নতুন বেতন কাঠামো অনুযায়ী সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন পরিশোধ করতে ব্যাংক খাত থেকে আরও ৫ হাজার কোটি টাকা ঋণ নিচ্ছে সরকার। আগামী ১ নভেম্বর অক্টোবর মাসের বেতনের সঙ্গে আগের তিন মাসের নতুন বেতন কাঠামোর বকেয়াও পরিশোধ করা হবে। বাড়তি ব্যয় মেটাতে চলতি মাসে সরকারের ঋণ গ্রহণের পরিমাণ বেড়েছে। এরই অংশ হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংক আজ ১৪ দিন মেয়াদি বিশেষ ট্রেজারি বিলের নিলাম আহ্বান করেছে।
এ নিলামের মাধ্যমে ব্যাংক খাত থেকে ৫ হাজার কোটি টাকা ঋণ নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। সাধারণত রাজস্ব আয় ও সরকারি ব্যয়ের মধ্যে সাময়িক ঘাটতি দেখা দিলে স্বল্পমেয়াদি এ ধরনের বিল ইস্যু করা হয়। তবে সাম্প্রতিক সময়ে ১৪ দিন মেয়াদি বিশেষ ট্রেজারি বিলের নিলামের প্রয়োজন হয়নি।
নতুন বেতন কাঠামো অনুযায়ী সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন পরিশোধের জন্যই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেট ম্যানেজমেন্ট বিভাগের এক কর্মকর্তা। নাম প্রকাশ না করার শর্তে তিনি বলেন, ‘রোববার তথা ১ নভেম্বর সরকার নতুন পে-স্কেল অনুযায়ী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন পরিশোধ করবে। এজন্য বাড়তি টাকার প্রয়োজন। বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে ১৪ দিন মেয়াদি ট্রেজারি বিলের নিলাম আহ্বান করা হয়েছে।’
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গতকাল পর্যন্ত চলতি অক্টোবরে ট্রেজারি বিল ও বন্ডের মাধ্যমে সরকার ৫৫ হাজার ৩০০ কোটি টাকা ঋণ নিয়েছে। আজ আরও ৫ হাজার কোটি টাকা ঋণ নেওয়া হলে এ মাসে মোট ঋণের পরিমাণ দাঁড়াবে ৬০ হাজার ৩০০ কোটি টাকা। দায়িত্ব গ্রহণের পর এক মাসে সরকারকে এত বিপুল পরিমাণ ঋণ নিতে দেখা যায়নি।
এর আগে চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে ট্রেজারি বিল ও বন্ডের মাধ্যমে ব্যাংক খাত থেকে ৫৬ হাজার কোটি টাকা ঋণ নিয়েছিল সরকার। আগস্টে এ পরিমাণ ছিল ৫০ হাজার কোটি টাকা। সেপ্টেম্বরে ঋণ নেওয়া হয় সাড়ে ৪১ হাজার কোটি টাকা।
তবে নিলামের মাধ্যমে উত্তোলিত ঋণের পুরো অর্থকে সরকারের নিট ঋণ হিসেবে বিবেচনা করা যায় না। নতুন ঋণের বড় একটি অংশ আগের ট্রেজারি বিল ও বন্ডের মেয়াদ পূর্ণ হলে সেগুলোর অর্থ পরিশোধ কিংবা পুনঃঅর্থায়নে ব্যয় হয়। ফলে মোট ঋণ গ্রহণের তুলনায় নিট ঋণের পরিমাণ কম থাকে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বলছে, চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে, অর্থাৎ জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ব্যাংক খাত থেকে সরকারের নিট ঋণ গ্রহণের পরিমাণ ছিল ২৪ হাজার ২৪৫ কোটি টাকা। এর মধ্যে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো থেকে নেওয়া হয়েছে ২৩ হাজার ২২৭ কোটি টাকা। বাকি ১ হাজার ১৭ কোটি টাকা জুগিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। তবে অক্টোবরে নতুন করে নেওয়া ঋণের হিসাব পাওয়া গেলেও এ মাসে কত টাকার ঋণ পরিশোধ করা হয়েছে, তা গতকাল সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তারা জানাতে পারেননি।
বাড়ছে ট্রেজারি বিল-বন্ডের সুদহার
সরকারের ঋণের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় চলতি অক্টোবরে ট্রেজারি বিল ও বন্ডের সুদহারও বেড়েছে। মাসের শুরুতে ৫ অক্টোবর অনুষ্ঠিত নিলামে ৯১ দিন মেয়াদি ট্রেজারি বিলের ইল্ড ছিল ৮ দশমিক ১৩ শতাংশ। ধারাবাহিক বৃদ্ধির ফলে ২৬ অক্টোবরের নিলামে একই মেয়াদের বিলের ইল্ড বেড়ে ৮ দশমিক ৫৫ শতাংশে দাঁড়ায়। একই সময়ে অন্যান্য মেয়াদের ট্রেজারি বিল ও বন্ডের ইল্ড রেটও বেড়েছে।
ব্যাংক খাতে অতিরিক্ত তারল্য থাকার পরও সরকারি ঋণের বিপরীতে সুদহার বৃদ্ধির বিষয়টি লক্ষণীয়। গত আগস্ট শেষে দেশের ব্যাংক খাতে উদ্বৃত্ত তারল্যের পরিমাণ দাঁড়িয়েছিল ৪ লাখ ৪২ হাজার কোটি টাকা। এ বিপুল তারল্যের একটি অংশ অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে রয়েছে।
সরকারের ঋণের চাহিদা বৃদ্ধির কারণে বিশেষ নিলাম আয়োজনের পাশাপাশি বাড়তি বিল ও বন্ড ইস্যু করতে হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান।
তিনি বলেন, ‘কেন্দ্রীয় ব্যাংকের দায়িত্ব হলো চাহিদা অনুযায়ী ট্রেজারি বিল-বন্ডের মাধ্যমে সরকারকে ঋণের জোগান দেয়া। আমরা কেবল সে দায়িত্ব পালন করছি। প্রত্যাশা অনুযায়ী সরকার রাজস্ব আয় করতে পারছে না। তাই ব্যাংক খাত থেকে বাড়তি ঋণের প্রয়োজন হচ্ছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘প্রচলিত বিল-বন্ডের পাশাপাশি কেন্দ্রীয় ব্যাংক শরিয়াহভিত্তিক সুকুক ছাড়ার বড় উদ্যোগ নিচ্ছে। কেবল চলতি অর্থবছরে ৩২ হাজার কোটি টাকার সুকুক ছাড়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। সুকুকের মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদে ঋণের জোগান হলে ব্যাংক খাতের ওপর সরকারের নির্ভরতা কিছুটা হলেও কমবে।’
বাজেট ঘাটতি পূরণে ব্যাংকঋণের ওপর নির্ভরতা
চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার রেকর্ড বাজেট ঘোষণা করেছে সরকার। এতে বাজেট ঘাটতির পরিমাণ ধরা হয়েছে ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকা। দেশি-বিদেশি উৎস থেকে ঋণ নিয়ে এ ঘাটতি পূরণের পরিকল্পনা রয়েছে। এর মধ্যে দেশের ব্যাংক খাত থেকে ১ লাখ ১২ হাজার কোটি টাকা ঋণ নেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
গত অর্থবছরে ব্যাংক খাত থেকে সরকার রেকর্ড ১ লাখ ৩৪ হাজার ৫৭১ কোটি টাকা ঋণ নিয়েছিল। যদিও সংশোধিত বাজেটে এ ঋণের লক্ষ্যমাত্রা কমিয়ে ১ লাখ ১৮ হাজার কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা বাড়ানোর কারণে চলতি অর্থবছরে সরকারের ব্যাংকঋণের ওপর নির্ভরতা আরও বাড়তে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
ঘোষিত বাজেটে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে (এনবিআর) ৬ লাখ ৪ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা দেওয়া হয়েছে। তবে অর্থবছরের প্রথম দুই মাস, জুলাই ও আগস্টেই রাজস্ব আদায়ে ঘাটতি দেখা দিয়েছে ২৫ হাজার ৪৯১ কোটি টাকা। সেপ্টেম্বর ও অক্টোবরেও প্রত্যাশা অনুযায়ী রাজস্ব আদায় করতে পারেনি সংস্থাটি। ফলে সরকারের দৈনন্দিন ব্যয় মেটাতেও ব্যাংকঋণের প্রয়োজন বাড়ছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি অক্টোবরে ২৭ অক্টোবর পর্যন্ত ৯১ দিন মেয়াদি ট্রেজারি বিলের চারটি নিলাম অনুষ্ঠিত হয়েছে। এসব নিলামের মাধ্যমে ২০ হাজার কোটি টাকার বিল ইস্যু করা হয়েছে। একই সংখ্যক নিলামে ১৮২ দিন মেয়াদি বিলের মাধ্যমে উত্তোলন করা হয়েছে ১২ হাজার কোটি টাকা। অন্যদিকে ৩৬৪ দিন মেয়াদি বিলের মাধ্যমে ঋণ নেওয়া হয়েছে ৮ হাজার কোটি টাকা। সব মিলিয়ে শুধু ট্রেজারি বিলের মাধ্যমেই অক্টোবরে ৪০ হাজার কোটি টাকা ঋণ নিয়েছে সরকার।
এ ছাড়া ২ থেকে ২০ বছর মেয়াদি ট্রেজারি বন্ডের মাধ্যমে এ মাসে আরও ১৫ হাজার ৩০০ কোটি টাকা ঋণ নেওয়া হয়েছে। গতকালও ১৫ ও ২০ বছর মেয়াদি বন্ডের মাধ্যমে বাজার থেকে ২ হাজার ৫০০ কোটি টাকা ঋণ নিয়েছে সরকার। এ দুটি বন্ডের ইল্ড ছিল ৯ দশমিক ৩৮ শতাংশ।
সরকারের আর্থিক সক্ষমতা নিয়ে উদ্বেগ
সরকারি কর্মচারীদের বেতন-ভাতা পরিশোধের জন্য ১৪ দিন মেয়াদি বিশেষ ট্রেজারি বিল ইস্যুর উদ্যোগকে দেশের অর্থনীতি ও সরকারের সক্ষমতার জন্য ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন না সাবেক অর্থ সচিব ও মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক (সিএজি) মোহাম্মদ মুসলিম চৌধুরী।
তিনি বলেন, ‘সাধারণত বাজারে তারল্য উদ্বৃত্ত হয়ে গেলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ১৪ দিন মেয়াদি বিল ইস্যু করে। এখন দেখছি, সরকার তার কর্মচারীদের বেতন-ভাতা পরিশোধের জন্যও বিশেষ ট্রেজারি বিল ইস্যু করছে। সরকার তার রাজস্ব আহরণ বাড়াতে পারছে না। বিপরীতে নতুন পে-স্কেলসহ বিভিন্ন খাতে ব্যয় বাড়াচ্ছে। আবার বড় বড় মেগা প্রকল্পও নেয়া হচ্ছে। এভাবে চলতে থাকলে সরকারের ঋণের বোঝা দ্রুত বড় হবে। বিপরীতে বেসরকারি খাত আরো বেশি সংকুচিত ও দুর্বল হবে।’
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ব্যাংক খাত থেকে সরকারের ঋণ গ্রহণের প্রবৃদ্ধি ছিল সাড়ে ৩৪ শতাংশের বেশি। বিপরীতে একই সময়ে বেসরকারি খাতে ঋণের প্রবৃদ্ধি ছিল মাত্র ৪ দশমিক ৪৭ শতাংশ, যা ইতিহাসের সর্বনিম্ন। এতে বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহের সংকট আরও গভীর হচ্ছে। অন্যদিকে সরকারের ঋণ গ্রহণের প্রবণতা ক্রমাগত বাড়ছে।
অর্থ বিভাগের সর্বশেষ প্রক্ষেপণ অনুযায়ী, বর্তমান ধারা অব্যাহত থাকলে আগামী তিন বছরের মধ্যে, অর্থাৎ ২০২৮-২৯ অর্থবছরে সরকারের মোট ঋণের স্থিতি প্রায় ৩৪ লাখ কোটি টাকায় পৌঁছাতে পারে।
সরকার দেশি-বিদেশি উভয় উৎস থেকে ঋণ নিয়ে পুরোনো ঋণ পরিশোধের চক্রে পড়ে গেছে বলে মনে করেন বিশ্বব্যাংকের ঢাকা কার্যালয়ের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন।
তিনি বলেন, ‘সরকার প্রত্যাশা অনুযায়ী রাজস্ব আদায় বাড়াতে পারছেন না। এ কারণে বাজেটে ঘোষিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি মাত্রায় ঋণ নিতে হচ্ছে। যেসব ট্রেজারি বিল-বন্ডের মেয়াদ শেষ হচ্ছে, সরকার সেগুলো “রোলওভার” করতে বাধ্য হবে। কারণ এসব ঋণ পরিশোধের সক্ষমতা এ মুহূর্তে সরকারের নেই।’
বেতন-ভাতা ও পেনশনে বরাদ্দ ১ লাখ ৩১ হাজার কোটি টাকা
বর্তমানে দেশে বেসামরিক ও প্রতিরক্ষা খাতে কর্মরত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর সংখ্যা প্রায় ২৪ লাখ। এ ছাড়া পেনশনভোগী রয়েছেন ৯ লাখ ২৫ হাজার। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন, ভাতা ও পেনশন বাবদ ১ লাখ ৩১ হাজার ২৮৪ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এর মধ্যে শুধু বেতনের জন্য বরাদ্দ ১ লাখ ৬ হাজার ২৯২ কোটি টাকা।
এ পরিস্থিতিতে আগামী ১ নভেম্বর থেকে নতুন পে-স্কেল অনুযায়ী বেতন পরিশোধ শুরু করবে সরকার। নতুন কাঠামোয় সর্বনিম্ন গ্রেডে মূল বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা করা হয়েছে। অন্যদিকে সর্বোচ্চ নির্ধারিত মূল বেতন ৭৮ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
নতুন বেতন কাঠামোর পুরোপুরি বাস্তবায়ন একসঙ্গে হচ্ছে না; ধাপে ধাপে তা কার্যকর করা হবে। তবে নবম বেতনকাঠামো পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়িত হলে সরকারের বার্ষিক ব্যয় প্রায় ১ লাখ ৫ হাজার কোটি টাকা বাড়বে।
রাজস্ব আয় বাড়ানোর তাগিদ
অর্থনৈতিক সংকট কাটিয়ে উঠতে বিদেশি বিনিয়োগ ও স্বল্প সুদের অর্থায়ন নিশ্চিত করার চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছেন অর্থ মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি মুশফিকুর রহমান। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ আসনের এ সংসদ সদস্য বলেন, ‘বিএনপি সরকার উত্তরাধিকার সূত্রে একটি ভঙ্গুর অর্থনীতি পেয়েছে। আগে থেকেই উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও বেকারত্বের পরিস্থিতি প্রকট ছিল। সরকারের আয়ের চেয়ে ব্যয়ও অনেক বেশি। এ পরিস্থিতিতে যেকোনো সরকারের পক্ষেই রাতারাতি ঘুরে দাঁড়ানো অসম্ভব। আমাদের সরকার সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সঙ্গে পরিস্থিতি সামাল দেয়ার চেষ্টা করছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘জিনিসপত্রের দাম বেড়ে যাওয়ার কারণে নির্ধারিত আয়ের চাকরিজীবীদের জীবনযাপন কঠিন হয়ে পড়েছিল। এ কারণে সরকার কর্মচারীদের উৎসাহ দেয়া ও দক্ষতা বাড়াতে নতুন পে-স্কেল দিয়েছে। এর কোনো বিকল্প আমাদের হাতে ছিল না। তবে এটাও ঠিক, ব্যয় বৃদ্ধির চাপ সামাল দিতে আমাদেরকে অবশ্যই আয় বাড়াতে হবে।’

ন্যাশনাল ডেস্ক। জনতার কণ্ঠ.কম 



















