এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে দলটি বলেছে, একজন সাবেক সরকারপ্রধান ও বিশ্ববরেণ্য ব্যক্তিত্বকে বিদেশের মাটিতে এভাবে অপদস্থ ও লাঞ্ছিত করার ঘটনা দেশবিরোধী সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) দুপুরে বিবৃতির মাধ্যমে নিন্দা ও প্রতিবাদ জানায় এনসিপি।
বিবৃতিতে বলা হয়, দেশে তীব্র ও ঐতিহাসিক এক গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে পতিত ও পলাতক আওয়ামী লীগ বাংলাদেশের মাটি ব্যবহার করতে না পেরে ধারাবাহিকভাবে বিদেশের মাটিতে দেশের সূর্যসন্তানদের অপমান ও অপদস্ত করার নিম্নস্তরের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডকে বেছে নিয়েছে। এটিকে তারা ‘রাজনীতি’ মনে করলেও বাংলাদেশের আপামর জনগণ এ ধরনের আগ্রাসী কার্যক্রমকে সন্ত্রাস হিসেবে বিবেচনা করে। এই ঘটনার মাধ্যমে আরও একবার পতিত ও পলাতক আওয়ামী লীগ প্রমাণ করেছে, তাদের সঙ্গে কোনো ধরনের রিকনসিলিয়েশন সম্ভব নয়।
এনসিপি দাবি জানিয়েছে, ঘটনার ভিডিও, প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক তথ্যের ভিত্তিতে হেনস্তায় অংশগ্রহণকারী প্রত্যেক ব্যক্তিকে শনাক্ত করতে হবে। সংবাদমাধ্যমে যেসব আওয়ামী লীগ ও যুবলীগ নেতার নাম এসেছে, তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, দল হিসেবে আওয়ামী লীগকে বিচারের মুখোমুখি করা এখন সময়ের দাবি। বিচার ছাড়া আওয়ামী লীগকে রিকনসিলিয়েশনের আলাপগুলোকে এনসিপি ষড়যন্ত্রমূলক এবং দেশকে অস্থিতিশীল করার তৎপরতা হিসেবে গণ্য করে।

ন্যাশনাল ডেস্ক। জনতার কণ্ঠ.কম 























