গত ২৭ নভেম্বর আগে নিজ বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয় ৫ বছর বয়সী শিশু তাহসিন। এ ঘটনায় তার দাদী বাদী হয়ে থানায় সাধারণ ডায়রী করেন। নিখোঁজে ৪ দিন পর একটি পুকুর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
সোমবার (১ ডিসেম্বর) সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার দেওভোগ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পুকুর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত তাহসিন (৫) সিরাজগঞ্জ পৌর এলাকার সয়াগোবিন্দ মহল্লার মো. আলম শেখের ছেলে।
এদিকে এ ঘটনায় অভিযোগের তীর উঠেছে শিশুটির সৎ বাবা মুক্তা হোসেনের (৩৫) বিরুদ্ধে। সোমবার (১ ডিসেম্বর) শিশুটির দাদী নুরমহল বেওয়া বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ আদালতে মুক্তা হোসেনকে আসামি করে অপর একটি মামলা দায়ের করেছেন। বিচারক মামলাটি এফআইর হিসেবে নথিভুক্ত করার জন্য সংশ্লিষ্ট থানাকে আদেশে দেয়। মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) মামলাটি এজাহারভুক্ত করা হয়েছে। মুক্তা সিরাজগঞ্জ শহরের সয়াগোবিন্দ থানা রোড এলাকার আব্দুল কাদেরের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার সকালে দেওভোগ প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন পুকুরে মাছ ধরতে নেমে জালের সঙ্গে শিশু তাহসিনের মরদেহ উঠে আসে। খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ এম মনসুর আলী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়ে দেয়।
সলঙ্গা থানার ওসি মো. হুমায়ুন কবির জানান, শিশুটি ২৭ নভেম্বর নিখোঁজ হয়। ওই সময়ই একটি সাধারণ ডায়রী হয়েছে। সোমবার শিশুর লাশ উদ্ধারের পর থানায় হত্যা মামলা দায়ের হয়েছে। আমরা তদন্ত শুরু করেছি। শীঘ্রই এই হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করা হবে।
রায়গঞ্জ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, “মরদেহ উদ্ধারের পর পরিচয় নিশ্চিত করতে কিছুটা সময় লাগে। পরিচয় শনাক্তের পর শিশুটির নিখোঁজ থাকার বিষয়টি সামনে আসে। মৃত্যুর কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত চলছে এবং একাধিক টিম কাজ করছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর প্রকৃত পরিস্থিতি স্পষ্ট হবে।

নিজস্ব প্রতিবেদক। জনতার কণ্ঠ.কম 



















