সিরাজগঞ্জ , শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬

ব্যালন ডি’অর জিতলেন হ্যারি কেইন

ক্লাব ও জাতীয় দলের হয়ে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের স্বীকৃতি হিসেবে ২০২৬ সালের ব্যালন ডি’অর জিতেছেন ইংল্যান্ডের অধিনায়ক হ্যারি কেইন।

স্পেনের লামিন ইয়ামাল ও ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপ্পেকে পেছনে ফেলে ক্যারিয়ারে প্রথমবারের মতো মর্যাদাপূর্ণ এই পুরস্কার জিতেছেন বায়ার্ন মিউনিখের স্ট্রাইকার।

অন্যদিকে, মেয়েদের বিভাগে ব্যালন ডি’অর জিতেছেন স্পেনের তারকা ফুটবলার অ্যালেক্সিয়া পুতেয়াস।
সোমবার রাতে লন্ডনের প্যালাডিয়াম থিয়েটারে আয়োজিত জমকালো অনুষ্ঠানে কেইনের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।

ফরাসি সাময়িকী ‘ফ্রান্স ফুটবল’ প্রতিবছর এই পুরস্কার দিয়ে থাকে। ৩৩ বছর বয়সী এই ইংলিশ ফরোয়ার্ডের হাতে এবার ব্যালন ডি’অর তুলে দেন দুইবারের এই পুরস্কারজয়ী ব্রাজিলের কিংবদন্তি স্ট্রাইকার রোনালদো।

কেইনের এই অর্জনের মধ্য দিয়ে দীর্ঘ ২৫ বছর পর বর্ষসেরা ফুটবলারের স্বীকৃতি পেলেন কোনো ইংলিশ খেলোয়াড়। এর আগে সর্বশেষ ২০০১ সালে ব্যালন ডি’অর জিতেছিলেন ইংল্যান্ডের সাবেক স্ট্রাইকার মাইকেল ওয়েন।

সব মিলিয়ে কেইন হলেন ব্যালন ডি’অরজয়ী পঞ্চম ইংলিশ ফুটবলার। এর আগে ১৯৫৬ সালে পুরস্কারটির প্রথম আসরে বিজয়ী হয়েছিলেন ইংল্যান্ডের কিংবদন্তি স্যার স্ট্যানলি ম্যাথিউস। এরপর ১৯৬৬ সালে স্যার ববি চার্লটন এবং ১৯৭৮ সালে কেভিন কিগান এই সম্মান অর্জন করেন। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হলো হ্যারি কেইনের নাম।

মেয়েদের ২০২৬ সালের ব্যালন ডি’অর জিতেছেন স্পেনের তারকা ফুটবলার অ্যালেক্সিয়া পুতেয়াস। অনুষ্ঠানে তার নাম বিজয়ী হিসেবে ঘোষণা করেন ২০০১ সালের ব্যালন ডি’অরজয়ী মাইকেল ওয়েন। পুতেয়াসের নাম ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়ে অনুষ্ঠানস্থল।

বার্সেলোনার সাবেক এই মিডফিল্ডার এর আগে ২০২১ ও ২০২২ সালে মেয়েদের ব্যালন ডি’অর জিতেছিলেন। এবার তৃতীয়বারের মতো পুরস্কারটি জিতে নারী ফুটবলে নিজের অবস্থান আরও সুদৃঢ় করলেন তিনি।

বিশ্বকাপ জয়ের আনন্দের রেশ কাটতে না কাটতেই এবার ব্যক্তিগত স্বীকৃতি। স্পেনকে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন করার পুরস্কার হিসেবে ২০২৬ সালের ব্যালন ডি’অর অনুষ্ঠানে বর্ষসেরা পুরুষ কোচ নির্বাচিত হয়েছেন লুইস দে লা ফুয়েন্তে। তবে মঞ্চে উঠে নিজের অর্জন নিয়ে মাতামাতি করেননি ৬৫ বছর বয়সী এই স্প্যানিশ কোচ। বরং পুরস্কারটি উৎসর্গ করেছেন খেলোয়াড় ও কোচিং স্টাফদের।

 

ব্যালন ডি’অর (Ballon d’Or) হলো বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ বাৎসরিক ব্যক্তিগত পুরস্কার। ফরাসি শব্দ ‘Ballon d’Or’ এর অর্থ হলো ‘সোনার বল’। বিগত ফুটবল মৌসুমে বিশ্বজুড়ে ক্লাব ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সবচেয়ে অসামান্য পারফরম্যান্স করা ফুটবলারকে এই সম্মাননা প্রদান করা হয়

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ব্যালন ডি’অর জিতলেন হ্যারি কেইন

আপডেট টাইম : ০৯:১৪:৩৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬

ক্লাব ও জাতীয় দলের হয়ে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের স্বীকৃতি হিসেবে ২০২৬ সালের ব্যালন ডি’অর জিতেছেন ইংল্যান্ডের অধিনায়ক হ্যারি কেইন।

স্পেনের লামিন ইয়ামাল ও ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপ্পেকে পেছনে ফেলে ক্যারিয়ারে প্রথমবারের মতো মর্যাদাপূর্ণ এই পুরস্কার জিতেছেন বায়ার্ন মিউনিখের স্ট্রাইকার।

অন্যদিকে, মেয়েদের বিভাগে ব্যালন ডি’অর জিতেছেন স্পেনের তারকা ফুটবলার অ্যালেক্সিয়া পুতেয়াস।
সোমবার রাতে লন্ডনের প্যালাডিয়াম থিয়েটারে আয়োজিত জমকালো অনুষ্ঠানে কেইনের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।

ফরাসি সাময়িকী ‘ফ্রান্স ফুটবল’ প্রতিবছর এই পুরস্কার দিয়ে থাকে। ৩৩ বছর বয়সী এই ইংলিশ ফরোয়ার্ডের হাতে এবার ব্যালন ডি’অর তুলে দেন দুইবারের এই পুরস্কারজয়ী ব্রাজিলের কিংবদন্তি স্ট্রাইকার রোনালদো।

কেইনের এই অর্জনের মধ্য দিয়ে দীর্ঘ ২৫ বছর পর বর্ষসেরা ফুটবলারের স্বীকৃতি পেলেন কোনো ইংলিশ খেলোয়াড়। এর আগে সর্বশেষ ২০০১ সালে ব্যালন ডি’অর জিতেছিলেন ইংল্যান্ডের সাবেক স্ট্রাইকার মাইকেল ওয়েন।

সব মিলিয়ে কেইন হলেন ব্যালন ডি’অরজয়ী পঞ্চম ইংলিশ ফুটবলার। এর আগে ১৯৫৬ সালে পুরস্কারটির প্রথম আসরে বিজয়ী হয়েছিলেন ইংল্যান্ডের কিংবদন্তি স্যার স্ট্যানলি ম্যাথিউস। এরপর ১৯৬৬ সালে স্যার ববি চার্লটন এবং ১৯৭৮ সালে কেভিন কিগান এই সম্মান অর্জন করেন। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হলো হ্যারি কেইনের নাম।

মেয়েদের ২০২৬ সালের ব্যালন ডি’অর জিতেছেন স্পেনের তারকা ফুটবলার অ্যালেক্সিয়া পুতেয়াস। অনুষ্ঠানে তার নাম বিজয়ী হিসেবে ঘোষণা করেন ২০০১ সালের ব্যালন ডি’অরজয়ী মাইকেল ওয়েন। পুতেয়াসের নাম ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়ে অনুষ্ঠানস্থল।

বার্সেলোনার সাবেক এই মিডফিল্ডার এর আগে ২০২১ ও ২০২২ সালে মেয়েদের ব্যালন ডি’অর জিতেছিলেন। এবার তৃতীয়বারের মতো পুরস্কারটি জিতে নারী ফুটবলে নিজের অবস্থান আরও সুদৃঢ় করলেন তিনি।

বিশ্বকাপ জয়ের আনন্দের রেশ কাটতে না কাটতেই এবার ব্যক্তিগত স্বীকৃতি। স্পেনকে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন করার পুরস্কার হিসেবে ২০২৬ সালের ব্যালন ডি’অর অনুষ্ঠানে বর্ষসেরা পুরুষ কোচ নির্বাচিত হয়েছেন লুইস দে লা ফুয়েন্তে। তবে মঞ্চে উঠে নিজের অর্জন নিয়ে মাতামাতি করেননি ৬৫ বছর বয়সী এই স্প্যানিশ কোচ। বরং পুরস্কারটি উৎসর্গ করেছেন খেলোয়াড় ও কোচিং স্টাফদের।

 

ব্যালন ডি’অর (Ballon d’Or) হলো বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ বাৎসরিক ব্যক্তিগত পুরস্কার। ফরাসি শব্দ ‘Ballon d’Or’ এর অর্থ হলো ‘সোনার বল’। বিগত ফুটবল মৌসুমে বিশ্বজুড়ে ক্লাব ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সবচেয়ে অসামান্য পারফরম্যান্স করা ফুটবলারকে এই সম্মাননা প্রদান করা হয়