সিরাজগঞ্জ , মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo হোসেনপুরে ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে, চিকিৎসায় প্রস্তুত হাসপাতাল Logo টেন্ডার ছাড়াই ভবন নির্মাণ শুরু চেয়ারম্যানের, বন্ধ করলেন ইউএনও Logo ‘ঘাড় থেকে মাথা সরিয়ে দেব’, বিএনপি নেতাকে হুঁশিয়ারি স্বেচ্ছাসেবক দল সভাপতির Logo নওগাঁ কারা হেফাজতে থাকা বগুড়ার আওয়ামী লীগ নেতার মৃত্যু Logo ডেঙ্গুতে নতুন করে ৬ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ২ হাজার ১০ জন Logo থাপ্পড়কাণ্ডে শাহজালাল রুমিকে আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ Logo জাজিরায় মৃত্যুর দুই মাস পরের দলিলে জমি দাবি, বিরোধে দুই পক্ষ Logo ৭ নভেম্বর ৬ ঘণ্টার জন্য টোল ফ্রি ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে Logo সৌদি আরবে হামলা:পিছিয়েই গেল এশিয়ান কাপ Logo জাজিরার নাওডোবায় মৃত ব্যক্তির নামে দলিল সৃজনের অভিযোগ

৩৩ বছর পর ঐতিহাসিক জন্তর মন্তরে বিক্ষোভে নিষেধাজ্ঞা

ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে গত ১৩ অক্টোবর পাটনায় বিক্ষোভ করেন অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের (এআইএসএ) কর্মীরা। ব্যারিকেড পার হয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশের সঙ্গে তাদের ধস্তাধস্তি হয়। ছবি: রয়টার্স

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির ঐতিহাসিক জন্তর মন্তরে বিক্ষোভ করার অনুমতি বাতিল করেছে পুলিশ। তিন দশকের বেশি সময় ধরে জায়গাটি ছিল বিভিন্ন দাবি আদায় ও সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের পরিচিত কেন্দ্র। সিদ্ধান্তটি নিয়ে অধিকারকর্মীদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

 

 

 

 

১৮ শতকের জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক পর্যবেক্ষণকেন্দ্র জন্তর মন্তরের পাশের সড়কটি ১৯৯৩ সালে বিক্ষোভস্থল হিসেবে নির্ধারণ করা হয়। এরপর শ্রমিক সংগঠন, সাবেক সেনাসদস্য, নারী অধিকারকর্মী ও শিক্ষার্থীরা সেখানে বিভিন্ন দাবিতে সমাবেশ করেছেন।

 

 

 

 

সম্প্রতি নির্বাচনি তালিকা সংশোধন নিয়ে বিতর্কের জেরে তরুণদের একটি আন্দোলন সেখানে বিক্ষোভের চেষ্টা করে। সমালোচকদের আশঙ্কা, এই সংশোধনের ফলে যোগ্য ভোটারদের কেউ কেউ ভোটাধিকার হারাতে পারেন। এ নিয়ে পুলিশের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের সংঘর্ষের পর জন্তর মন্তরে বিক্ষোভের অনুমতি বাতিলের সিদ্ধান্ত আসে।

দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে, বিক্ষোভের জন্য বিকল্প স্থান নির্ধারণের বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশনা অনুসরণ করেই এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। দিল্লির বাইরে দুটি স্থান এবং শহরের তুলনামূলক কেন্দ্রীয় এলাকায় রামলীলা ময়দানে সমাবেশের সুযোগ রয়েছে।

তবে অধিকারকর্মীদের মতে, জন্তর মন্তরের অবস্থান সংসদ, সরকারি দপ্তর ও সংবাদমাধ্যমের কাছাকাছি হওয়ায় সেখানে বিক্ষোভ সহজে মানুষের নজরে আসত। অন্যত্র সরিয়ে নিলে অংশগ্রহণ কমতে পারে এবং আন্দোলনের প্রচারও বাধাগ্রস্ত হতে পারে।

 

 

 

অন্যদিকে, ওই এলাকার কিছু বাসিন্দা পুলিশের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন। তাদের অভিযোগ, বিক্ষোভের কারণে সড়কে বাধা, শব্দদূষণ ও ময়লা-আবর্জনা তৈরি হয়, যা দৈনন্দিন জীবন ব্যাহত করে।

আন্দোলনকারীরা অবশ্য জানিয়েছেন, নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও তারা জন্তর মন্তরে প্রতিবাদ চালিয়ে যেতে চান। তাদের মতে, জায়গাটি প্রতিবাদের প্রতীক হয়ে উঠেছে।

তথ্যসূত্র: ডন/এএফপি

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হোসেনপুরে ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে, চিকিৎসায় প্রস্তুত হাসপাতাল

৩৩ বছর পর ঐতিহাসিক জন্তর মন্তরে বিক্ষোভে নিষেধাজ্ঞা

আপডেট টাইম : ০৯:২৬:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির ঐতিহাসিক জন্তর মন্তরে বিক্ষোভ করার অনুমতি বাতিল করেছে পুলিশ। তিন দশকের বেশি সময় ধরে জায়গাটি ছিল বিভিন্ন দাবি আদায় ও সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের পরিচিত কেন্দ্র। সিদ্ধান্তটি নিয়ে অধিকারকর্মীদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

 

 

 

 

১৮ শতকের জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক পর্যবেক্ষণকেন্দ্র জন্তর মন্তরের পাশের সড়কটি ১৯৯৩ সালে বিক্ষোভস্থল হিসেবে নির্ধারণ করা হয়। এরপর শ্রমিক সংগঠন, সাবেক সেনাসদস্য, নারী অধিকারকর্মী ও শিক্ষার্থীরা সেখানে বিভিন্ন দাবিতে সমাবেশ করেছেন।

 

 

 

 

সম্প্রতি নির্বাচনি তালিকা সংশোধন নিয়ে বিতর্কের জেরে তরুণদের একটি আন্দোলন সেখানে বিক্ষোভের চেষ্টা করে। সমালোচকদের আশঙ্কা, এই সংশোধনের ফলে যোগ্য ভোটারদের কেউ কেউ ভোটাধিকার হারাতে পারেন। এ নিয়ে পুলিশের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের সংঘর্ষের পর জন্তর মন্তরে বিক্ষোভের অনুমতি বাতিলের সিদ্ধান্ত আসে।

দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে, বিক্ষোভের জন্য বিকল্প স্থান নির্ধারণের বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশনা অনুসরণ করেই এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। দিল্লির বাইরে দুটি স্থান এবং শহরের তুলনামূলক কেন্দ্রীয় এলাকায় রামলীলা ময়দানে সমাবেশের সুযোগ রয়েছে।

তবে অধিকারকর্মীদের মতে, জন্তর মন্তরের অবস্থান সংসদ, সরকারি দপ্তর ও সংবাদমাধ্যমের কাছাকাছি হওয়ায় সেখানে বিক্ষোভ সহজে মানুষের নজরে আসত। অন্যত্র সরিয়ে নিলে অংশগ্রহণ কমতে পারে এবং আন্দোলনের প্রচারও বাধাগ্রস্ত হতে পারে।

 

 

 

অন্যদিকে, ওই এলাকার কিছু বাসিন্দা পুলিশের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন। তাদের অভিযোগ, বিক্ষোভের কারণে সড়কে বাধা, শব্দদূষণ ও ময়লা-আবর্জনা তৈরি হয়, যা দৈনন্দিন জীবন ব্যাহত করে।

আন্দোলনকারীরা অবশ্য জানিয়েছেন, নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও তারা জন্তর মন্তরে প্রতিবাদ চালিয়ে যেতে চান। তাদের মতে, জায়গাটি প্রতিবাদের প্রতীক হয়ে উঠেছে।

তথ্যসূত্র: ডন/এএফপি