সিরাজগঞ্জ , শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo মমতাকে অব্যাহতি দিয়ে ভেঙে দেওয়া হলো পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রিসভা Logo কবিগুরুর জন্মবার্ষিকী উদযাপনে প্রস্তুত শাহজাদপুরের কাছারিবাড়ি Logo নিকার অনুমোদন: ভূল্লী উপজেলা গঠনে জনসাধারণের উচ্ছ্বাস Logo ধর্ষণ মামলায় নির্দোষ ইমাম জেলে, ডিএনএ পরীক্ষায় বেরিয়ে এলো আসল তথ্য Logo অবৈধভাবে গড়ে উঠা স্থাপনা দখলমুক্ত হবে: পানি সম্পদ মন্ত্রী Logo বিদ্যুৎ মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি: বিদ্যুৎমন্ত্রী Logo  বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ও ট্রান্সফরমার চোর চক্রের ৯ সদস্য গ্রেফতার Logo মাদক সেবনের দায়ে কারাদণ্ড, কলেজ ছাত্রদল সভাপতি বহিষ্কার Logo মাসুদ উদ্দিনকে জুলাই হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল Logo ইসরায়েলকে হুমকি দিলে কঠিন পরিণতি: নেতানিয়াহুর হুঁশিয়ারি

তাড়াশে সাত রাস্তার কাজ ফেলে লাপাত্তা ঠিকাদার, জনদুর্ভোগ চরমে

সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) সাতটি রাস্তার আংশিক কাজ করে অতিরিক্ত বিল নিয়ে চলে গেছেন ঠিকাদার। ফলে এসব রাস্তা চলাচলের অনুপযোগী হয়ে জনদুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। তবে এ নিয়ে ঠিকাদার ও প্রকৌশলীরা পরস্পরবিরোধী বক্তব্য দিচ্ছেন।
২০২৪-২৫ অর্থবছরে চাঁদপুর-নামা সিলোট রাস্তা নির্মাণে মেসার্স সার্চ ট্রেডিংকে দুই কোটি ৯৮ লাখ টাকা, বিনোদপুর-কুসুম্বী ভায়া বিনসাড়া রাস্তা সংস্কারে হাসনা কনস্ট্রাকশনকে এক কোটি ৪২ লাখ টাকা, নওগাঁ মাজার রোড টু রংমহল রাস্তা সংস্কারে মেসার্স সাব্বির কনস্ট্রাকশনকে ৬৬ লাখ টাকা, উলিপুর টু চকজয়কৃষ্ণপুর রাস্তা নির্মাণে মেসার্স রাইয়ান কনস্ট্রাকশনকে ৪৬ লাখ টাকা, সরাতলা-মাধাইনগর ভায়া মাদারজানি রাস্তা নির্মাণে ওশান এন্টারপ্রাইজকে পাঁচ কোটি ৩৩ লাখ টাকা, বিনোদপুর টু খড়খড়িয়া রাস্তা নির্মাণে ওশান এন্টারপ্রাইজকে দুই কোটি ৪৫ লাখ টাকা এবং হেদার খাল টু কুন্দাইল ভায়া ধাপতেঁতুলিয়া রাস্তা নির্মাণে নিশিত বসু অ্যান্ড মীম ডেভেলপমেন্টকে ৯ কোটি ৩৪ লাখ টাকার কার্যাদেশ দেওয়া হয়।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, এসব রাস্তার কোনোটা আংশিক আবার কোনোটা অর্ধেক কাজ করে বিল নিয়ে ঠিকাদার লাপাত্তা হয়ে গেছে। এসব ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানে এলজিইডির পক্ষ থেকে কাজ সমাপ্ত করার তাগাদা দিয়ে চিঠি দিলেও তারা কর্ণপাত করছে না। যার ফলে চলাচলে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হয়েছে।
এ বিয়য়ে মেসার্স হাসনা কনস্ট্রাকশনের ঠিকাদার মি. খোকনের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি সরাসরি অভিযোগ করে বলেন, তাড়াশ উপজেলা প্রকৌশলী মো. ফজলুল হক অতিরিক্ত পিসি (ঘুষ) দাবি করায় কাজ করা সম্ভব হচ্ছে না।
একই অভিযোগ করেছেন নাম প্রকাশ না করার শর্তে আরো তিন ঠিকাদার।
উপজেলা প্রকৌশলী মো. ফজলুল হক ঠিকাদারদের এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ঠিকাদাররা কার্যাদেশ পাওয়ার পর সামান্য কাজ করে অতিরিক্ত বিল দাবি করায়, তা না দেওয়ায় নানা রকম অভিযোগ তুলছেন।

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মমতাকে অব্যাহতি দিয়ে ভেঙে দেওয়া হলো পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রিসভা

তাড়াশে সাত রাস্তার কাজ ফেলে লাপাত্তা ঠিকাদার, জনদুর্ভোগ চরমে

আপডেট টাইম : ১২:২৯:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারী ২০২৬
সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) সাতটি রাস্তার আংশিক কাজ করে অতিরিক্ত বিল নিয়ে চলে গেছেন ঠিকাদার। ফলে এসব রাস্তা চলাচলের অনুপযোগী হয়ে জনদুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। তবে এ নিয়ে ঠিকাদার ও প্রকৌশলীরা পরস্পরবিরোধী বক্তব্য দিচ্ছেন।
২০২৪-২৫ অর্থবছরে চাঁদপুর-নামা সিলোট রাস্তা নির্মাণে মেসার্স সার্চ ট্রেডিংকে দুই কোটি ৯৮ লাখ টাকা, বিনোদপুর-কুসুম্বী ভায়া বিনসাড়া রাস্তা সংস্কারে হাসনা কনস্ট্রাকশনকে এক কোটি ৪২ লাখ টাকা, নওগাঁ মাজার রোড টু রংমহল রাস্তা সংস্কারে মেসার্স সাব্বির কনস্ট্রাকশনকে ৬৬ লাখ টাকা, উলিপুর টু চকজয়কৃষ্ণপুর রাস্তা নির্মাণে মেসার্স রাইয়ান কনস্ট্রাকশনকে ৪৬ লাখ টাকা, সরাতলা-মাধাইনগর ভায়া মাদারজানি রাস্তা নির্মাণে ওশান এন্টারপ্রাইজকে পাঁচ কোটি ৩৩ লাখ টাকা, বিনোদপুর টু খড়খড়িয়া রাস্তা নির্মাণে ওশান এন্টারপ্রাইজকে দুই কোটি ৪৫ লাখ টাকা এবং হেদার খাল টু কুন্দাইল ভায়া ধাপতেঁতুলিয়া রাস্তা নির্মাণে নিশিত বসু অ্যান্ড মীম ডেভেলপমেন্টকে ৯ কোটি ৩৪ লাখ টাকার কার্যাদেশ দেওয়া হয়।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, এসব রাস্তার কোনোটা আংশিক আবার কোনোটা অর্ধেক কাজ করে বিল নিয়ে ঠিকাদার লাপাত্তা হয়ে গেছে। এসব ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানে এলজিইডির পক্ষ থেকে কাজ সমাপ্ত করার তাগাদা দিয়ে চিঠি দিলেও তারা কর্ণপাত করছে না। যার ফলে চলাচলে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হয়েছে।
এ বিয়য়ে মেসার্স হাসনা কনস্ট্রাকশনের ঠিকাদার মি. খোকনের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি সরাসরি অভিযোগ করে বলেন, তাড়াশ উপজেলা প্রকৌশলী মো. ফজলুল হক অতিরিক্ত পিসি (ঘুষ) দাবি করায় কাজ করা সম্ভব হচ্ছে না।
একই অভিযোগ করেছেন নাম প্রকাশ না করার শর্তে আরো তিন ঠিকাদার।
উপজেলা প্রকৌশলী মো. ফজলুল হক ঠিকাদারদের এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ঠিকাদাররা কার্যাদেশ পাওয়ার পর সামান্য কাজ করে অতিরিক্ত বিল দাবি করায়, তা না দেওয়ায় নানা রকম অভিযোগ তুলছেন।