সিরাজগঞ্জ , শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo ছিনতাইকারী সন্দেহে দুই পুলিশ সদস্যকে পিটুনি দিলেন কুবি শিক্ষার্থীরা Logo হিলি স্থলবন্দরে শনিবার আমদানি-রপ্তানি বন্ধ, স্বাভাবিক থাকবে ইমিগ্রেশন Logo কারাগারে নিরাপত্তা জোরদারে ৭ দফা নির্দেশনা জারি Logo নারীর অগ্রগতিতে শিক্ষা ও কর্মসংস্থানে সমান সুযোগ চান জুবাইদা রহমান Logo শরীয়তপুরের জাজিরায় অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় নারীর পাশে দাঁড়ালো মানবতার আলো ফাউন্ডেশন Logo ভারতীয় ভিসায় নতুন নিয়ম, আবেদনকারীদের জন্য বিশেষ নির্দেশনা Logo টেকনাফে মানব পাচারকারীদের সঙ্গে যৌথবাহিনীর গোলাগুলি, সেনাসদস্য নিহত Logo মরিশাসে কাচের বাক্সে চাপা পড়ে তিন বাংলাদেশির মৃত্যু Logo বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকায় শীর্ষে লাহোর, চতুর্থ ঢাকা Logo একটি ব্যাংক ধসের জেরে পদত্যাগ করছেন প্যারাগুয়ের প্রেসিডেন্ট

বিয়ের প্রলোভনে তরুণীকে ধর্ষণ ও গর্ভপাতের অভিযোগ

কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলায় বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক তরুণীকে একাধিকবার ধর্ষণ ও গর্ভপাত করানোর অভিযোগ উঠেছে শুকুর আলী (৫০) নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগীর অভিযোগ, বিয়ের আশ্বাস দিয়ে তাঁকে ধর্ষণের পর অন্তঃসত্ত্বা হলে একটি ক্লিনিকে নিয়ে গর্ভপাত করানো হয়। পরে বিয়ের কথা বললে তাঁকে ভয়ভীতি দেখানো হয়।

 

 

 

 

অভিযুক্ত শুকুর আলী উপজেলার বেগমগঞ্জ ইউনিয়নের মন্ডলপাড়া এলাকার বাসিন্দা। তিনি ছয় সন্তানের জনক বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

 

 

 

 

ভুক্তভোগী তরুণীর ভাষ্য, প্রায় চার মাস আগে তিনি শুকুর আলীর বাড়িতে গৃহস্থালির কাজ করতে যান। একপর্যায়ে শুকুর আলী তাঁকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ধর্ষণ করেন। এরপর বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি দেখিয়ে তাঁকে আরও একাধিকবার ধর্ষণ করা হয়। একপর্যায়ে তিনি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন। বিষয়টি শুকুর আলীকে জানালে তিনি গর্ভপাতের প্রস্তাব দেন। পরে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে তাঁকে কুড়িগ্রামের একটি ক্লিনিকে নিয়ে গর্ভপাত করানো হয় বলে অভিযোগ করেন ওই তরুণী।

 

 

 

 

তরুণীর অভিযোগ, গর্ভপাতের পরও তাঁকে বিয়ে করেননি শুকুর আলী। বিয়ের বিষয়ে কথা বলতে গেলে তাঁকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি দেখানো হয়। সর্বশেষ গত ১ অক্টোবর সকালে বিয়ের দাবিতে শুকুর আলীর বাড়িতে গেলে তিনি তাঁকে বাড়ি থেকে বের করে দেন। এ সময় স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন বলে দাবি করেন ভুক্তভোগী।

 

 

 

 

স্থানীয়দের ভাষ্য, বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ ও গর্ভপাতের অভিযোগের পর ওই তরুণী বিয়ের জন্য চাপ দিলে তাঁকে ভয়ভীতি দেখানো ও হয়রানি করা হয়। বিষয়টি স্থানীয়ভাবে সালিশের মাধ্যমে মীমাংসার চেষ্টা করা হলেও এখন পর্যন্ত কোনো সমাধান হয়নি।

 

 

 

 

স্থানীয়রা জানান, ভুক্তভোগী তরুণীর পরিবার অসচ্ছল। তাঁর বাবা মারা গেছেন, ভাই প্রতিবন্ধী এবং মা বৃদ্ধ। অভাবের কারণে বিভিন্ন বাড়িতে কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করে পরিবারটি। এ ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

 

 

 

 

অভিযোগের বিষয়ে জানতে শুকুর আলীর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তা সম্ভব হয়নি।

এ বিষয়ে উলিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) কমল বলেন, “বিষয়টি সম্পর্কে আমার জানা নেই। ওসি স্যার ছুটিতে আছেন।”

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ছিনতাইকারী সন্দেহে দুই পুলিশ সদস্যকে পিটুনি দিলেন কুবি শিক্ষার্থীরা

বিয়ের প্রলোভনে তরুণীকে ধর্ষণ ও গর্ভপাতের অভিযোগ

আপডেট টাইম : ০৫:৫১:১৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬

কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলায় বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক তরুণীকে একাধিকবার ধর্ষণ ও গর্ভপাত করানোর অভিযোগ উঠেছে শুকুর আলী (৫০) নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগীর অভিযোগ, বিয়ের আশ্বাস দিয়ে তাঁকে ধর্ষণের পর অন্তঃসত্ত্বা হলে একটি ক্লিনিকে নিয়ে গর্ভপাত করানো হয়। পরে বিয়ের কথা বললে তাঁকে ভয়ভীতি দেখানো হয়।

 

 

 

 

অভিযুক্ত শুকুর আলী উপজেলার বেগমগঞ্জ ইউনিয়নের মন্ডলপাড়া এলাকার বাসিন্দা। তিনি ছয় সন্তানের জনক বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

 

 

 

 

ভুক্তভোগী তরুণীর ভাষ্য, প্রায় চার মাস আগে তিনি শুকুর আলীর বাড়িতে গৃহস্থালির কাজ করতে যান। একপর্যায়ে শুকুর আলী তাঁকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ধর্ষণ করেন। এরপর বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি দেখিয়ে তাঁকে আরও একাধিকবার ধর্ষণ করা হয়। একপর্যায়ে তিনি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন। বিষয়টি শুকুর আলীকে জানালে তিনি গর্ভপাতের প্রস্তাব দেন। পরে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে তাঁকে কুড়িগ্রামের একটি ক্লিনিকে নিয়ে গর্ভপাত করানো হয় বলে অভিযোগ করেন ওই তরুণী।

 

 

 

 

তরুণীর অভিযোগ, গর্ভপাতের পরও তাঁকে বিয়ে করেননি শুকুর আলী। বিয়ের বিষয়ে কথা বলতে গেলে তাঁকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি দেখানো হয়। সর্বশেষ গত ১ অক্টোবর সকালে বিয়ের দাবিতে শুকুর আলীর বাড়িতে গেলে তিনি তাঁকে বাড়ি থেকে বের করে দেন। এ সময় স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন বলে দাবি করেন ভুক্তভোগী।

 

 

 

 

স্থানীয়দের ভাষ্য, বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ ও গর্ভপাতের অভিযোগের পর ওই তরুণী বিয়ের জন্য চাপ দিলে তাঁকে ভয়ভীতি দেখানো ও হয়রানি করা হয়। বিষয়টি স্থানীয়ভাবে সালিশের মাধ্যমে মীমাংসার চেষ্টা করা হলেও এখন পর্যন্ত কোনো সমাধান হয়নি।

 

 

 

 

স্থানীয়রা জানান, ভুক্তভোগী তরুণীর পরিবার অসচ্ছল। তাঁর বাবা মারা গেছেন, ভাই প্রতিবন্ধী এবং মা বৃদ্ধ। অভাবের কারণে বিভিন্ন বাড়িতে কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করে পরিবারটি। এ ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

 

 

 

 

অভিযোগের বিষয়ে জানতে শুকুর আলীর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তা সম্ভব হয়নি।

এ বিষয়ে উলিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) কমল বলেন, “বিষয়টি সম্পর্কে আমার জানা নেই। ওসি স্যার ছুটিতে আছেন।”