সিরাজগঞ্জ , শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo মমতাকে অব্যাহতি দিয়ে ভেঙে দেওয়া হলো পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রিসভা Logo কবিগুরুর জন্মবার্ষিকী উদযাপনে প্রস্তুত শাহজাদপুরের কাছারিবাড়ি Logo নিকার অনুমোদন: ভূল্লী উপজেলা গঠনে জনসাধারণের উচ্ছ্বাস Logo ধর্ষণ মামলায় নির্দোষ ইমাম জেলে, ডিএনএ পরীক্ষায় বেরিয়ে এলো আসল তথ্য Logo অবৈধভাবে গড়ে উঠা স্থাপনা দখলমুক্ত হবে: পানি সম্পদ মন্ত্রী Logo বিদ্যুৎ মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি: বিদ্যুৎমন্ত্রী Logo  বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ও ট্রান্সফরমার চোর চক্রের ৯ সদস্য গ্রেফতার Logo মাদক সেবনের দায়ে কারাদণ্ড, কলেজ ছাত্রদল সভাপতি বহিষ্কার Logo মাসুদ উদ্দিনকে জুলাই হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল Logo ইসরায়েলকে হুমকি দিলে কঠিন পরিণতি: নেতানিয়াহুর হুঁশিয়ারি

নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেড় মাসে শতাধিক সহিংসতা, নিহত ৫

ছবি : সংগৃহীত

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে গত দেড় মাসে ২৭৪টি সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে প্রার্থীর ওপর আক্রমণের ঘটনা ঘটেছে ১৫টি এবং হত্যাকাণ্ড ৫টি।

 

 

সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং।

 

 

এতে বলা হয়, নির্বাচন ঘিরে গত বছরের ১২ ডিসেম্বর থেকে চলতি বছরের ১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ২৭৪টি সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে নির্বাচন ঘিরে ভীতি দেখানো বা আক্রমণাত্মক আচরণের ঘটনা ঘটেছে ১৬টি, প্রার্থীর ওপর আক্রমণের ঘটনা ঘটেছে ১৫টি, হত্যাকাণ্ড ঘটেছে পাঁচটি, প্রতিদ্বন্দ্বী সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে ৮৯টি এবং অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহারের ঘটনা ঘটেছে তিনটি।

 

এ ছাড়া হুমকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের ঘটনা ঘটেছে ৯টি, প্রচার কাজে বাধা দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে ২৯টি, নির্বাচন সংশ্লিষ্ট অফিস ও প্রতিষ্ঠানে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে ২০টি, অবরোধ ও বিক্ষোভের ঘটনা ঘটেছে ১৭টি, সংখ্যালঘুদের ওপর আক্রমণের ঘটনা ঘটেছে ১টি এবং অন্যান্য ঘটনা ঘটেছে ৭০টি।

বিগত দশম, একাদশ ও দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে হওয়া সহিংসতার ঘটনার পরিসংখ্যানও তুলে ধরা হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে।

 

প্রেস উইংয়ের তথ্যমতে, ২০২৪ সালের দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের এক মাসে (২১ ডিসেম্বর ২০২৩- ১০ জানুয়ারি ২০২৪) ৫৩৪টি সহিংসতার ঘটনা ঘটে।

 

 

এসব ঘটনায় আহত হন ৪৬০ জন এবং নিহত হন ৬ জন। তখন ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে ১০২টি, অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে ১১৮টি এবং ককটেল ও পেট্রোল বোমা বিস্ফোরণ এবং গুলির ঘটনা ঘটে ৩০টি।

 

 

২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ২২ দিনে (১০ ডিসেম্বর ২০১৮- ২ জানুয়ারি ২০১৯) ৪১৪টি সহিংসতার ঘটনা ঘটে। এসব ঘটনায় আহত হন ৭৮০ জন এবং নিহত হন ২২ জন।

 

 

তখন ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে ২৩৪টি, অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে ১৫৫টি এবং ককটেল ও পেট্রোল বোমা বিস্ফোরণ এবং গুলির ঘটনা ঘটে ১৪৩টি।

 

 

২০১৪ সালের দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ১২ দিনে (২২ ডিসেম্বর ২০১৩- ৪ জানুয়ারি ২০১৪) ৫৩০টি সহিংসতার ঘটনা ঘটে। এসব ঘটনায় আহত হন ৩১৫ জন এবং নিহত হন ১১৫ জন।

 

 

তখনকার ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ, ককটেল ও পেট্রোল বোমা বিস্ফোরণের কোনো তথ্য জানায়নি প্রেস উইং।

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মমতাকে অব্যাহতি দিয়ে ভেঙে দেওয়া হলো পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রিসভা

নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেড় মাসে শতাধিক সহিংসতা, নিহত ৫

আপডেট টাইম : ১১:০৬:৩২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে গত দেড় মাসে ২৭৪টি সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে প্রার্থীর ওপর আক্রমণের ঘটনা ঘটেছে ১৫টি এবং হত্যাকাণ্ড ৫টি।

 

 

সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং।

 

 

এতে বলা হয়, নির্বাচন ঘিরে গত বছরের ১২ ডিসেম্বর থেকে চলতি বছরের ১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ২৭৪টি সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে নির্বাচন ঘিরে ভীতি দেখানো বা আক্রমণাত্মক আচরণের ঘটনা ঘটেছে ১৬টি, প্রার্থীর ওপর আক্রমণের ঘটনা ঘটেছে ১৫টি, হত্যাকাণ্ড ঘটেছে পাঁচটি, প্রতিদ্বন্দ্বী সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে ৮৯টি এবং অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহারের ঘটনা ঘটেছে তিনটি।

 

এ ছাড়া হুমকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের ঘটনা ঘটেছে ৯টি, প্রচার কাজে বাধা দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে ২৯টি, নির্বাচন সংশ্লিষ্ট অফিস ও প্রতিষ্ঠানে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে ২০টি, অবরোধ ও বিক্ষোভের ঘটনা ঘটেছে ১৭টি, সংখ্যালঘুদের ওপর আক্রমণের ঘটনা ঘটেছে ১টি এবং অন্যান্য ঘটনা ঘটেছে ৭০টি।

বিগত দশম, একাদশ ও দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে হওয়া সহিংসতার ঘটনার পরিসংখ্যানও তুলে ধরা হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে।

 

প্রেস উইংয়ের তথ্যমতে, ২০২৪ সালের দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের এক মাসে (২১ ডিসেম্বর ২০২৩- ১০ জানুয়ারি ২০২৪) ৫৩৪টি সহিংসতার ঘটনা ঘটে।

 

 

এসব ঘটনায় আহত হন ৪৬০ জন এবং নিহত হন ৬ জন। তখন ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে ১০২টি, অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে ১১৮টি এবং ককটেল ও পেট্রোল বোমা বিস্ফোরণ এবং গুলির ঘটনা ঘটে ৩০টি।

 

 

২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ২২ দিনে (১০ ডিসেম্বর ২০১৮- ২ জানুয়ারি ২০১৯) ৪১৪টি সহিংসতার ঘটনা ঘটে। এসব ঘটনায় আহত হন ৭৮০ জন এবং নিহত হন ২২ জন।

 

 

তখন ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে ২৩৪টি, অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে ১৫৫টি এবং ককটেল ও পেট্রোল বোমা বিস্ফোরণ এবং গুলির ঘটনা ঘটে ১৪৩টি।

 

 

২০১৪ সালের দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ১২ দিনে (২২ ডিসেম্বর ২০১৩- ৪ জানুয়ারি ২০১৪) ৫৩০টি সহিংসতার ঘটনা ঘটে। এসব ঘটনায় আহত হন ৩১৫ জন এবং নিহত হন ১১৫ জন।

 

 

তখনকার ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ, ককটেল ও পেট্রোল বোমা বিস্ফোরণের কোনো তথ্য জানায়নি প্রেস উইং।