“ক্রীড়া হলে পেশা, পরিবার পাবে ভরসা, স্বপ্নের পথে, বিজয়ের সাথে ” বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে সিরাজগঞ্জে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের উদ্বোধন করা হয়েছে। শনিবার (২ মে ২০২৬) বিকেলে বিকেল ৩টা ৪০ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সিলেট জেলা স্টেডিয়াম থেকে সারাদেশে একযোগে এই স্পোর্টসের উদ্বোধন ঘোষণা করেন।
সারাদেশের মতো সিরাজগঞ্জ শহীদ শামসুদ্দিন স্টেডিয়ামে উৎসাহ উদ্দীপণার মধ্য দিয়ে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের শুভ উদ্বোধন ঘোষণা হয়।
সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসন ও জেলা ক্রীড়া অফিস আয়োজিত বর্ণীল উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি ও সিরাজগঞ্জ- কামারখন্দ আসনের সাবেক নির্বাচিত জাতীয় সংসদ সদস্য রুমানা মাহমুদ।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক মোঃ কামরুল ইসলাম ও পরিচালনা করেন জেলা ক্রীড়া অফিসার মোঃ নুরে এলাহি। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ( সার্বিক) গনপতি রায়, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ হাফিজুর রহমান, বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ সাইদুর রহমান বাচ্চু, জেলা বিএনপির সহসভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আজিজুর রহমান দুলাল, সহ সভাপতি রকিবুল হাসান রতন,জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, সিরাজগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোঃ হারুন অর রশিদ খান হাসান, জেলা বিএনপির ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক ও জেলা জাতীয়তাবাদী ক্রীড়া দলের আহবায়ক হেদায়েতুল ইসলাম ফ্রুট, জেলা যুবদলের সহ সভাপতি নুরুল ইসলাম ডাক্কু, জেলা যুবদলের সহ সাংগঠনিক সম্পাদক সোহেল আব্বাস, সাবেক ক্রিকেট খেলোয়াড় আনোয়ারুল আজিম, সাবেক ভলিবল খেলোয়াড় আব্দুল্লাহ আল মামুন সহ আরও অনেকে।
উল্লেখ্য, ১৯৭৬ সালে শিশু-কিশোরদের প্রতিভা অন্বেষণে যাত্রা শুরু হয়েছিল নতুন কুঁড়ির। বাংলাদেশ টেলিভিশনের আশির দশকের জনপ্রিয় এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে অনেক প্রতিভা উঠে এসে শিল্প অঙ্গনে। দীর্ঘদিন পর সেই নতুন কুঁড়ি আবার ফিরে সবুজ মাঠের গালিচায়। যাত্রা শুরু হলো নতুন এক স্বপ্ন- ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস এর।
শত শত শিশু কিশোরদের অংশগ্রহণে মেতে ওঠে সিরাজগঞ্জ শহীদ শামসুদ্দিন স্টেডিয়াম।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, পুরো বাংলাদেশকে ১০টি শক্তিশালী অঞ্চলে বিভক্ত করা হয়েছে। সেগুলো হলো ঢাকা, ফরিদপুর, চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, রংপুর, খুলনা, বরিশাল, সিলেট, রাজশাহী ও ময়মনসিংহ। এসব অঞ্চলের মধ্যে বিভিন্ন জেলা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। প্রতিটি পর্যায়ে একটি শক্তিশালী প্রশাসনিক ও বাস্তবায়ন কমিটি পুরো প্রক্রিয়াটি তদারকি করছে, যাতে কোন মেধা অবমূল্যায়িত না হয়।
ফুটবল, ক্রিকেট, কাবাডি ও ব্যাডমিন্টনে প্রতিটি পর্যায়ে নক আউট পদ্ধতিতে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। দাবায় আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ীয় সুইস লিগ পদ্ধতিতে খেলা হবে। ব্যক্তিগত ইভেন্ট অ্যাথলেটিক্স, সাঁতার ও মার্শাল আর্টের ক্ষেত্রে প্রাথমিক বাছাই (হিট/নকআউট) এবং ফাইনাল রাউন্ডের মাধ্যমে নির্ধারণ করা হবে ফলাফল।
নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসে অংশগ্রহণকারী কিশোর-কিশোরীদের উৎসাহ প্রদানের লক্ষ্যে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় থেকে নির্ধারিত হারে ভাতা প্রদান করা হবে। প্রতিটি খেলোয়াড়কে জেলা পর্যায় থেকে জার্সি প্রদান করা হবে। প্রতিযোগিতার প্রতিটি পর্যায়ে তাদের স্বীকৃতিস্বরূপ প্রদান করা হবে সনদপত্র।

নিজস্ব প্রতিবেদক। জনতার কণ্ঠ.কম 



















