সিরাজগঞ্জ , রবিবার, ১০ মে ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo বিদ্যুৎমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর ৭৬তম জন্মদিন আজ Logo আইনজীবী আলিফ হত্যা মামলা: চিন্ময় দাশকে জামিন দেননি হাইকোর্ট Logo বিনামূল্যে বিদ্যুৎ ও মাদকমুক্ত তামিলনাড়ুর প্রতিশ্রুতি বিজয়ের Logo রায়গঞ্জে গরু চুরি রোধে ‘বাঁশ ব্যারিয়ার: ব্যতিক্রমী উদ্যোগে খামারিদের স্বস্তি  Logo কোটি টাকার হেরোইনসহ নারী মাদক কারবারি গ্রেপ্তার Logo রায়গঞ্জে ব্র্যাক সিড অ্যান্ড অ্যাগ্রো এন্টারপ্রাইজের উদ্যোগে ধানের অধিক ফলন নিশ্চিতে প্রশিক্ষণ কর্মশালা Logo রায়গঞ্জে ঝুঁকিপূর্ণ ব্রিজ, লাল নিশানায় চলছে সতর্কতা Logo কামারখন্দে সড়ক দুর্ঘটনায় বুদ্ধি প্রতিবন্ধী যুবকের মৃত্যু Logo শপথ নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হলেন বিজয় Logo সিরাজগঞ্জে নির্মিত হচ্ছে আধুনিক ‘আল-আকসা কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ’ কমপ্লেক্স

প্রেম-বিয়ে নিয়ে বিরোধের জের ধরে বাবাকে খুন

উত্তেজিত জনতা বাড়িটি ঘিরে ফেললে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ঘাতক দুজনকে আটক করে। ছবি : সংগৃহীত

গাজীপুরের টঙ্গীতে প্রেম ও বিয়েসংক্রান্ত বিরোধের জেরে বাবাকে তালা দিয়ে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে স্ত্রী ও মেয়ের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় নিহত ব্যক্তির স্ত্রী আলেয়া বেগম এবং মেয়ে মেরিনা আক্তারকে আটক করেছে পুলিশ।

 

নিহত ব্যক্তির নাম মেসবাহ উদ্দীন (৬২)। তিনি উত্তরা জয়নাল মার্কেট এলাকার বাসিন্দা।

 

জানা গেছে, নিহত মেসবাহর মেয়ে মেরিনার আগে একটি বিয়ে হয়েছিল। স্বামীকে ডিভোর্স দিয়ে অন্য একটি ছেলের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে। সেই ছেলেকে বিয়ে করতে চাইলে বাবা মেসবাহ উদ্দীন আপত্তি জানান। বিষয়টি নিয়ে পরিবারের মধ্যে তীব্র বাগ্‌বিতণ্ডা শুরু হয়।

অভিযোগ রয়েছে, একপর্যায়ে মা আলেয়া বেগম ও মেয়ে মেরিনা একসঙ্গে মেসবাহ উদ্দীনকে একটি কক্ষে আটকে তালা দিয়ে মাথায় আঘাত করেন। এতে তিনি গুরুতর আহত হন এবং ঘটনাস্থলেই অচেতন হয়ে পড়েন। পরে তাকে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মেসবাহ উদ্দীনকে মৃত ঘোষণা করেন।

 

পরে মরদেহ দ্রুত দাফনের প্রস্তুতি নিতে গিয়ে গোসল করানোর সময় বিষয়টি স্থানীয়দের সন্দেহ হয়। এ সময় উত্তেজিত জনতা বাড়িটি ঘিরে ফেলে এবং পুলিশে খবর দেয়। খবর পেয়ে টঙ্গী পূর্ব থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

টঙ্গী পূর্ব থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মেহেদী হাসান ঘটনাস্থলে গিয়ে মা ও মেয়েকে আটক করে থানায় নিয়ে যান। পরে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ তাজউদ্দীন আহমেদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।

 

টঙ্গী পূর্ব থানার ওসি মেহেদী হাসান বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও তদন্তের ভিত্তিতে আইনিব্যবস্থা নেওয়া হবে। কেউ দোষী হলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিদ্যুৎমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর ৭৬তম জন্মদিন আজ

প্রেম-বিয়ে নিয়ে বিরোধের জের ধরে বাবাকে খুন

আপডেট টাইম : ০৬:৪৬:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫

গাজীপুরের টঙ্গীতে প্রেম ও বিয়েসংক্রান্ত বিরোধের জেরে বাবাকে তালা দিয়ে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে স্ত্রী ও মেয়ের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় নিহত ব্যক্তির স্ত্রী আলেয়া বেগম এবং মেয়ে মেরিনা আক্তারকে আটক করেছে পুলিশ।

 

নিহত ব্যক্তির নাম মেসবাহ উদ্দীন (৬২)। তিনি উত্তরা জয়নাল মার্কেট এলাকার বাসিন্দা।

 

জানা গেছে, নিহত মেসবাহর মেয়ে মেরিনার আগে একটি বিয়ে হয়েছিল। স্বামীকে ডিভোর্স দিয়ে অন্য একটি ছেলের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে। সেই ছেলেকে বিয়ে করতে চাইলে বাবা মেসবাহ উদ্দীন আপত্তি জানান। বিষয়টি নিয়ে পরিবারের মধ্যে তীব্র বাগ্‌বিতণ্ডা শুরু হয়।

অভিযোগ রয়েছে, একপর্যায়ে মা আলেয়া বেগম ও মেয়ে মেরিনা একসঙ্গে মেসবাহ উদ্দীনকে একটি কক্ষে আটকে তালা দিয়ে মাথায় আঘাত করেন। এতে তিনি গুরুতর আহত হন এবং ঘটনাস্থলেই অচেতন হয়ে পড়েন। পরে তাকে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মেসবাহ উদ্দীনকে মৃত ঘোষণা করেন।

 

পরে মরদেহ দ্রুত দাফনের প্রস্তুতি নিতে গিয়ে গোসল করানোর সময় বিষয়টি স্থানীয়দের সন্দেহ হয়। এ সময় উত্তেজিত জনতা বাড়িটি ঘিরে ফেলে এবং পুলিশে খবর দেয়। খবর পেয়ে টঙ্গী পূর্ব থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

টঙ্গী পূর্ব থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মেহেদী হাসান ঘটনাস্থলে গিয়ে মা ও মেয়েকে আটক করে থানায় নিয়ে যান। পরে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ তাজউদ্দীন আহমেদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।

 

টঙ্গী পূর্ব থানার ওসি মেহেদী হাসান বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও তদন্তের ভিত্তিতে আইনিব্যবস্থা নেওয়া হবে। কেউ দোষী হলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।