ন্যাশনাল ডেস্ক। জনতার কণ্ঠ.কম
একদিনে বজ্রপাতে ৫ জেলায় শিক্ষার্থী ও কৃষকসহ মোট ৯ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। রবিবার (৫ অক্টোবর) সকাল থেকে বিকেল পর্য়ন্ত নারায়নগঞ্জ, কুমিল্লা, ঝিনাইদহ, কুড়িগ্রাম ও গাইবান্ধা জেলার বিভিন্ন এলাকায় বজ্রপাতের ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে।
নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়নের উলুকান্দি গ্রামে বজ্রপাতে ওয়াসিম (১৩) নামের এক স্কুলছাত্রের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছেন সোনারগাঁ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. ফজলুল হক।
কুমিল্লার হোমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, উপজেলার ঘাগুটিয়া ইউনিয়নের ভবানীপুর ঘাট এলাকায় বজ্রপাতে দুই বোনসহ তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতরা হলেন— হোমনা উপজেলার নালা দক্ষিণ গ্রামের মৃত হাজি মতিউর রহমানের দুই মেয়ে মমতাজ বেগম (৩৭) ও জাকিয়া (২৩) এবং খোদেদাউদপুর গ্রামের রাহিনুর ইসলামের ছেলে রাশেদ মিয়া (২২)।
রোববার সকালে ঝিনাইদহ সদর ও শৈলকুপায় বজ্রপাতে দুই কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। নিহতরা হলেন, সদর উপজেলার আড়মুখী গ্রামের শমসের বিশ্বাসের ছেলে শিমুল বিশ্বাস (২৮) ও শৈলকুপার শেখড়া গ্রামের হুরমত শেখ (৫৫)। শৈলকুপা ও সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুম খান ও আব্দুল্লাহ আল মামুন পৃথক বজ্রপাতে দুজনের মৃত্যুর সত্যতা নিশ্চিত করেন।
কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রেজাউল করিম বলেন, বিকেলে পৃথক বজ্রপাতে মাদ্রাসার শিক্ষার্থীসহ দুজনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতরা হলো— মোহাম্মদ বাবলু মিয়া (৭) ও সহিবর। বাবলু মিয়া উপজেলার নুনখাওয়া ইউনিয়নের কালিকাপুর এলাকায় এলাকার নূর হোসেনের ছেলে। সে স্থানীয় একটি মাদ্রাসায় দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়ত। অপরদিকে সহিবর উপজেলার বামনডাঙা ইউনিয়নের চর লুচনি গ্রামের আবুল কাশেমের ছেলে।
গাইবান্ধার সাঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বাদশা আলম বলেন রবিবার দুপুরে সাঘাটার হলদিয়া ইউনিয়নের দীঘলকান্দি গ্রামে বজ্রপাতে আব্দুল আজিজ (৪৫) নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। তিনি উপজেলার হলদিয়া ইউনিয়নের দীঘলকান্দী গ্রামের মকবুল হোসেনের ছেলে।

রিপোর্টার: 



















