সিরাজগঞ্জ , শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo মমতাকে অব্যাহতি দিয়ে ভেঙে দেওয়া হলো পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রিসভা Logo কবিগুরুর জন্মবার্ষিকী উদযাপনে প্রস্তুত শাহজাদপুরের কাছারিবাড়ি Logo নিকার অনুমোদন: ভূল্লী উপজেলা গঠনে জনসাধারণের উচ্ছ্বাস Logo ধর্ষণ মামলায় নির্দোষ ইমাম জেলে, ডিএনএ পরীক্ষায় বেরিয়ে এলো আসল তথ্য Logo অবৈধভাবে গড়ে উঠা স্থাপনা দখলমুক্ত হবে: পানি সম্পদ মন্ত্রী Logo বিদ্যুৎ মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি: বিদ্যুৎমন্ত্রী Logo  বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ও ট্রান্সফরমার চোর চক্রের ৯ সদস্য গ্রেফতার Logo মাদক সেবনের দায়ে কারাদণ্ড, কলেজ ছাত্রদল সভাপতি বহিষ্কার Logo মাসুদ উদ্দিনকে জুলাই হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল Logo ইসরায়েলকে হুমকি দিলে কঠিন পরিণতি: নেতানিয়াহুর হুঁশিয়ারি

স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে কমপ্লিট শাটডাউনের হুঁশিয়ারি

চাকরি শুরুর সময় দশম গ্রেড কর্মকর্তার পদমর্যাদা বাস্তবায়নের দাবিতে বগুড়ায় একযোগে চার ঘণ্টার কর্মবিরতি পালন করেছেন মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টরা।

দ্রুত এ দাবি মানা না হলে আগামী ৪ ডিসেম্বর থেকে সারাদেশের সব সরকারি-বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে পূর্ণদিবসের কমপ্লিট শাটডাউন কর্মসূচি পালন করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন তারা।

বুধবার (৩ ডিসেম্বর) দুপুরে বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালের সামনে এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়।

এ সময় শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালসহ জেলার সব সরকারি-বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে প্যাথলজিক্যাল পরীক্ষা, এক্স-রে, সিটি স্ক্যান, ব্লাড ব্যাংকসহ জরুরি অনেক কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। জরুরি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করাতে না পেরে অনেক রোগীকে হতাশ হয়ে ফিরে যেতে দেখা যায়। ফলে চরম ভোগান্তিতে পড়েন চিকিৎসা নিতে আসা রোগীরা।

মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্ট দশম গ্রেড বাস্তবায়ন পরিষদের কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে সকাল ৮টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত এই কর্মবিরতি পালিত হয়। শজিমেক হাসপাতাল, ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট মোহাম্মদ আলী হাসপাতাল, টিবি ক্লিনিক, সকল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, উপস্বাস্থ্য কেন্দ্র এবং বিভিন্ন ডায়াগনস্টিক সেন্টারে কর্মরত টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টরা এতে অংশ নেন। কর্মসূচি চলাকালে শজিমেক হাসপাতালের সামনে জড়ো হয়ে তারা তাদের ন্যায্য দাবি দ্রুত বাস্তবায়নের আহ্বান জানান।

নেতারা অভিযোগ করে বলেন, একই শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও ডিপ্লোমা নার্স, ডিপ্লোমা প্রকৌশলী, ডিপ্লোমা কৃষিবিদরা যেখানে চাকরিতে যোগদান করেন দশম গ্রেড কর্মকর্তা হিসেবে, সেখানে মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টদের চাকরি শুরু ও শেষ করতে হয় ১১তম গ্রেডের কর্মচারী হিসেবে। এটিকে স্বাস্থ্য খাতে চরম বৈষম্য হিসেবে আখ্যায়িত করেন তারা।

নেতাকর্মীরা জানান, দীর্ঘদিনের এ বৈষম্যের অবসান ঘটাতে তাদের একটাই দাবি— চাকরি যোগদানের সময় দশম গ্রেড কর্মকর্তার পদমর্যাদা বাস্তবায়ন করা।

কর্মসূচিতে উপস্থিত নেতারা দ্ব্যর্থহীনভাবে জানিয়েছেন, তাদের এই যৌক্তিক দাবি দ্রুত বাস্তবায়ন করা না হলে ৪ ডিসেম্বর থেকে সারাদেশের সব সরকারি-বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে পূর্ণদিবসের কমপ্লিট শাটডাউন কর্মসূচি পালন করা হবে।

কর্মসূচিতে অন্যদের মধ্যে মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্ট এরশাদ হোসেন, শরিফুল ইসলাম, আহমেদ আলী, ইয়াকুব, বদিউজ্জামান, আব্দুল মান্নান, সোহান তালুকদার, আব্দুর রশিদ, আবুল কালাম আজাদ, আলমগীর, আশরাফুল ইসলাম, সাব্বির হোসেন, আব্দুস সাত্তার, ফিরোজ আহম্মেদ, আফজাল হোসেন, হুমায়ুন কবির প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মমতাকে অব্যাহতি দিয়ে ভেঙে দেওয়া হলো পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রিসভা

স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে কমপ্লিট শাটডাউনের হুঁশিয়ারি

আপডেট টাইম : ০৫:৩৯:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২৫

চাকরি শুরুর সময় দশম গ্রেড কর্মকর্তার পদমর্যাদা বাস্তবায়নের দাবিতে বগুড়ায় একযোগে চার ঘণ্টার কর্মবিরতি পালন করেছেন মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টরা।

দ্রুত এ দাবি মানা না হলে আগামী ৪ ডিসেম্বর থেকে সারাদেশের সব সরকারি-বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে পূর্ণদিবসের কমপ্লিট শাটডাউন কর্মসূচি পালন করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন তারা।

বুধবার (৩ ডিসেম্বর) দুপুরে বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালের সামনে এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়।

এ সময় শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালসহ জেলার সব সরকারি-বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে প্যাথলজিক্যাল পরীক্ষা, এক্স-রে, সিটি স্ক্যান, ব্লাড ব্যাংকসহ জরুরি অনেক কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। জরুরি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করাতে না পেরে অনেক রোগীকে হতাশ হয়ে ফিরে যেতে দেখা যায়। ফলে চরম ভোগান্তিতে পড়েন চিকিৎসা নিতে আসা রোগীরা।

মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্ট দশম গ্রেড বাস্তবায়ন পরিষদের কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে সকাল ৮টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত এই কর্মবিরতি পালিত হয়। শজিমেক হাসপাতাল, ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট মোহাম্মদ আলী হাসপাতাল, টিবি ক্লিনিক, সকল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, উপস্বাস্থ্য কেন্দ্র এবং বিভিন্ন ডায়াগনস্টিক সেন্টারে কর্মরত টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টরা এতে অংশ নেন। কর্মসূচি চলাকালে শজিমেক হাসপাতালের সামনে জড়ো হয়ে তারা তাদের ন্যায্য দাবি দ্রুত বাস্তবায়নের আহ্বান জানান।

নেতারা অভিযোগ করে বলেন, একই শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও ডিপ্লোমা নার্স, ডিপ্লোমা প্রকৌশলী, ডিপ্লোমা কৃষিবিদরা যেখানে চাকরিতে যোগদান করেন দশম গ্রেড কর্মকর্তা হিসেবে, সেখানে মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টদের চাকরি শুরু ও শেষ করতে হয় ১১তম গ্রেডের কর্মচারী হিসেবে। এটিকে স্বাস্থ্য খাতে চরম বৈষম্য হিসেবে আখ্যায়িত করেন তারা।

নেতাকর্মীরা জানান, দীর্ঘদিনের এ বৈষম্যের অবসান ঘটাতে তাদের একটাই দাবি— চাকরি যোগদানের সময় দশম গ্রেড কর্মকর্তার পদমর্যাদা বাস্তবায়ন করা।

কর্মসূচিতে উপস্থিত নেতারা দ্ব্যর্থহীনভাবে জানিয়েছেন, তাদের এই যৌক্তিক দাবি দ্রুত বাস্তবায়ন করা না হলে ৪ ডিসেম্বর থেকে সারাদেশের সব সরকারি-বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে পূর্ণদিবসের কমপ্লিট শাটডাউন কর্মসূচি পালন করা হবে।

কর্মসূচিতে অন্যদের মধ্যে মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্ট এরশাদ হোসেন, শরিফুল ইসলাম, আহমেদ আলী, ইয়াকুব, বদিউজ্জামান, আব্দুল মান্নান, সোহান তালুকদার, আব্দুর রশিদ, আবুল কালাম আজাদ, আলমগীর, আশরাফুল ইসলাম, সাব্বির হোসেন, আব্দুস সাত্তার, ফিরোজ আহম্মেদ, আফজাল হোসেন, হুমায়ুন কবির প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।