সিরাজগঞ্জ , শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo মমতাকে অব্যাহতি দিয়ে ভেঙে দেওয়া হলো পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রিসভা Logo কবিগুরুর জন্মবার্ষিকী উদযাপনে প্রস্তুত শাহজাদপুরের কাছারিবাড়ি Logo নিকার অনুমোদন: ভূল্লী উপজেলা গঠনে জনসাধারণের উচ্ছ্বাস Logo ধর্ষণ মামলায় নির্দোষ ইমাম জেলে, ডিএনএ পরীক্ষায় বেরিয়ে এলো আসল তথ্য Logo অবৈধভাবে গড়ে উঠা স্থাপনা দখলমুক্ত হবে: পানি সম্পদ মন্ত্রী Logo বিদ্যুৎ মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি: বিদ্যুৎমন্ত্রী Logo  বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ও ট্রান্সফরমার চোর চক্রের ৯ সদস্য গ্রেফতার Logo মাদক সেবনের দায়ে কারাদণ্ড, কলেজ ছাত্রদল সভাপতি বহিষ্কার Logo মাসুদ উদ্দিনকে জুলাই হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল Logo ইসরায়েলকে হুমকি দিলে কঠিন পরিণতি: নেতানিয়াহুর হুঁশিয়ারি

হিলি সীমান্তে স্বজনদের দেখতে দর্শনার্থীর ভীড়

  • রিপোর্টার:
  • আপডেট টাইম : ০৯:১৯:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ অক্টোবর ২০২৫
  • 42
হাসান আলী,  হাকিমপুর (দিনাজপুর) প্রতিবেদক। জনতার কণ্ঠ.কম
দুর্গাপূজার উৎসবে হিলি সীমান্তের জিরো পয়েন্টে মিলিত হয়েছেন শত শত বাংলাদেশি ও ভারতীয় সনাতন ধর্মাবলম্বী। কাঁটা তারের বেড়া ও সীমান্তরক্ষী বাহিনীর কড়াকড়ি সত্ত্বেও তারা দূর থেকে একে অপরকে দেখতে পেয়ে পূজার আনন্দ ভাগাভাগি করেছেন। পরিবারের সঙ্গে সীমান্ত এলাকা ঘুরে, স্বজনদের এক নজর দেখার আনন্দে উদ্দীপ্ত হয়েছেন উভয়পক্ষের মানুষ।

বৃহস্পতিবার (২ অক্টোবর) দুপুর ১২টা থেকে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে মানুষজন সীমান্ত এলাকা ভরিয়ে তুলেছেন। বিকেল ৫ টার দিকে হিলি সীমান্তের বাংলাদেশ অভ্যন্তরে রেল লাইনের পাশে দাঁড়িয়ে শত শত নারী-পুরুষ এবং বিভিন্ন বয়সী মানুষ দেখানো গেলেও, ওপারের ভারতীয় সীমান্তে কাঁটাতারের পাশে তাদের স্বজনেরা দাঁড়িয়ে ছিলেন। কেউ সেলফি তুলে স্মৃতি ধরে রাখছিলেন, কেউ সীমান্তের ওপারের মন্দির দেখার জন্য উঁকিঝুঁকি দিচ্ছিলেন।

গাইবান্ধা পলাশবাড়ী থেকে বাবার সঙ্গে আসা কিশোর অনিক কুমার বসাক বলেন, ‘পূজা উপলক্ষে কেনা নতুন জামা-পড়ায় এসে খুব আনন্দ পেয়েছি। এত দিন শুধু শুনেছি, আজ নিজের চোখে দেখলাম। সেলফি ও ছবি তুলে স্মৃতি ধরে রাখলাম, এক কথায় খুব মজা পেয়েছি।’
পাঁচবিবি থেকে আসা রনজু জানান, ‘আজ নবমী পূজা উপলক্ষে পরিবার নিয়ে সীমান্ত এলাকা দেখছি। ওপারে ভারতে পূজা মণ্ডপ দেখা যাচ্ছে, কিন্তু যেতে পারছি না। তবে দূর থেকে হলেও শান্তি ও পূজার অনুভূতি নিতে পারছি।’
নওগাঁ থেকে আসা মিনা রানী বলেন, ‘স্বামীর সঙ্গে মোটরসাইকেল যোগে সীমান্তে এসেছি। ভারতে স্বজন আছে, কিন্তু পাসপোর্ট ও ভিসা ছাড়া দেখা সম্ভব নয়। দূর থেকে স্বজনদের এক নজর দেখলেও তৃপ্তি হলো। প্রশাসনের কাছে অনুরোধ, উৎসবের সময় কিছুক্ষণের জন্য হলেও দেখা করার সুযোগ করে দিন।

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মমতাকে অব্যাহতি দিয়ে ভেঙে দেওয়া হলো পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রিসভা

হিলি সীমান্তে স্বজনদের দেখতে দর্শনার্থীর ভীড়

আপডেট টাইম : ০৯:১৯:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ অক্টোবর ২০২৫
হাসান আলী,  হাকিমপুর (দিনাজপুর) প্রতিবেদক। জনতার কণ্ঠ.কম
দুর্গাপূজার উৎসবে হিলি সীমান্তের জিরো পয়েন্টে মিলিত হয়েছেন শত শত বাংলাদেশি ও ভারতীয় সনাতন ধর্মাবলম্বী। কাঁটা তারের বেড়া ও সীমান্তরক্ষী বাহিনীর কড়াকড়ি সত্ত্বেও তারা দূর থেকে একে অপরকে দেখতে পেয়ে পূজার আনন্দ ভাগাভাগি করেছেন। পরিবারের সঙ্গে সীমান্ত এলাকা ঘুরে, স্বজনদের এক নজর দেখার আনন্দে উদ্দীপ্ত হয়েছেন উভয়পক্ষের মানুষ।

বৃহস্পতিবার (২ অক্টোবর) দুপুর ১২টা থেকে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে মানুষজন সীমান্ত এলাকা ভরিয়ে তুলেছেন। বিকেল ৫ টার দিকে হিলি সীমান্তের বাংলাদেশ অভ্যন্তরে রেল লাইনের পাশে দাঁড়িয়ে শত শত নারী-পুরুষ এবং বিভিন্ন বয়সী মানুষ দেখানো গেলেও, ওপারের ভারতীয় সীমান্তে কাঁটাতারের পাশে তাদের স্বজনেরা দাঁড়িয়ে ছিলেন। কেউ সেলফি তুলে স্মৃতি ধরে রাখছিলেন, কেউ সীমান্তের ওপারের মন্দির দেখার জন্য উঁকিঝুঁকি দিচ্ছিলেন।

গাইবান্ধা পলাশবাড়ী থেকে বাবার সঙ্গে আসা কিশোর অনিক কুমার বসাক বলেন, ‘পূজা উপলক্ষে কেনা নতুন জামা-পড়ায় এসে খুব আনন্দ পেয়েছি। এত দিন শুধু শুনেছি, আজ নিজের চোখে দেখলাম। সেলফি ও ছবি তুলে স্মৃতি ধরে রাখলাম, এক কথায় খুব মজা পেয়েছি।’
পাঁচবিবি থেকে আসা রনজু জানান, ‘আজ নবমী পূজা উপলক্ষে পরিবার নিয়ে সীমান্ত এলাকা দেখছি। ওপারে ভারতে পূজা মণ্ডপ দেখা যাচ্ছে, কিন্তু যেতে পারছি না। তবে দূর থেকে হলেও শান্তি ও পূজার অনুভূতি নিতে পারছি।’
নওগাঁ থেকে আসা মিনা রানী বলেন, ‘স্বামীর সঙ্গে মোটরসাইকেল যোগে সীমান্তে এসেছি। ভারতে স্বজন আছে, কিন্তু পাসপোর্ট ও ভিসা ছাড়া দেখা সম্ভব নয়। দূর থেকে স্বজনদের এক নজর দেখলেও তৃপ্তি হলো। প্রশাসনের কাছে অনুরোধ, উৎসবের সময় কিছুক্ষণের জন্য হলেও দেখা করার সুযোগ করে দিন।