সিরাজগঞ্জ , রবিবার, ১০ মে ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo বিদ্যুৎমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর ৭৬তম জন্মদিন আজ Logo আইনজীবী আলিফ হত্যা মামলা: চিন্ময় দাশকে জামিন দেননি হাইকোর্ট Logo বিনামূল্যে বিদ্যুৎ ও মাদকমুক্ত তামিলনাড়ুর প্রতিশ্রুতি বিজয়ের Logo রায়গঞ্জে গরু চুরি রোধে ‘বাঁশ ব্যারিয়ার: ব্যতিক্রমী উদ্যোগে খামারিদের স্বস্তি  Logo কোটি টাকার হেরোইনসহ নারী মাদক কারবারি গ্রেপ্তার Logo রায়গঞ্জে ব্র্যাক সিড অ্যান্ড অ্যাগ্রো এন্টারপ্রাইজের উদ্যোগে ধানের অধিক ফলন নিশ্চিতে প্রশিক্ষণ কর্মশালা Logo রায়গঞ্জে ঝুঁকিপূর্ণ ব্রিজ, লাল নিশানায় চলছে সতর্কতা Logo কামারখন্দে সড়ক দুর্ঘটনায় বুদ্ধি প্রতিবন্ধী যুবকের মৃত্যু Logo শপথ নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হলেন বিজয় Logo সিরাজগঞ্জে নির্মিত হচ্ছে আধুনিক ‘আল-আকসা কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ’ কমপ্লেক্স

মানসিক অবসাদ ও ডায়াবেটিসের সম্পর্ক বুঝে নিন

  • রিপোর্টার:
  • আপডেট টাইম : ১১:০০:৩৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৫
  • 36

লাইফস্টাইল ডেস্ক। জনতার কণ্ঠ.কম

আমরা অনেক সময় শরীর আর মনের সমস্যাকে আলাদা করে দেখি। কিন্তু বাস্তবে, এই দুটো একে অপরের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িয়ে। যেমন, ডায়াবেটিস থাকলে অনেক সময় মানুষ মানসিক অবসাদে ভোগেন। আবার কেউ যদি দীর্ঘ সময় মানসিক অবসাদে থাকেন, তার ডায়াবেটিস হওয়ার আশঙ্কাও বাড়ে।

তবে ভালো খবর হলো—এই দুই সমস্যার সম্পর্ক যেহেতু জড়িত, তাই একটার চিকিৎসা করলে অন্যটার উপকারও হতে পারে। চলুন দেখে নেওয়া যাক, কীভাবে মন ও শরীর একে অপরকে প্রভাবিত করে।

কীভাবে ডায়াবেটিস ও মানসিক অবসাদ একে অপরকে প্রভাবিত করে?

ডায়াবেটিস থেকে মানসিক উদ্বেগ

বিশেষজ্ঞদের মতে, ডায়াবেটিসের মতো দীর্ঘস্থায়ী রোগ শরীরের পাশাপাশি মানসিক চাপও বাড়ায়। রোগ সংক্রান্ত দুশ্চিন্তা, রোজকার নিয়ম মানা, ওষুধ খাওয়া—এসবই মানসিকভাবে ক্লান্ত করে দেয়। অনেকেই এতে অবসাদে ভোগেন।

অভ্যাসে হঠাৎ পরিবর্তন, মন খারাপের কারণ

ডায়াবেটিস হলে খাওয়াদাওয়া থেকে শুরু করে জীবনযাত্রায় অনেক পরিবর্তন আনতে হয়। এই হঠাৎ পরিবর্তন অনেকের কাছে মানিয়ে নেওয়া কঠিন হয়, যার ফলে মানসিক চাপ বাড়ে।

মানসিক চাপ হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট করে

মনের চাপ বা অবসাদ শরীরের হরমোনে প্রভাব ফেলে—যেমন কর্টিসল বা স্ট্রেস হরমোন। এসব হরমোন বেড়ে গেলে রক্তে শর্করার পরিমাণও বেড়ে যেতে পারে, যা ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়ায়।

অবসাদ থেকে অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন

মানসিক অবসাদে থাকা অনেকেই অতিরিক্ত ধূমপান, মদ্যপান বা অনিয়মিত খাওয়াদাওয়ায় অভ্যস্ত হয়ে পড়েন। অনেকে শরীরচর্চাও বন্ধ করে দেন। এসব অভ্যাস ডায়াবেটিস হওয়ার সম্ভাবনা অনেকটাই বাড়িয়ে দেয়।

যেহেতু ডায়াবেটিস ও মানসিক অবসাদ একে অপরের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত, তাই শুধু শরীর নয়, মনকেও সময় দেওয়া খুব জরুরি। স্বাস্থ্যকর খাওয়াদাওয়া, নিয়মিত ব্যায়াম, প্রয়োজন হলে কাউন্সেলিং—সব মিলিয়ে জীবনকে একটু সহজ ও নিয়ন্ত্রিত করে তোলাই এই দুই রোগ মোকাবিলার মূল চাবিকাঠি।

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিদ্যুৎমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর ৭৬তম জন্মদিন আজ

মানসিক অবসাদ ও ডায়াবেটিসের সম্পর্ক বুঝে নিন

আপডেট টাইম : ১১:০০:৩৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৫

লাইফস্টাইল ডেস্ক। জনতার কণ্ঠ.কম

আমরা অনেক সময় শরীর আর মনের সমস্যাকে আলাদা করে দেখি। কিন্তু বাস্তবে, এই দুটো একে অপরের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িয়ে। যেমন, ডায়াবেটিস থাকলে অনেক সময় মানুষ মানসিক অবসাদে ভোগেন। আবার কেউ যদি দীর্ঘ সময় মানসিক অবসাদে থাকেন, তার ডায়াবেটিস হওয়ার আশঙ্কাও বাড়ে।

তবে ভালো খবর হলো—এই দুই সমস্যার সম্পর্ক যেহেতু জড়িত, তাই একটার চিকিৎসা করলে অন্যটার উপকারও হতে পারে। চলুন দেখে নেওয়া যাক, কীভাবে মন ও শরীর একে অপরকে প্রভাবিত করে।

কীভাবে ডায়াবেটিস ও মানসিক অবসাদ একে অপরকে প্রভাবিত করে?

ডায়াবেটিস থেকে মানসিক উদ্বেগ

বিশেষজ্ঞদের মতে, ডায়াবেটিসের মতো দীর্ঘস্থায়ী রোগ শরীরের পাশাপাশি মানসিক চাপও বাড়ায়। রোগ সংক্রান্ত দুশ্চিন্তা, রোজকার নিয়ম মানা, ওষুধ খাওয়া—এসবই মানসিকভাবে ক্লান্ত করে দেয়। অনেকেই এতে অবসাদে ভোগেন।

অভ্যাসে হঠাৎ পরিবর্তন, মন খারাপের কারণ

ডায়াবেটিস হলে খাওয়াদাওয়া থেকে শুরু করে জীবনযাত্রায় অনেক পরিবর্তন আনতে হয়। এই হঠাৎ পরিবর্তন অনেকের কাছে মানিয়ে নেওয়া কঠিন হয়, যার ফলে মানসিক চাপ বাড়ে।

মানসিক চাপ হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট করে

মনের চাপ বা অবসাদ শরীরের হরমোনে প্রভাব ফেলে—যেমন কর্টিসল বা স্ট্রেস হরমোন। এসব হরমোন বেড়ে গেলে রক্তে শর্করার পরিমাণও বেড়ে যেতে পারে, যা ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়ায়।

অবসাদ থেকে অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন

মানসিক অবসাদে থাকা অনেকেই অতিরিক্ত ধূমপান, মদ্যপান বা অনিয়মিত খাওয়াদাওয়ায় অভ্যস্ত হয়ে পড়েন। অনেকে শরীরচর্চাও বন্ধ করে দেন। এসব অভ্যাস ডায়াবেটিস হওয়ার সম্ভাবনা অনেকটাই বাড়িয়ে দেয়।

যেহেতু ডায়াবেটিস ও মানসিক অবসাদ একে অপরের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত, তাই শুধু শরীর নয়, মনকেও সময় দেওয়া খুব জরুরি। স্বাস্থ্যকর খাওয়াদাওয়া, নিয়মিত ব্যায়াম, প্রয়োজন হলে কাউন্সেলিং—সব মিলিয়ে জীবনকে একটু সহজ ও নিয়ন্ত্রিত করে তোলাই এই দুই রোগ মোকাবিলার মূল চাবিকাঠি।