নওগাঁ জেলার রানীনগর উপজেলার আবাদপুকুরে প্রতিষ্ঠিত এস এস স্কলাস্টিক ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অল্প সময়ের মধ্যেই স্থানীয় শিক্ষাঙ্গনে এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। হাটি হাটি পা পা করে পথচলা শুরু করলেও মাত্র এক বছরের ব্যবধানে প্রতিষ্ঠানটি অর্জন করেছে উল্লেখযোগ্য সাফল্য। প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলে আধুনিক ও মানসম্মত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এমন বিকাশ ইতোমধ্যেই সচেতন মহলের প্রশংসা কুড়িয়েছে।
শিশু ওয়ান থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত পরিচালিত বিদ্যালয়টি এখন অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের আস্থার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। অভিভাবকদের মতে, এখানে শিক্ষার মান যেমন উন্নত, তেমনি শিক্ষক-শিক্ষিকাদের আন্তরিকতা ও দায়িত্ববোধ সত্যিই প্রশংসনীয়। তারা শিক্ষার্থীদের নিজ সন্তানের মতো স্নেহ ও যত্নের সাথে পাঠদান করছেন। ফলে শিশুদের মাঝে গড়ে উঠছে শৃঙ্খলা, নৈতিকতা ও আত্মবিশ্বাস।
বিদ্যালয়ের অন্যতম বিশেষ দিক হলো—বাংলা, আরবি ও ইংলিশ ভার্সনের সমন্বিত পাঠদান ব্যবস্থা। আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থার পাশাপাশি ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষার সমন্বয় শিক্ষার্থীদের সামগ্রিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। একদিকে তারা একাডেমিকভাবে দক্ষ হয়ে উঠছে, অন্যদিকে মানবিক মূল্যবোধ ও আদর্শে সমৃদ্ধ নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠছে।
সরেজমিন পরিদর্শনে দেখা যায়, বিদ্যালয়ের গেইটম্যান, আয়া, শিক্ষক-শিক্ষিকা, প্রিন্সিপাল ও পরিচালক—সকলেই নিজ নিজ দায়িত্বে অত্যন্ত সচেতন ও নিবেদিত। পুরো ক্যাম্পাসে রয়েছে পরিচ্ছন্নতা, নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলার ছাপ, যা একটি আদর্শ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য অপরিহার্য।
বিদ্যালয়ের পরিচালক ও প্রিন্সিপাল বলেন, “শিশুরাই আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। তাদের সুশিক্ষায় শিক্ষিত করতে পারলেই দেশ ও জাতি এগিয়ে যাবে উন্নতির পথে।” শিক্ষক-শিক্ষিকাবৃন্দও একই প্রত্যয়ে কাজ করছেন—শুধু ভালো ফলাফল নয়, বরং একজন সৎ, দক্ষ ও দায়িত্বশীল নাগরিক গড়ে তোলাই তাদের মূল লক্ষ্য।
স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, এ উদ্যোগ শুধু একটি প্রতিষ্ঠানের সাফল্য নয়; এটি পুরো এলাকার জন্য গর্বের বিষয়। প্রত্যন্ত গ্রামে শিক্ষার যে আলোকবর্তিকা প্রজ্বলিত হয়েছে, তা ভবিষ্যতে আরও বিস্তৃত হবে—এমনটাই সবার প্রত্যাশা।
শিক্ষা, শৃঙ্খলা ও মানবিকতার সমন্বয়ে গড়ে ওঠা এস এস স্কলাস্টিক ইন্টারন্যাশনাল স্কুল সত্যিই আজ প্রশংসার দাবিদার।

রানীনগর (নওগাঁ) প্রতিনিধি। জনতার কণ্ঠ.কম 



















