ঘূর্ণিঝড়ের কারণে দেশটিতে এখন পর্যন্ত ১৩২ জনের মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়েছে, আর ১৭৬ জন এখনো নিখোঁজ রয়েছেন।
ন্যাশনাল ডেস্ক। জনতার কণ্ঠ.কম
ঘূর্ণিঝড়ের কারণে দেশটিতে এখন পর্যন্ত ১৩২ জনের মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়েছে, আর ১৭৬ জন এখনো নিখোঁজ রয়েছেন।
সংস্থার মহাপরিচালক সম্পথ কোটুওয়েগোদা ১৩২ জনের মৃত্যু ও ১৭৬ জন নিখোঁজের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, ত্রাণ কার্যক্রমে সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর অতিরিক্ত সহায়তা মোতায়েন করা হয়েছে।
শনিবার (২৯ নভেম্বর) ঘূর্ণিঝড়টি ভারতের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। কিন্তু এর প্রভাবে শ্রীলঙ্কার কেন্দ্রীয় জেলা কান্ডিতে নতুন ভূমিধস দেখা দিয়েছে। ফলে রাজধানী কলম্বো থেকে ১১৫ কিলোমিটার দূরের প্রধান সড়কের কয়েকটি অংশ পানির নিচে তলিয়ে গেছে। তাছাড়া, নিম্নাঞ্চলগুলোর বন্যা আরও খারাপ হওয়ায় কেলানি নদীর আশপাশের বাসিন্দাদের সরিয়ে নিতে নির্দেশ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
টাইমস অব ইন্ডিয়া জানিয়েছে, শ্রীলঙ্কার আহ্বানে ভারত সরকার দ্রুত সাড়া দিয়ে দুটি বিমানযোগে ত্রাণসামগ্রী পাঠিয়েছে। পাশাপাশি কলম্বোয় অবস্থানরত ভারতীয় নৌবাহিনীর একটি যুদ্ধজাহাজ তার রেশন শ্রীলঙ্কার ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে হস্তান্তর করেছে।
২০১৭ সালের পর এটিই শ্রীলঙ্কার সবচেয়ে প্রাণঘাতী প্রাকৃতিক দুর্যোগ। ওই বছর বন্যা ও ভূমিধসে ২০০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত এবং কয়েক লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছিলেন। চলতি শতকের শুরুর পর থেকে শ্রীলঙ্কায় সবচেয়ে ভয়াবহ বন্যা দেখা গিয়েছিল ২০০৩ সালের জুন মাসে। সেসময় বন্যায় দেশটিতে ২৫৪ জনের প্রাণহানি ঘটে।