সিরাজগঞ্জ , শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo মমতাকে অব্যাহতি দিয়ে ভেঙে দেওয়া হলো পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রিসভা Logo কবিগুরুর জন্মবার্ষিকী উদযাপনে প্রস্তুত শাহজাদপুরের কাছারিবাড়ি Logo নিকার অনুমোদন: ভূল্লী উপজেলা গঠনে জনসাধারণের উচ্ছ্বাস Logo ধর্ষণ মামলায় নির্দোষ ইমাম জেলে, ডিএনএ পরীক্ষায় বেরিয়ে এলো আসল তথ্য Logo অবৈধভাবে গড়ে উঠা স্থাপনা দখলমুক্ত হবে: পানি সম্পদ মন্ত্রী Logo বিদ্যুৎ মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি: বিদ্যুৎমন্ত্রী Logo  বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ও ট্রান্সফরমার চোর চক্রের ৯ সদস্য গ্রেফতার Logo মাদক সেবনের দায়ে কারাদণ্ড, কলেজ ছাত্রদল সভাপতি বহিষ্কার Logo মাসুদ উদ্দিনকে জুলাই হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল Logo ইসরায়েলকে হুমকি দিলে কঠিন পরিণতি: নেতানিয়াহুর হুঁশিয়ারি

উল্লাপাড়ায় দুই প্রতিষ্ঠানে কেউ পাস করেনি

  • রিপোর্টার:
  • আপডেট টাইম : ০৮:২৯:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৫
  • 94
রায়হান আলী  উল্লাপাড়া (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি। জনতার কণ্ঠ.কম
বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের চলতি শিক্ষা বর্ষের অনুষ্ঠিত আলিম পরীক্ষায় সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলায় দুটি মাদ্রাসা থেকে একজন পরীক্ষার্থীও পাস করেনি। মাদ্রাসা দুটি হলো পুকুরপাড় এস এন্ড বি ফাজিল মাদ্রাসা ও বন্যাকান্দি আলিম মাদ্রাসা। সেই সাথে উপজেলার কয়ড়া এসএল ফাজিল মাদ্রাসায় ১২ জনের মধ্যে ১জন পাশ করেছে। পুকুরপাড় ফাজিল ও বন্যাকান্দি আলিম মাদ্রাসা থেকে এ বছর ১০ জন করে শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়। এই মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মোঃ এনামুল হক জানান, করোনা কালে শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ায় ঘাটতি রয়ে গেছে তার প্রতিফল এখনও আমরা পাচ্ছি। তাছাড়া তার মাদ্রাসায় সব সময়ই আলিম শ্রেণিতে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি খুবই কম ছিল। অনেক চেষ্টা করেও ছেলে মেয়েদের মাদ্রাসায় আনতে পারিনি। এরা একেবারে লেখাপড়া করে না। ফলে এ বছর তাদের মাদ্রাসা থেকে কোন শিক্ষার্থী পাস করেনি।
বন্যাকান্দি আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মোঃ মিজানুর রহমান জানান, তার আলিম শাখাটি এমপিও ভুক্ত নয়। এক সময় মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড থেকে এই শ্রেণিতে পাঠদানের অনুমতি পাবার পর যে সব শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল পরবর্তীতে তারা এমপিও ভুক্ত না হবার কারণে চাকরি ছেড়ে অন্যত্র চলে গেছেন। ফলে একেবারেই ক্লাস হয়নি। আর এর ফলশ্রুতিতে তাদের ফলাফলে এবার এই বিপর্যয় ঘটেছে। অপর দিকে উল্লাপাড়ার কয়ড়া এসএল ফাজিল মাদ্রাসা থেকে ১২জন শিক্ষার্থী পরীক্ষা দিলেও মাত্র ১ জন পাশ করেছে। এই কলেজের অধ্যক্ষের সঙ্গে বার বার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার মুঠোফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।
এ বিষয়ে উল্লাপাড়া উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসে যোগাযোগ করলে অফিসের একাডেমিক সুপারভাইজার মোঃ মোসলেম উদ্দিন জানান, প্রকৃতপক্ষে মাদ্রাসাগুলোতে ছাত্র-ছাত্রীদের উপস্থিতি যেমন কম পাশাপাশি তারা কেউ লেখাপড়াও করে না। উপজেলা শিক্ষা অফিস থেকে উল্লিখিত দুটি মাদ্রাসা প্রধানকে একজন শিক্ষার্থীও পাশ না করার কারণে কারণ দর্শানো পত্র দেওয়া হবে। পরবর্তীতে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ড ও অধিদপ্তরে চিঠি পাঠানো হবে।

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মমতাকে অব্যাহতি দিয়ে ভেঙে দেওয়া হলো পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রিসভা

উল্লাপাড়ায় দুই প্রতিষ্ঠানে কেউ পাস করেনি

আপডেট টাইম : ০৮:২৯:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৫
রায়হান আলী  উল্লাপাড়া (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি। জনতার কণ্ঠ.কম
বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের চলতি শিক্ষা বর্ষের অনুষ্ঠিত আলিম পরীক্ষায় সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলায় দুটি মাদ্রাসা থেকে একজন পরীক্ষার্থীও পাস করেনি। মাদ্রাসা দুটি হলো পুকুরপাড় এস এন্ড বি ফাজিল মাদ্রাসা ও বন্যাকান্দি আলিম মাদ্রাসা। সেই সাথে উপজেলার কয়ড়া এসএল ফাজিল মাদ্রাসায় ১২ জনের মধ্যে ১জন পাশ করেছে। পুকুরপাড় ফাজিল ও বন্যাকান্দি আলিম মাদ্রাসা থেকে এ বছর ১০ জন করে শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়। এই মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মোঃ এনামুল হক জানান, করোনা কালে শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ায় ঘাটতি রয়ে গেছে তার প্রতিফল এখনও আমরা পাচ্ছি। তাছাড়া তার মাদ্রাসায় সব সময়ই আলিম শ্রেণিতে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি খুবই কম ছিল। অনেক চেষ্টা করেও ছেলে মেয়েদের মাদ্রাসায় আনতে পারিনি। এরা একেবারে লেখাপড়া করে না। ফলে এ বছর তাদের মাদ্রাসা থেকে কোন শিক্ষার্থী পাস করেনি।
বন্যাকান্দি আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মোঃ মিজানুর রহমান জানান, তার আলিম শাখাটি এমপিও ভুক্ত নয়। এক সময় মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড থেকে এই শ্রেণিতে পাঠদানের অনুমতি পাবার পর যে সব শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল পরবর্তীতে তারা এমপিও ভুক্ত না হবার কারণে চাকরি ছেড়ে অন্যত্র চলে গেছেন। ফলে একেবারেই ক্লাস হয়নি। আর এর ফলশ্রুতিতে তাদের ফলাফলে এবার এই বিপর্যয় ঘটেছে। অপর দিকে উল্লাপাড়ার কয়ড়া এসএল ফাজিল মাদ্রাসা থেকে ১২জন শিক্ষার্থী পরীক্ষা দিলেও মাত্র ১ জন পাশ করেছে। এই কলেজের অধ্যক্ষের সঙ্গে বার বার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার মুঠোফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।
এ বিষয়ে উল্লাপাড়া উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসে যোগাযোগ করলে অফিসের একাডেমিক সুপারভাইজার মোঃ মোসলেম উদ্দিন জানান, প্রকৃতপক্ষে মাদ্রাসাগুলোতে ছাত্র-ছাত্রীদের উপস্থিতি যেমন কম পাশাপাশি তারা কেউ লেখাপড়াও করে না। উপজেলা শিক্ষা অফিস থেকে উল্লিখিত দুটি মাদ্রাসা প্রধানকে একজন শিক্ষার্থীও পাশ না করার কারণে কারণ দর্শানো পত্র দেওয়া হবে। পরবর্তীতে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ড ও অধিদপ্তরে চিঠি পাঠানো হবে।