সিরাজগঞ্জ , বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬

সাবেক পুলিশ সার্জেন্টকে ৩ বছরের কারাদণ্ড

চট্টগ্রাম আদালত ভবন। ছবি: সংগৃহীত

চট্টগ্রামে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও সম্পদের তথ্য গোপনের মামলায় পুলিশের সাবেক সার্জেন্ট বেলায়েত হোসেনকে তিন বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৮৯ লাখ ৭৭ হাজার ৭৪২ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন না। তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

 

 

 

 

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. মিজানুর রহমান এ রায় দেন। দুদকের পিপি রেজাউল করিম রনি গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

 

 

 

 

দুদকের অনুসন্ধান ও মামলার নথি অনুযায়ী, বেলায়েত হোসেনের নামে ১ কোটি ৫১ লাখ ৬১ হাজার ৪৬৩ টাকা মূল্যের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের তথ্য পাওয়া যায়। এর বিপরীতে তার বৈধ ও গ্রহণযোগ্য আয় ছিল ১ কোটি ৩৭ লাখ ৬৮ হাজার ৮৪৭ টাকা। আবার আয়কর নথিতে তার ঘোষিত ব্যয় ও খরচের পরিমাণ ছিল ৮৪ লাখ ৮ হাজার ৬৯১ টাকা। সম্পদ ও ব্যয়ের হিসাব মিলিয়ে তার মোট অর্থের পরিমাণ দাঁড়ায় ২ কোটি ৩৫ লাখ ৭০ হাজার ১৫৪ টাকা। বৈধ আয়ের সঙ্গে এই অর্থের তুলনায় ৯৮ লাখ ১ হাজার ৩০৭ টাকা জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ হিসেবে শনাক্ত করে দুদক।

 

এ ছাড়া দুদকে দাখিল করা সম্পদ বিবরণীতে বেলায়েত হোসেন নিজের নামে ৮৫ লাখ ৭৮ হাজার ২৮৪ টাকা মূল্যের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের তথ্য দেখিয়েছিলেন। যাচাইয়ে তার নামে ১ কোটি ৫১ লাখ ৬১ হাজার ৪৬৩ টাকা মূল্যের সম্পদের তথ্য পাওয়া যায়। অর্থাৎ ৬৫ লাখ ৮৩ হাজার ১৭৯ টাকা মূল্যের সম্পদের তথ্য তিনি গোপন করেছেন বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়।

দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়, চট্টগ্রাম-২- এর সহকারী পরিচালক মো. মনজুর আলম বাদী হয়ে ২০০৯ সালের ২০ জুলাই বেলায়েত হোসেনের বিরুদ্ধে মামলাটি করেন। মামলায় দুদকের পক্ষে ১০ জন আদালতে সাক্ষ্য দেন।

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সাবেক পুলিশ সার্জেন্টকে ৩ বছরের কারাদণ্ড

আপডেট টাইম : ০৪:৫৭:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬

চট্টগ্রামে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও সম্পদের তথ্য গোপনের মামলায় পুলিশের সাবেক সার্জেন্ট বেলায়েত হোসেনকে তিন বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৮৯ লাখ ৭৭ হাজার ৭৪২ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন না। তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

 

 

 

 

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. মিজানুর রহমান এ রায় দেন। দুদকের পিপি রেজাউল করিম রনি গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

 

 

 

 

দুদকের অনুসন্ধান ও মামলার নথি অনুযায়ী, বেলায়েত হোসেনের নামে ১ কোটি ৫১ লাখ ৬১ হাজার ৪৬৩ টাকা মূল্যের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের তথ্য পাওয়া যায়। এর বিপরীতে তার বৈধ ও গ্রহণযোগ্য আয় ছিল ১ কোটি ৩৭ লাখ ৬৮ হাজার ৮৪৭ টাকা। আবার আয়কর নথিতে তার ঘোষিত ব্যয় ও খরচের পরিমাণ ছিল ৮৪ লাখ ৮ হাজার ৬৯১ টাকা। সম্পদ ও ব্যয়ের হিসাব মিলিয়ে তার মোট অর্থের পরিমাণ দাঁড়ায় ২ কোটি ৩৫ লাখ ৭০ হাজার ১৫৪ টাকা। বৈধ আয়ের সঙ্গে এই অর্থের তুলনায় ৯৮ লাখ ১ হাজার ৩০৭ টাকা জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ হিসেবে শনাক্ত করে দুদক।

 

এ ছাড়া দুদকে দাখিল করা সম্পদ বিবরণীতে বেলায়েত হোসেন নিজের নামে ৮৫ লাখ ৭৮ হাজার ২৮৪ টাকা মূল্যের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের তথ্য দেখিয়েছিলেন। যাচাইয়ে তার নামে ১ কোটি ৫১ লাখ ৬১ হাজার ৪৬৩ টাকা মূল্যের সম্পদের তথ্য পাওয়া যায়। অর্থাৎ ৬৫ লাখ ৮৩ হাজার ১৭৯ টাকা মূল্যের সম্পদের তথ্য তিনি গোপন করেছেন বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়।

দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়, চট্টগ্রাম-২- এর সহকারী পরিচালক মো. মনজুর আলম বাদী হয়ে ২০০৯ সালের ২০ জুলাই বেলায়েত হোসেনের বিরুদ্ধে মামলাটি করেন। মামলায় দুদকের পক্ষে ১০ জন আদালতে সাক্ষ্য দেন।