সিরাজগঞ্জ , বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo নদীভাঙন কবলিত জনগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্তি ও মানবিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে গবেষণার প্রাথমিক ফলাফল উপস্থাপন Logo হিলিতে পুলিশের অভিযানে সাজাপ্রাপ্ত আসামিসহ গ্রেপ্তার ৩ Logo নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের উদ্বোধন ঘিরে রাণীনগরে উৎসবমুখর আয়োজন Logo বীর মুক্তিযোদ্ধা একেএম নাসির উদ্দীন কালুর তুলনা তিনি নিজেই: শরীয়তপুরে তাঁর পরিচয় তাঁর কর্মে Logo ৫ বছর পর সিরাজগঞ্জ মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের নির্বাচন শুক্রবার Logo পুলিশের ৭৮ পরিদর্শক পদোন্নতি পেয়ে হলেন এএসপি Logo চার অভিযোগ তুলে এনসিপি ছাড়লেন সামান্তা শারমিন Logo সেনবাগে ৬২ হাজার ইয়াবাসহ ট্রাকচালক গ্রেপ্তার, জব্দ মিনি ট্রাক Logo দুই মাসের মধ্যে নতুন মজুরি নির্ধারণের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর Logo ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি আবেদন শুরুর তারিখ ঘোষণা

৫ বছর পর সিরাজগঞ্জ মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের নির্বাচন শুক্রবার

৫ বছর পর ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপণার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে সিরাজগঞ্জ জেলা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন। আর এই নির্বাচনকে ঘিরে শ্রমিকদের মাঝে অন্যরকম উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে।

 

 

 

 

শহরের এম এ মতিন বাস টার্মিনাল এলাকায় সকাল থেকে রাত পর্যন্ত পছন্দের প্রার্থীদের পক্ষে চলছে প্রচারণা। প্রার্থীরাও জেলার বিভিন্ন প্রান্তে ঘুরে ঘুরে শ্রমিকদের সমর্থন আদায়ের চেষ্টা করছেন।

 

 

 

 

মোটর শ্রমিকরা বলেন, দীর্ঘদিন পরে আমাদের মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের নির্বাচন। এই নির্বাচনে আমাদের ভোট যেন কারচুপি না হয়। নিরপেক্ষ ও অবাধ নির্বাচনের মাধ্যমে যোগ্য নেতা নির্বাচন করতে করবো। এক ভোট বেশি পেয়ে যে প্রার্থী জয়লাভ করবে আমরা তাকেই ফুলের মালা গলায় দিয়ে চেয়ারে বসাতে চাই। সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপও কামনা করেন শ্রমিকরা।

 

 

 

 

সহ সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী মো. সোহেল রানা বলেন, তিনবার নির্বাচন করে হেরেছি। এবার আবারও প্রার্থী হয়েছি। আমি রানিং শ্রমিক। সবসময় শ্রমিকদের পাশে ছিলাম এবং আছি। শ্রমিকরা যদি আমাকে ভোট দিলেও তাদের পাশে আছি, না দিলেও তাদের পাশেই থাকতে চাই।

 

 

 

 

প্রচার সম্পাদক প্রার্থী মো. রহিম উদ্দিন বলেন, ৩৫ বছর ধরে এই শ্রমিক ইউনিয়নের নেতৃত্ব দেই। কখনো শ্রমিককে ছেড়ে যাইনি। এ জন্য তারা আমাকে বারবার ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছে। ইনশাল্লাহ এবারও আমাকেই ভোট দেবে।

 

 

 

 

সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী দুলাল শেখ দুলু বলেন, মোটর শ্রমিকদের সঙ্গে আমার আত্মার সম্পর্ক রয়েছে। সেই সম্পর্কের সূত্র ধরেই তাদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছি। আশা করছি এবারও তারা আমাকে ভোট দিয়ে বিজয়ী করবে।

 

 

 

 

তিনি বলেন, আমি বিজয়ী হলে সবসময় আমার শ্রমিকদের পাশে থাকবো।

 

 

 

 

শুক্রবার (৬ নভেম্বর) শহরের ভিক্টোরিয়া স্কুল মাঠে এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

 

 

 

এই নির্বাচনে ১৫টি পদের বিপরীতে প্রার্থী হয়েছেন ৫৫ জন। এর মধ্যে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে ৫ জন করে এবং প্রতিটি পদে একাধিক প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন।
সভাপতি প্রার্থীরা হলেন, মো. আসাদুজ্জামান আসাদ (মই), মো. সুলতান তালুকদার (প্রজাপতি), মো. চাঁন মিয়া (হাতুরী), মো. আব্দুল আওয়াল (বাইসাইকেল) ও মো. জামাল উদ্দিন (ফুটবল)।

 

 

 

সাধারণ সম্পাদক প্রার্থীরা হলেন, মো. দুলাল শেখ দুলু (দোয়াত কলম), মো. আব্দুস সালাম আপেল (টেবিল), মো. মনিরুজ্জামান লিটন (গরুর গাড়ী), মো. ইসমাইল হোসেন নাদিম (স্টিয়ারিং) ও মো. শাহীন আলম (তালাচাবি)।

 

 

 

কার্যকরী সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন দুইজন প্রার্থী। এরা হলেন, মো. সেরাজুল ইসলাম (গাভী) ও মো. নজরুল ইসলাম (কুড়াল)। সহ-সভাপতি পদে তিন প্রার্থী হলেন, মো. শহিদুল ইসলাম শহিদ (দেওয়াল ঘড়ি), মো. শহিদুল ইসলাম বাবলু (হারিকেন) ও মো. আব্দুর রাজ্জাক মন্ডল (বাস)। যুগ্ম সম্পাদক পদে দুই প্রার্থী হলেন, মো. সেলিম রেজা (চেয়ার) ও মো. মাসুদ রানা (গমের শীষ)। সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে রয়েছেন ৪ জন প্রার্থী, এরা হলেন, সবুজ শেখ (ঠেলাগাড়ী), মো. আবুল কালাম এ্যাটম (শাপলা ফুল), মো. সোহেল রানা (কলম) ও মো. মঞ্জুর রশিদ রানা (গিটার)।

 

 

 

সাংগঠনিক সম্পাদক পদে ৪ প্রার্থী হলেন, মো. জুয়েল রানা (ঘোড়া), মো. মাজেদ খান (চাঁদতারা), মো. রাহাত আলী রায়হান (ছাতা) ও মো. আরিফ শেখ (টেলিভিশন)।

 

 

 

 

সড়ক সম্পাদক পদে প্রার্থী রয়েছেন তিন জন। এর হলেন মো. আসলাম শেখ (উড়োজাহাজ), মো. আলাউদ্দিন (রিক্সা) ও মো. শাহীন গ্যাদা (কবুতর)।

 

 

 

 

কোষাধ্যক্ষ পদে তিন প্রার্থী হলেন, মো. মুক্তার হোসেন (হাতি), মো. আবু হানিফ (সিলিং ফ্যান) ও মো. ফজলার রহমান (লাঙল)। দপ্তর সম্পাদক পদে তিন প্রার্থী হলেন, মো. মাসুদ খন্দকার (মোরগ), মো. আজাদুল ইসলাম আজাদ (মাছ) ও মো. আব্দুল লতিফ তালুকদার (র‌্যাকেট)। সমাজকল্যান সম্পাদক পদেও রয়েছেন ৩ প্রার্থী। এরা হলেন মো. সাগর আলম শেখ (গোল্ডকাপ), মো. আলী মাসুম (আপেল) ও মো. আসাদ আলী (ট্রাক)। ক্রীড়া সম্পাদক পদে তিন প্রার্থী হলেন, আবুল কালাম আজাদ (আম), সোহেল রানা (ব্যাটবল) ও সাগর সরকার (বই)। সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে প্রার্থী হয়েছেন ৪ জন। এরা হলেন মো. মহিউদ্দিন (লাল পতাকা), কোরবান আলী (চাকা), রেজাউল করিম (দোয়েল পাখি) ও মো. আজিম আলী (বাঘ)। প্রচার সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন দুজন প্রার্থী। এরা হলেন মো. মুন্না সেখ (মাইক) ও মো. রহিম উদ্দিন (মশাল)।

 

 

 

 

এছাড়া কার্যনির্বাহী সদস্য পদে প্রার্থী হয়েছেন ১১ জন। এরা হলেন আবুল কালাম সেখ (জগ), ওমর ফারুক শিকদার (মোমবাতি), আব্দুস সামাদ মন্ডল (মোটর সাইকেল), লিটন (ময়ুর), সুমন (পানির বোতল), এস এম সোহেল রানা ফরহাদ (তালপাখা), আব্দুল বাতেন (ব্রাশ), আব্দুল আওয়াল তালুকদার (হরিণ), আব্দুল আজিজ (চশমা), আব্দুল মজিদ (হুক্কা) ও হাফিজুল ইসলাম (খেঁজুরগাছ)

 

 

 

নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান মোনায়েস খান কাবুল বলেন, শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত শহরের ভিক্টোরিয়া স্কুলে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য ইতিমধ্যে আমরা সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। আশা করছি প্রশাসনসহ সকল মহলের সহযোগীতায় সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

 

 

 

জনতার কণ্ঠ/জেডএইচ

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নদীভাঙন কবলিত জনগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্তি ও মানবিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে গবেষণার প্রাথমিক ফলাফল উপস্থাপন

৫ বছর পর সিরাজগঞ্জ মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের নির্বাচন শুক্রবার

আপডেট টাইম : ০৭:২৪:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬

৫ বছর পর ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপণার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে সিরাজগঞ্জ জেলা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন। আর এই নির্বাচনকে ঘিরে শ্রমিকদের মাঝে অন্যরকম উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে।

 

 

 

 

শহরের এম এ মতিন বাস টার্মিনাল এলাকায় সকাল থেকে রাত পর্যন্ত পছন্দের প্রার্থীদের পক্ষে চলছে প্রচারণা। প্রার্থীরাও জেলার বিভিন্ন প্রান্তে ঘুরে ঘুরে শ্রমিকদের সমর্থন আদায়ের চেষ্টা করছেন।

 

 

 

 

মোটর শ্রমিকরা বলেন, দীর্ঘদিন পরে আমাদের মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের নির্বাচন। এই নির্বাচনে আমাদের ভোট যেন কারচুপি না হয়। নিরপেক্ষ ও অবাধ নির্বাচনের মাধ্যমে যোগ্য নেতা নির্বাচন করতে করবো। এক ভোট বেশি পেয়ে যে প্রার্থী জয়লাভ করবে আমরা তাকেই ফুলের মালা গলায় দিয়ে চেয়ারে বসাতে চাই। সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপও কামনা করেন শ্রমিকরা।

 

 

 

 

সহ সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী মো. সোহেল রানা বলেন, তিনবার নির্বাচন করে হেরেছি। এবার আবারও প্রার্থী হয়েছি। আমি রানিং শ্রমিক। সবসময় শ্রমিকদের পাশে ছিলাম এবং আছি। শ্রমিকরা যদি আমাকে ভোট দিলেও তাদের পাশে আছি, না দিলেও তাদের পাশেই থাকতে চাই।

 

 

 

 

প্রচার সম্পাদক প্রার্থী মো. রহিম উদ্দিন বলেন, ৩৫ বছর ধরে এই শ্রমিক ইউনিয়নের নেতৃত্ব দেই। কখনো শ্রমিককে ছেড়ে যাইনি। এ জন্য তারা আমাকে বারবার ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছে। ইনশাল্লাহ এবারও আমাকেই ভোট দেবে।

 

 

 

 

সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী দুলাল শেখ দুলু বলেন, মোটর শ্রমিকদের সঙ্গে আমার আত্মার সম্পর্ক রয়েছে। সেই সম্পর্কের সূত্র ধরেই তাদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছি। আশা করছি এবারও তারা আমাকে ভোট দিয়ে বিজয়ী করবে।

 

 

 

 

তিনি বলেন, আমি বিজয়ী হলে সবসময় আমার শ্রমিকদের পাশে থাকবো।

 

 

 

 

শুক্রবার (৬ নভেম্বর) শহরের ভিক্টোরিয়া স্কুল মাঠে এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

 

 

 

এই নির্বাচনে ১৫টি পদের বিপরীতে প্রার্থী হয়েছেন ৫৫ জন। এর মধ্যে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে ৫ জন করে এবং প্রতিটি পদে একাধিক প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন।
সভাপতি প্রার্থীরা হলেন, মো. আসাদুজ্জামান আসাদ (মই), মো. সুলতান তালুকদার (প্রজাপতি), মো. চাঁন মিয়া (হাতুরী), মো. আব্দুল আওয়াল (বাইসাইকেল) ও মো. জামাল উদ্দিন (ফুটবল)।

 

 

 

সাধারণ সম্পাদক প্রার্থীরা হলেন, মো. দুলাল শেখ দুলু (দোয়াত কলম), মো. আব্দুস সালাম আপেল (টেবিল), মো. মনিরুজ্জামান লিটন (গরুর গাড়ী), মো. ইসমাইল হোসেন নাদিম (স্টিয়ারিং) ও মো. শাহীন আলম (তালাচাবি)।

 

 

 

কার্যকরী সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন দুইজন প্রার্থী। এরা হলেন, মো. সেরাজুল ইসলাম (গাভী) ও মো. নজরুল ইসলাম (কুড়াল)। সহ-সভাপতি পদে তিন প্রার্থী হলেন, মো. শহিদুল ইসলাম শহিদ (দেওয়াল ঘড়ি), মো. শহিদুল ইসলাম বাবলু (হারিকেন) ও মো. আব্দুর রাজ্জাক মন্ডল (বাস)। যুগ্ম সম্পাদক পদে দুই প্রার্থী হলেন, মো. সেলিম রেজা (চেয়ার) ও মো. মাসুদ রানা (গমের শীষ)। সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে রয়েছেন ৪ জন প্রার্থী, এরা হলেন, সবুজ শেখ (ঠেলাগাড়ী), মো. আবুল কালাম এ্যাটম (শাপলা ফুল), মো. সোহেল রানা (কলম) ও মো. মঞ্জুর রশিদ রানা (গিটার)।

 

 

 

সাংগঠনিক সম্পাদক পদে ৪ প্রার্থী হলেন, মো. জুয়েল রানা (ঘোড়া), মো. মাজেদ খান (চাঁদতারা), মো. রাহাত আলী রায়হান (ছাতা) ও মো. আরিফ শেখ (টেলিভিশন)।

 

 

 

 

সড়ক সম্পাদক পদে প্রার্থী রয়েছেন তিন জন। এর হলেন মো. আসলাম শেখ (উড়োজাহাজ), মো. আলাউদ্দিন (রিক্সা) ও মো. শাহীন গ্যাদা (কবুতর)।

 

 

 

 

কোষাধ্যক্ষ পদে তিন প্রার্থী হলেন, মো. মুক্তার হোসেন (হাতি), মো. আবু হানিফ (সিলিং ফ্যান) ও মো. ফজলার রহমান (লাঙল)। দপ্তর সম্পাদক পদে তিন প্রার্থী হলেন, মো. মাসুদ খন্দকার (মোরগ), মো. আজাদুল ইসলাম আজাদ (মাছ) ও মো. আব্দুল লতিফ তালুকদার (র‌্যাকেট)। সমাজকল্যান সম্পাদক পদেও রয়েছেন ৩ প্রার্থী। এরা হলেন মো. সাগর আলম শেখ (গোল্ডকাপ), মো. আলী মাসুম (আপেল) ও মো. আসাদ আলী (ট্রাক)। ক্রীড়া সম্পাদক পদে তিন প্রার্থী হলেন, আবুল কালাম আজাদ (আম), সোহেল রানা (ব্যাটবল) ও সাগর সরকার (বই)। সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে প্রার্থী হয়েছেন ৪ জন। এরা হলেন মো. মহিউদ্দিন (লাল পতাকা), কোরবান আলী (চাকা), রেজাউল করিম (দোয়েল পাখি) ও মো. আজিম আলী (বাঘ)। প্রচার সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন দুজন প্রার্থী। এরা হলেন মো. মুন্না সেখ (মাইক) ও মো. রহিম উদ্দিন (মশাল)।

 

 

 

 

এছাড়া কার্যনির্বাহী সদস্য পদে প্রার্থী হয়েছেন ১১ জন। এরা হলেন আবুল কালাম সেখ (জগ), ওমর ফারুক শিকদার (মোমবাতি), আব্দুস সামাদ মন্ডল (মোটর সাইকেল), লিটন (ময়ুর), সুমন (পানির বোতল), এস এম সোহেল রানা ফরহাদ (তালপাখা), আব্দুল বাতেন (ব্রাশ), আব্দুল আওয়াল তালুকদার (হরিণ), আব্দুল আজিজ (চশমা), আব্দুল মজিদ (হুক্কা) ও হাফিজুল ইসলাম (খেঁজুরগাছ)

 

 

 

নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান মোনায়েস খান কাবুল বলেন, শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত শহরের ভিক্টোরিয়া স্কুলে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য ইতিমধ্যে আমরা সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। আশা করছি প্রশাসনসহ সকল মহলের সহযোগীতায় সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

 

 

 

জনতার কণ্ঠ/জেডএইচ