সিরাজগঞ্জ , শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo মমতাকে অব্যাহতি দিয়ে ভেঙে দেওয়া হলো পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রিসভা Logo কবিগুরুর জন্মবার্ষিকী উদযাপনে প্রস্তুত শাহজাদপুরের কাছারিবাড়ি Logo নিকার অনুমোদন: ভূল্লী উপজেলা গঠনে জনসাধারণের উচ্ছ্বাস Logo ধর্ষণ মামলায় নির্দোষ ইমাম জেলে, ডিএনএ পরীক্ষায় বেরিয়ে এলো আসল তথ্য Logo অবৈধভাবে গড়ে উঠা স্থাপনা দখলমুক্ত হবে: পানি সম্পদ মন্ত্রী Logo বিদ্যুৎ মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি: বিদ্যুৎমন্ত্রী Logo  বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ও ট্রান্সফরমার চোর চক্রের ৯ সদস্য গ্রেফতার Logo মাদক সেবনের দায়ে কারাদণ্ড, কলেজ ছাত্রদল সভাপতি বহিষ্কার Logo মাসুদ উদ্দিনকে জুলাই হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল Logo ইসরায়েলকে হুমকি দিলে কঠিন পরিণতি: নেতানিয়াহুর হুঁশিয়ারি

উদ্বোধনের এক মাস না যেতেই সেতুর সংযোগ সড়ক ধসে পড়ল

ধসে যাওয়া সেতু সংলগ্ন সড়ক। ছবি: সংগৃহীত

গাজীপুরের কালিয়াকৈরে উদ্বোধনের মাত্র এক মাসের মধ্যেই একটি সেতু সংলগ্ন সড়কের অংশ ধসে পড়ার ঘটনা ঘটেছে। এতে স্থানীয় বাসিন্দা, পথচারী ও যানবাহনচালকদের মধ্যে চরম উদ্বেগ ও আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে।

 

 

 

মঙ্গলবার (৫ মে) সকালে উপজেলার সফিপুর-বড়ইবাড়ী আঞ্চলিক সড়কের কালিয়াদহ মকশ বিল এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, সেতুর দুই পাশের সড়কের অংশ ভেঙে পড়েছে।

 

 

 

স্থানীয়দের মতে, সোমবার (৪ মে) রাতের কোনো এক সময় সড়কটি ধসে পড়ে। জানা যায়, প্রায় ৫৫ মিটার দৈর্ঘ্যের সেতুটি নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ৫ কোটি ১৪ লাখ ৩১ হাজার টাকার বেশি। কাজটি বাস্তবায়ন করে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। নির্ধারিত সময়সীমা শেষ হওয়ার আগেই তড়িঘড়ি করে সেতুটি উদ্বোধন করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এলাকাবাসীর দাবি, নির্মাণকাজে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের কারণেই অল্প সময়ে সড়ক ধসে পড়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা ও চালকরা জানান, হঠাৎ করে সড়কের এমন অবস্থা তৈরি হওয়ায় প্রতিনিয়ত ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। যে কোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা। দ্রুত সংস্কার কাজ শুরু এবং দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন তারা।

এ বিষয়ে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের মালিক মোহাম্মদ আব্দুল কাদের বলেন, সড়কের যে অংশটি ধসে পড়েছে, সেটি আমরা দ্রুত পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব। কাজের কিছু অংশ এখনও চলমান রয়েছে। যে কোনো ত্রুটি থাকলে তা সংশোধন করে দ্রুত মেরামত করা হবে।

 

 

 

উপজেলা উপসহকারী প্রকৌশলী আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, সাম্প্রতিক অতিবৃষ্টির কারণে সড়কের অংশ ধসে পড়েছে। কাজের মেয়াদ এখনো শেষ হয়নি। ক্ষতিগ্রস্ত অংশ দ্রুত সংস্কার করে পুনরায় চলাচল স্বাভাবিক করা হবে।

 

 

 

স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে জনদুর্ভোগ আরও বাড়বে এবং সড়কটি পুরোপুরি ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে পড়তে পারে।

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মমতাকে অব্যাহতি দিয়ে ভেঙে দেওয়া হলো পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রিসভা

উদ্বোধনের এক মাস না যেতেই সেতুর সংযোগ সড়ক ধসে পড়ল

আপডেট টাইম : ০১:৪৯:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ মে ২০২৬

গাজীপুরের কালিয়াকৈরে উদ্বোধনের মাত্র এক মাসের মধ্যেই একটি সেতু সংলগ্ন সড়কের অংশ ধসে পড়ার ঘটনা ঘটেছে। এতে স্থানীয় বাসিন্দা, পথচারী ও যানবাহনচালকদের মধ্যে চরম উদ্বেগ ও আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে।

 

 

 

মঙ্গলবার (৫ মে) সকালে উপজেলার সফিপুর-বড়ইবাড়ী আঞ্চলিক সড়কের কালিয়াদহ মকশ বিল এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, সেতুর দুই পাশের সড়কের অংশ ভেঙে পড়েছে।

 

 

 

স্থানীয়দের মতে, সোমবার (৪ মে) রাতের কোনো এক সময় সড়কটি ধসে পড়ে। জানা যায়, প্রায় ৫৫ মিটার দৈর্ঘ্যের সেতুটি নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ৫ কোটি ১৪ লাখ ৩১ হাজার টাকার বেশি। কাজটি বাস্তবায়ন করে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। নির্ধারিত সময়সীমা শেষ হওয়ার আগেই তড়িঘড়ি করে সেতুটি উদ্বোধন করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এলাকাবাসীর দাবি, নির্মাণকাজে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের কারণেই অল্প সময়ে সড়ক ধসে পড়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা ও চালকরা জানান, হঠাৎ করে সড়কের এমন অবস্থা তৈরি হওয়ায় প্রতিনিয়ত ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। যে কোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা। দ্রুত সংস্কার কাজ শুরু এবং দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন তারা।

এ বিষয়ে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের মালিক মোহাম্মদ আব্দুল কাদের বলেন, সড়কের যে অংশটি ধসে পড়েছে, সেটি আমরা দ্রুত পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব। কাজের কিছু অংশ এখনও চলমান রয়েছে। যে কোনো ত্রুটি থাকলে তা সংশোধন করে দ্রুত মেরামত করা হবে।

 

 

 

উপজেলা উপসহকারী প্রকৌশলী আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, সাম্প্রতিক অতিবৃষ্টির কারণে সড়কের অংশ ধসে পড়েছে। কাজের মেয়াদ এখনো শেষ হয়নি। ক্ষতিগ্রস্ত অংশ দ্রুত সংস্কার করে পুনরায় চলাচল স্বাভাবিক করা হবে।

 

 

 

স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে জনদুর্ভোগ আরও বাড়বে এবং সড়কটি পুরোপুরি ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে পড়তে পারে।