফরমার চোর চক্রের ৯ সদস্য গ্রেফতার Logo মাদক সেবনের দায়ে কারাদণ্ড, কলেজ ছাত্রদল সভাপতি বহিষ্কার Logo মাসুদ উদ্দিনকে জুলাই হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল Logo ইসরায়েলকে হুমকি দিলে কঠিন পরিণতি: নেতানিয়াহুর হুঁশিয়ারি

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ডাকা হলো ভারতের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনারকে

ছবি : সংগৃহীত

আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মার বাংলাদেশ নিয়ে সাম্প্রতিক মন্তব্যের প্রতিবাদে ঢাকায় ভারতের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার পাওয়ান বঢ়েকে তলব করেছে সরকার।

 

 

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) বিকেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ডেকে ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনারের কাছে একটি আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদপত্র তুলে দেওয়া হয়। সন্ধ্যায় মন্ত্রণালয়ের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেন।

 

 

সূত্র জানায়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক (দক্ষিণ এশিয়া অনুবিভাগ) ইশরাত জাহানের দপ্তরে বিকেল ৫টার পর ভারতীয় দূতকে ডেকে নিয়ে এ প্রতিবাদ জানানো হয়।

জানা গেছে, চলতি মাসের মাঝামাঝি একটি ভারতীয় গণমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে হিমন্ত বিশ্ব শর্মা বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক নিয়ে অবমাননাকর ও বিভ্রান্তিকর মন্তব্য করেন। বিশেষ করে কথিত ‘পুশব্যাক’ বা অবৈধ অনুপ্রবেশকারী ফেরত পাঠানো সংক্রান্ত তার বক্তব্যকে সম্পূর্ণভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে ঢাকা।

অনিবন্ধিত সন্দেহভাজন বাংলাদেশিদের যথাযথ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে হস্তান্তর করা হয় কি না— ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এবিপির লাইভে এমন প্রশ্নের জবাবে আসামের মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে তা করা কঠিন। তাই তারা রাত নামা পর্যন্ত অপেক্ষা করেন এবং যখন সীমান্তরক্ষী বাহিনীর কোনো সদস্য উপস্থিত থাকেন না, তখন অন্ধকারের আড়ালে তাদের সীমান্ত পেরিয়ে ঠেলে দেন।

এরই পরিপ্রেক্ষিতে বৈঠকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় স্পষ্ট করে জানায়, এ ধরনের স্পর্শকাতর দ্বিপক্ষীয় বিষয়ে তথ্যপ্রমাণহীন বক্তব্য দুই প্রতিবেশী দেশের সম্পর্কের জন্য সহায়ক নয়। যে কোনো অমীমাংসিত বিষয় আন্তর্জাতিক আইন ও বিদ্যমান দ্বিপক্ষীয় কাঠামোর মাধ্যমে সমাধান করা উচিত বলেও উল্লেখ করা হয়।

 

 

এছাড়া ভবিষ্যতে দুই দেশের সম্পর্ককে নেতিবাচকভাবে প্রভাবিত করতে পারে— এমন মন্তব্য থেকে ভারতীয় রাজনৈতিক নেতাদের বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ।

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মমতাকে অব্যাহতি দিয়ে ভেঙে দেওয়া হলো পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রিসভা

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ডাকা হলো ভারতের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনারকে

আপডেট টাইম : ১১:৫৮:০১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১ মে ২০২৬

আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মার বাংলাদেশ নিয়ে সাম্প্রতিক মন্তব্যের প্রতিবাদে ঢাকায় ভারতের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার পাওয়ান বঢ়েকে তলব করেছে সরকার।

 

 

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) বিকেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ডেকে ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনারের কাছে একটি আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদপত্র তুলে দেওয়া হয়। সন্ধ্যায় মন্ত্রণালয়ের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেন।

 

 

সূত্র জানায়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক (দক্ষিণ এশিয়া অনুবিভাগ) ইশরাত জাহানের দপ্তরে বিকেল ৫টার পর ভারতীয় দূতকে ডেকে নিয়ে এ প্রতিবাদ জানানো হয়।

জানা গেছে, চলতি মাসের মাঝামাঝি একটি ভারতীয় গণমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে হিমন্ত বিশ্ব শর্মা বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক নিয়ে অবমাননাকর ও বিভ্রান্তিকর মন্তব্য করেন। বিশেষ করে কথিত ‘পুশব্যাক’ বা অবৈধ অনুপ্রবেশকারী ফেরত পাঠানো সংক্রান্ত তার বক্তব্যকে সম্পূর্ণভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে ঢাকা।

অনিবন্ধিত সন্দেহভাজন বাংলাদেশিদের যথাযথ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে হস্তান্তর করা হয় কি না— ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এবিপির লাইভে এমন প্রশ্নের জবাবে আসামের মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে তা করা কঠিন। তাই তারা রাত নামা পর্যন্ত অপেক্ষা করেন এবং যখন সীমান্তরক্ষী বাহিনীর কোনো সদস্য উপস্থিত থাকেন না, তখন অন্ধকারের আড়ালে তাদের সীমান্ত পেরিয়ে ঠেলে দেন।

এরই পরিপ্রেক্ষিতে বৈঠকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় স্পষ্ট করে জানায়, এ ধরনের স্পর্শকাতর দ্বিপক্ষীয় বিষয়ে তথ্যপ্রমাণহীন বক্তব্য দুই প্রতিবেশী দেশের সম্পর্কের জন্য সহায়ক নয়। যে কোনো অমীমাংসিত বিষয় আন্তর্জাতিক আইন ও বিদ্যমান দ্বিপক্ষীয় কাঠামোর মাধ্যমে সমাধান করা উচিত বলেও উল্লেখ করা হয়।

 

 

এছাড়া ভবিষ্যতে দুই দেশের সম্পর্ককে নেতিবাচকভাবে প্রভাবিত করতে পারে— এমন মন্তব্য থেকে ভারতীয় রাজনৈতিক নেতাদের বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ।