সিরাজগঞ্জ , শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
পারিবারিক কলহের অভিযোগ

সেনবাগে পিকআপ চালকের রহস্যজনক মৃত্যু

নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলায় এক পিকআপ চালকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ। পারিবারিক কলহের জের ধরে তিনি আত্মহত্যা করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
নিহত আরিফুল ইসলাম সেনবাগ উপজেলার ৭ নম্বর মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর মোহাম্মদপুর গ্রামের তোফায়েল বাবুর্চির বাড়ির মনির হোসেনের ছেলে। তিনি পেশায় একজন পিকআপ চালক ছিলেন।
বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) বিকেলে বাড়ির পাশ্ববর্তী একটি গাড়ি রাখার গ্যারেজ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে সেনবাগ থানায় নিয়ে আসে। বৃহস্পতিবার সকালে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক নিহতের এক নিকট আত্মীয় জানান, দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক কলহের কারণে আরিফুল ইসলাম মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েন। ধারণা করা হচ্ছে, এই পারিবারিক অশান্তির জের ধরেই তিনি বুধবার দিনের কোনো এক সময় গ্যারেজের ভেতরে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন।
দুপুরের দিকে গ্যারেজের মালিক সেখানে গিয়ে আরিফুল ইসলামের মরদেহ ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। এ সময় তিনি চিৎকার দিলে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসেন এবং বিষয়টি সেনবাগ থানায় জানানো হয়। খবর পেয়ে বিকেলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।
এ বিষয়ে সেনবাগ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবুল বাশার বুধবার সন্ধ্যায় ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে থানায় আনা হয়েছে। ময়নাতদন্ত রিপোর্ট পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অদম্য পলি রানী: পা দিয়ে লিখেই দিচ্ছে এইচএসসি পরীক্ষা

পারিবারিক কলহের অভিযোগ

সেনবাগে পিকআপ চালকের রহস্যজনক মৃত্যু

আপডেট টাইম : ০৭:৪২:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫
নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলায় এক পিকআপ চালকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ। পারিবারিক কলহের জের ধরে তিনি আত্মহত্যা করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
নিহত আরিফুল ইসলাম সেনবাগ উপজেলার ৭ নম্বর মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর মোহাম্মদপুর গ্রামের তোফায়েল বাবুর্চির বাড়ির মনির হোসেনের ছেলে। তিনি পেশায় একজন পিকআপ চালক ছিলেন।
বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) বিকেলে বাড়ির পাশ্ববর্তী একটি গাড়ি রাখার গ্যারেজ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে সেনবাগ থানায় নিয়ে আসে। বৃহস্পতিবার সকালে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক নিহতের এক নিকট আত্মীয় জানান, দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক কলহের কারণে আরিফুল ইসলাম মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েন। ধারণা করা হচ্ছে, এই পারিবারিক অশান্তির জের ধরেই তিনি বুধবার দিনের কোনো এক সময় গ্যারেজের ভেতরে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন।
দুপুরের দিকে গ্যারেজের মালিক সেখানে গিয়ে আরিফুল ইসলামের মরদেহ ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। এ সময় তিনি চিৎকার দিলে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসেন এবং বিষয়টি সেনবাগ থানায় জানানো হয়। খবর পেয়ে বিকেলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।
এ বিষয়ে সেনবাগ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবুল বাশার বুধবার সন্ধ্যায় ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে থানায় আনা হয়েছে। ময়নাতদন্ত রিপোর্ট পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।