প্রতিবেদক, রাণীনগর (নওগাঁ)। জনতার কণ্ঠ.কম
নওগাঁর রাণীনগর উপজেলার পারইল উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি হতে না পেরে বিদ্যালয়ের নির্মিত একটি দোকানঘর ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান জাহিদুর রহমান ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে।
বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) পারইল উচ্চ বিদ্যালয়ে এই ভাঙচুরের ঘটনাটি ঘটেছে। এ ঘটনায় বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
অভিযোগে উল্লেখ করা করা হয়. গত বৃহস্পতিবার সকালে ইউপি চেয়ারম্যান জাহিদ ১৫-২০ জন সহযোগী নিয়ে তিনি পারইল উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রবেশ করেন। এ সময় চেয়ারম্যান জাহিদের নেতৃত্বে তার কয়েকজন সহযোগী বিদ্যালয় চত্বরে থাকা বিদ্যালয়ের একটি নতুন দোকানঘর ভাঙচুর করেন। এরপর অন্যান্য স্থাপনাতেও হামলা চালানো হয়। পরে স্থানীয় লোকজন ও বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সদস্যরা এগিয়ে গেলে তারা সেখান থেকে চলে যান।
বিদ্যালয়ের আয়া মোছা. রাবেয়া বসরী বলেন, চেয়ারম্যান জাহিদের নেতৃত্বে বিদ্যালয়ের নবনির্মিত দোকানঘর ভাঙচুর করা হয়েছে। আমি ঘটনাটি ভিডিও করতে গেলে হামলাকারীরা অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে আমার হাতে থাকা মোবাইল ফোন ভেঙে দেন। আমি এ ঘটনার বিচার চাই।
বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক গোপাল চন্দ্র সাহা অভিযোগ করেন, চেয়ারম্যান জাহিদ বিদ্যালয়ের সভাপতি হতে না পেরে এসব কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছে। গত ৮ সেপ্টেম্বর চেয়ারম্যান নিজে বিদ্যালয়ে এসে আমাকে নানাভাবে হুমকি দিয়েছেন। এ ঘটনায় আমি থানায় জিডি করেছি। এর জের ধরেই বৃহস্পতিবার বিদ্যালয়ের নির্মিত দোকানঘর ভাঙচুর ও অন্যান্য স্থাপনাতে হামলা হয়। আমি এই ঘটনার তদন্ত ও বিচার চেয়ে ঊর্দ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করেছি।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে সকল অভিযোগ অস্বীকার করে উপজেলার পারইল ইউপি চেয়ারম্যান জাহিদুর রহমান জাহিদ বলেন, আমি কোনো ভাঙচুর করিনি। এসব অভিযোগ মিথ্যা। তবে বিদ্যালয়ে অ্যাসেম্বলি না করায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ করেছি।
এ বিষয়ে রাণীনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রাকিবুল হাসান বলেন, এ ঘটনায় আমি এখনো কোন লিখিত অভিযোগ পাইনি। তারা যদি অভিযোগ দিয়ে থাকে তাহলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

রিপোর্টার: 



















