সিরাজগঞ্জ , শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo ইব্রাহিমের গোলে এগিয়ে বাংলাদেশ Logo পোশাক শ্রমিকদের নতুন মজুরি নির্ধারণে দ্বিতীয় সভা ৯ নভেম্বর Logo সরকার আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে সম্পূর্ণ ব্যর্থ: নাহিদ ইসলাম Logo হরমুজ প্রণালিতে ভারত-চীনসহ ৪ দেশকে বিশেষ ছাড় দিল ইরান Logo একের পর এক সুযোগ নষ্ট, প্রথমার্ধে গোল পায়নি বাংলাদেশ Logo চালু হচ্ছে পাবনা-ঢাকা রুটে নতুন দুই আন্তঃনগর ট্রেন Logo গোপালগঞ্জ জেলা স্কুলে ‘জয়বাংলা’ স্লোগান, ছাড়পত্র পেল ৯ শিক্ষার্থী Logo স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ নতুন দায়িত্ব পেলেন ৬ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী Logo নতুন করে দুটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী Logo নদীভাঙন কবলিত জনগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্তি ও মানবিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে গবেষণার প্রাথমিক ফলাফল উপস্থাপন

ড. ইউনূসকে হেনস্তা, দোষীদের বিচারের আওতায় আনার দাবি এনসিপির

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের জন এফ কেনেডি (জেএফকে) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বাংলাদেশের সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে ঘিরে ধরে হেনস্তা ও আক্রমণাত্মক স্লোগান দেওয়ার ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে বিচারের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।

এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে দলটি বলেছে, একজন সাবেক সরকারপ্রধান ও বিশ্ববরেণ্য ব্যক্তিত্বকে বিদেশের মাটিতে এভাবে অপদস্থ ও লাঞ্ছিত করার ঘটনা দেশবিরোধী সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) দুপুরে বিবৃতির মাধ্যমে নিন্দা ও প্রতিবাদ জানায় এনসিপি।

সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত ভিডিও ও প্রতিবেদন অনুযায়ী, এ ঘটনায় নিউইয়র্ক মহানগর আওয়ামী লীগের (বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ) সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ চৌধুরী এবং যুক্তরাষ্ট্র যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান চৌধুরীসহ পতিত ও পলাতক আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের কয়েকজন নেতাকর্মীকে দেখা গেছে বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, দেশে তীব্র ও ঐতিহাসিক এক গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে পতিত ও পলাতক আওয়ামী লীগ বাংলাদেশের মাটি ব্যবহার করতে না পেরে ধারাবাহিকভাবে বিদেশের মাটিতে দেশের সূর্যসন্তানদের অপমান ও অপদস্ত করার নিম্নস্তরের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডকে বেছে নিয়েছে। এটিকে তারা ‘রাজনীতি’ মনে করলেও বাংলাদেশের আপামর জনগণ এ ধরনের আগ্রাসী কার্যক্রমকে সন্ত্রাস হিসেবে বিবেচনা করে। এই ঘটনার মাধ্যমে আরও একবার পতিত ও পলাতক আওয়ামী লীগ প্রমাণ করেছে, তাদের সঙ্গে কোনো ধরনের রিকনসিলিয়েশন সম্ভব নয়।

এনসিপি দাবি জানিয়েছে, ঘটনার ভিডিও, প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক তথ্যের ভিত্তিতে হেনস্তায় অংশগ্রহণকারী প্রত্যেক ব্যক্তিকে শনাক্ত করতে হবে। সংবাদমাধ্যমে যেসব আওয়ামী লীগ ও যুবলীগ নেতার নাম এসেছে, তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, দল হিসেবে আওয়ামী লীগকে বিচারের মুখোমুখি করা এখন সময়ের দাবি। বিচার ছাড়া আওয়ামী লীগকে রিকনসিলিয়েশনের আলাপগুলোকে এনসিপি ষড়যন্ত্রমূলক এবং দেশকে অস্থিতিশীল করার তৎপরতা হিসেবে গণ্য করে।

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইব্রাহিমের গোলে এগিয়ে বাংলাদেশ

ড. ইউনূসকে হেনস্তা, দোষীদের বিচারের আওতায় আনার দাবি এনসিপির

আপডেট টাইম : ০৫:৪৬:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের জন এফ কেনেডি (জেএফকে) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বাংলাদেশের সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে ঘিরে ধরে হেনস্তা ও আক্রমণাত্মক স্লোগান দেওয়ার ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে বিচারের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।

এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে দলটি বলেছে, একজন সাবেক সরকারপ্রধান ও বিশ্ববরেণ্য ব্যক্তিত্বকে বিদেশের মাটিতে এভাবে অপদস্থ ও লাঞ্ছিত করার ঘটনা দেশবিরোধী সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) দুপুরে বিবৃতির মাধ্যমে নিন্দা ও প্রতিবাদ জানায় এনসিপি।

সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত ভিডিও ও প্রতিবেদন অনুযায়ী, এ ঘটনায় নিউইয়র্ক মহানগর আওয়ামী লীগের (বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ) সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ চৌধুরী এবং যুক্তরাষ্ট্র যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান চৌধুরীসহ পতিত ও পলাতক আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের কয়েকজন নেতাকর্মীকে দেখা গেছে বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, দেশে তীব্র ও ঐতিহাসিক এক গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে পতিত ও পলাতক আওয়ামী লীগ বাংলাদেশের মাটি ব্যবহার করতে না পেরে ধারাবাহিকভাবে বিদেশের মাটিতে দেশের সূর্যসন্তানদের অপমান ও অপদস্ত করার নিম্নস্তরের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডকে বেছে নিয়েছে। এটিকে তারা ‘রাজনীতি’ মনে করলেও বাংলাদেশের আপামর জনগণ এ ধরনের আগ্রাসী কার্যক্রমকে সন্ত্রাস হিসেবে বিবেচনা করে। এই ঘটনার মাধ্যমে আরও একবার পতিত ও পলাতক আওয়ামী লীগ প্রমাণ করেছে, তাদের সঙ্গে কোনো ধরনের রিকনসিলিয়েশন সম্ভব নয়।

এনসিপি দাবি জানিয়েছে, ঘটনার ভিডিও, প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক তথ্যের ভিত্তিতে হেনস্তায় অংশগ্রহণকারী প্রত্যেক ব্যক্তিকে শনাক্ত করতে হবে। সংবাদমাধ্যমে যেসব আওয়ামী লীগ ও যুবলীগ নেতার নাম এসেছে, তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, দল হিসেবে আওয়ামী লীগকে বিচারের মুখোমুখি করা এখন সময়ের দাবি। বিচার ছাড়া আওয়ামী লীগকে রিকনসিলিয়েশনের আলাপগুলোকে এনসিপি ষড়যন্ত্রমূলক এবং দেশকে অস্থিতিশীল করার তৎপরতা হিসেবে গণ্য করে।