সিরাজগঞ্জ , বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo ইব্রাহিমের গোলে এগিয়ে বাংলাদেশ Logo পোশাক শ্রমিকদের নতুন মজুরি নির্ধারণে দ্বিতীয় সভা ৯ নভেম্বর Logo সরকার আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে সম্পূর্ণ ব্যর্থ: নাহিদ ইসলাম Logo হরমুজ প্রণালিতে ভারত-চীনসহ ৪ দেশকে বিশেষ ছাড় দিল ইরান Logo একের পর এক সুযোগ নষ্ট, প্রথমার্ধে গোল পায়নি বাংলাদেশ Logo চালু হচ্ছে পাবনা-ঢাকা রুটে নতুন দুই আন্তঃনগর ট্রেন Logo গোপালগঞ্জ জেলা স্কুলে ‘জয়বাংলা’ স্লোগান, ছাড়পত্র পেল ৯ শিক্ষার্থী Logo স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ নতুন দায়িত্ব পেলেন ৬ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী Logo নতুন করে দুটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী Logo নদীভাঙন কবলিত জনগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্তি ও মানবিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে গবেষণার প্রাথমিক ফলাফল উপস্থাপন

মাদককাণ্ডে দুই মাসে ২৭ পুলিশ সদস্য কারাগারে: আইজিপি

ছবি : সংগৃহীত

মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও কিশোর গ্যাং দমনে পাড়া-মহল্লায় সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির। মাদকের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে গত দুই মাসে ২৭ পুলিশ সদস্যকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে বলে জানান তিনি।

 

 

 

 

তিনি জানান, বর্তমানে পুলিশ বাহিনীতে ২ লাখ ১৫ হাজার জনবল রয়েছে। চলতি বছর আরও ২০ হাজার পুলিশ সদস্য নিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে।

 

 

 

 

রোববার (২৫ অক্টোবর) সকালে বাগেরহাট পুলিশ লাইনে জেলা পুলিশের আয়োজনে মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, দুর্নীতি, কিশোর গ্যাং ও উগ্রবাদবিরোধী কমিউনিটি পুলিশিং সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

 

 

গত ১৭ বছর রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতায় পাড়া-মহল্লায় মাদকের আখড়া গড়ে তোলা হয়েছে উল্লেখ করে আইজিপি মো. আলী হোসেন ফকির বলেন, ‘মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের জিরো টলারেন্স নীতি রয়েছে। কিশোর গ্যাং নির্মূলেও পুলিশকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করতে হবে। শুধু আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষে সব অপরাধ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। এ জন্য জনপ্রতিনিধি, সামাজিক সংগঠন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সাধারণ মানুষকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। পাড়া-মহল্লায় অপরাধবিরোধী সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।’

পুলিশকে শক্তিশালী করতে না পারলে সমাজে দিন-রাত স্বাচ্ছন্দ্যে চলাফেরা করা কঠিন হয়ে পড়বে বলে সতর্ক করেন তিনি। মাদক ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণে জনগণের সম্পৃক্ততার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, ‘মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে অর্থনৈতিক উন্নয়ন জরুরি। কিন্তু প্রতিবছর প্রায় ৩০ লাখ মানুষ বেকারের তালিকায় যুক্ত হচ্ছেন। অনেক ব্যবসায়ী ব্যাংকে অর্থ জমা রাখলেও নতুন বিনিয়োগ করছেন না।

 

 

 

 

বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান না বাড়লে তরুণদের মধ্যে হতাশা তৈরি হবে। তরুণদের মেধা, শক্তি ও সামর্থ্যকে উৎপাদনশীল কর্মকাণ্ডে কাজে লাগানো গেলে অপরাধপ্রবণতা অনেকাংশে কমানো সম্ভব বলে মনে করেন তিনি।

বাগেরহাটের পুলিশ সুপার মো. জামিরুল ইসলামের সভাপতিত্বে সমাবেশে বিশেষ অতিথি ছিলেন খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি মো. রেজাউল করিম এবং বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন।

 

 

 

 

এ সময় জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রতিনিধি, জনপ্রতিনিধি, সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। সমাবেশ শেষে পুলিশ লাইনে আয়োজিত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতেও অংশ নেন আইজিপি।

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইব্রাহিমের গোলে এগিয়ে বাংলাদেশ

মাদককাণ্ডে দুই মাসে ২৭ পুলিশ সদস্য কারাগারে: আইজিপি

আপডেট টাইম : ০৫:৩০:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬

মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও কিশোর গ্যাং দমনে পাড়া-মহল্লায় সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির। মাদকের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে গত দুই মাসে ২৭ পুলিশ সদস্যকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে বলে জানান তিনি।

 

 

 

 

তিনি জানান, বর্তমানে পুলিশ বাহিনীতে ২ লাখ ১৫ হাজার জনবল রয়েছে। চলতি বছর আরও ২০ হাজার পুলিশ সদস্য নিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে।

 

 

 

 

রোববার (২৫ অক্টোবর) সকালে বাগেরহাট পুলিশ লাইনে জেলা পুলিশের আয়োজনে মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, দুর্নীতি, কিশোর গ্যাং ও উগ্রবাদবিরোধী কমিউনিটি পুলিশিং সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

 

 

গত ১৭ বছর রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতায় পাড়া-মহল্লায় মাদকের আখড়া গড়ে তোলা হয়েছে উল্লেখ করে আইজিপি মো. আলী হোসেন ফকির বলেন, ‘মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের জিরো টলারেন্স নীতি রয়েছে। কিশোর গ্যাং নির্মূলেও পুলিশকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করতে হবে। শুধু আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষে সব অপরাধ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। এ জন্য জনপ্রতিনিধি, সামাজিক সংগঠন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সাধারণ মানুষকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। পাড়া-মহল্লায় অপরাধবিরোধী সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।’

পুলিশকে শক্তিশালী করতে না পারলে সমাজে দিন-রাত স্বাচ্ছন্দ্যে চলাফেরা করা কঠিন হয়ে পড়বে বলে সতর্ক করেন তিনি। মাদক ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণে জনগণের সম্পৃক্ততার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, ‘মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে অর্থনৈতিক উন্নয়ন জরুরি। কিন্তু প্রতিবছর প্রায় ৩০ লাখ মানুষ বেকারের তালিকায় যুক্ত হচ্ছেন। অনেক ব্যবসায়ী ব্যাংকে অর্থ জমা রাখলেও নতুন বিনিয়োগ করছেন না।

 

 

 

 

বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান না বাড়লে তরুণদের মধ্যে হতাশা তৈরি হবে। তরুণদের মেধা, শক্তি ও সামর্থ্যকে উৎপাদনশীল কর্মকাণ্ডে কাজে লাগানো গেলে অপরাধপ্রবণতা অনেকাংশে কমানো সম্ভব বলে মনে করেন তিনি।

বাগেরহাটের পুলিশ সুপার মো. জামিরুল ইসলামের সভাপতিত্বে সমাবেশে বিশেষ অতিথি ছিলেন খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি মো. রেজাউল করিম এবং বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন।

 

 

 

 

এ সময় জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রতিনিধি, জনপ্রতিনিধি, সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। সমাবেশ শেষে পুলিশ লাইনে আয়োজিত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতেও অংশ নেন আইজিপি।