সিরাজগঞ্জ , শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo মমতাকে অব্যাহতি দিয়ে ভেঙে দেওয়া হলো পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রিসভা Logo কবিগুরুর জন্মবার্ষিকী উদযাপনে প্রস্তুত শাহজাদপুরের কাছারিবাড়ি Logo নিকার অনুমোদন: ভূল্লী উপজেলা গঠনে জনসাধারণের উচ্ছ্বাস Logo ধর্ষণ মামলায় নির্দোষ ইমাম জেলে, ডিএনএ পরীক্ষায় বেরিয়ে এলো আসল তথ্য Logo অবৈধভাবে গড়ে উঠা স্থাপনা দখলমুক্ত হবে: পানি সম্পদ মন্ত্রী Logo বিদ্যুৎ মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি: বিদ্যুৎমন্ত্রী Logo  বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ও ট্রান্সফরমার চোর চক্রের ৯ সদস্য গ্রেফতার Logo মাদক সেবনের দায়ে কারাদণ্ড, কলেজ ছাত্রদল সভাপতি বহিষ্কার Logo মাসুদ উদ্দিনকে জুলাই হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল Logo ইসরায়েলকে হুমকি দিলে কঠিন পরিণতি: নেতানিয়াহুর হুঁশিয়ারি

অটোরিকশার পর্দা ছিড়ে ট্রাফিক বললেন, ‘পিটাইয়া গাড়ি ভাঙা উচিত’

  • রিপোর্টার:
  • আপডেট টাইম : ১১:০২:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ নভেম্বর ২০২৫
  • 127
রাজশাহীতে অটোরিকশা চালকের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়েছেন মো. আরেফিন নামে ট্রাফিক পুলিশের এক সদস্য। এ সময় তিনি অটোরিকশার পেছনের অংশে লাগানো পর্দা কাপড় টেনে ছিঁড়ে ফেলেন। ঘটনাটি কাভার করতে যাওয়া সাংবাদিকদের পেশাগত কাজেও বাধা দেওয়া হয়। বুধবার (১৯ নভেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে নগরীর রেলগেট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, অটোরিকশা চালকের সঙ্গে ট্রাফিক পুলিশের এই আচরণ যথেষ্ট অমানবিক ও অযৌক্তিক ছিল। গাড়ি থেকে নেমে ক্ষতির কথা জানাতে গেলে ওই ট্রাফিক সদস্য আরও ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন এবং অটোরিকশার চাবি নিয়ে সার্জেন্ট মো. শান্তের কাছে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন।
ভুক্তভোগী অটোরিকশা চালক মো. শফিকুল, যার বাড়ি নগরীর বিমান চত্বর এলাকায়, বলেন— আমি রেললাইন থেকে গাড়িটা সাইড করছিলাম। ঠিক তখনই তিনি এসে গাড়ির পেছনের অংশের কাপড় টেনে ছিঁড়ে ফেলেন। এই ক্ষতিটা না করলেও পারতেন। আমি এখন মালিককে কি ভাবে বুঝ দিবো ।
ঘটনাস্থলে উপস্থিত এক সাংবাদিক নিজের পরিচয় দিয়ে ট্রাফিক সদস্য আরেফিনের কাছে জানতে চাইলে পাশে থাকা আরেক ট্রাফিক সদস্য আনোয়ার ওই সাংবাদিকের দিকে তেড়ে আসেন এবং পেশাগত কাজে বাধা দেন। পরে তাকে ট্রাফিক বক্সে অবস্থানরত সার্জেন্ট শান্তর কাছে যেতে বলা হয়।
সার্জেন্ট শান্ত সাংবাদিকের পরিচয়পত্র দেখে সেটির ছবি তোলার চেষ্টা করেন এবং সাংবাদিকদের নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করেন। তিনি বলেন— কী নিউজ হবে, কোনটা পাবলিশ করার মতো! এখন তো হলো ভাই, ছোট একটা শব্দ হলেও আপনারা বলেন—বোমাবাজি হইছে। আপনাদের সাংবাদিকতা এখন এইটাই।
রিকশা–অটোর চলাচল নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে বলতে গিয়ে সার্জেন্ট শান্ত আরও বলেন— রিকশা-অটোর কারণে আমাদের ডিউটি বেশি হয়। কত ভালো করে বলা হয় রাস্তা ফাঁকা রাখতে—তবুও শোনে না। এদের পিটাইয়া গাড়ি ভাঙা উচিত। কাজ করতে করতে ইনসিডেন্ট হইয়া যায়। হাত লাগলে ছিঁড়াইয়া যাইতেই পারে।
এ বিষয়ে জানতে আরএমপি ট্রাফিক বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার নুর আলম সিদ্দিকীর সঙ্গে একাধিকবার ফোনে যোগাযোগ করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি। ফলে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মমতাকে অব্যাহতি দিয়ে ভেঙে দেওয়া হলো পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রিসভা

অটোরিকশার পর্দা ছিড়ে ট্রাফিক বললেন, ‘পিটাইয়া গাড়ি ভাঙা উচিত’

আপডেট টাইম : ১১:০২:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ নভেম্বর ২০২৫
রাজশাহীতে অটোরিকশা চালকের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়েছেন মো. আরেফিন নামে ট্রাফিক পুলিশের এক সদস্য। এ সময় তিনি অটোরিকশার পেছনের অংশে লাগানো পর্দা কাপড় টেনে ছিঁড়ে ফেলেন। ঘটনাটি কাভার করতে যাওয়া সাংবাদিকদের পেশাগত কাজেও বাধা দেওয়া হয়। বুধবার (১৯ নভেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে নগরীর রেলগেট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, অটোরিকশা চালকের সঙ্গে ট্রাফিক পুলিশের এই আচরণ যথেষ্ট অমানবিক ও অযৌক্তিক ছিল। গাড়ি থেকে নেমে ক্ষতির কথা জানাতে গেলে ওই ট্রাফিক সদস্য আরও ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন এবং অটোরিকশার চাবি নিয়ে সার্জেন্ট মো. শান্তের কাছে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন।
ভুক্তভোগী অটোরিকশা চালক মো. শফিকুল, যার বাড়ি নগরীর বিমান চত্বর এলাকায়, বলেন— আমি রেললাইন থেকে গাড়িটা সাইড করছিলাম। ঠিক তখনই তিনি এসে গাড়ির পেছনের অংশের কাপড় টেনে ছিঁড়ে ফেলেন। এই ক্ষতিটা না করলেও পারতেন। আমি এখন মালিককে কি ভাবে বুঝ দিবো ।
ঘটনাস্থলে উপস্থিত এক সাংবাদিক নিজের পরিচয় দিয়ে ট্রাফিক সদস্য আরেফিনের কাছে জানতে চাইলে পাশে থাকা আরেক ট্রাফিক সদস্য আনোয়ার ওই সাংবাদিকের দিকে তেড়ে আসেন এবং পেশাগত কাজে বাধা দেন। পরে তাকে ট্রাফিক বক্সে অবস্থানরত সার্জেন্ট শান্তর কাছে যেতে বলা হয়।
সার্জেন্ট শান্ত সাংবাদিকের পরিচয়পত্র দেখে সেটির ছবি তোলার চেষ্টা করেন এবং সাংবাদিকদের নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করেন। তিনি বলেন— কী নিউজ হবে, কোনটা পাবলিশ করার মতো! এখন তো হলো ভাই, ছোট একটা শব্দ হলেও আপনারা বলেন—বোমাবাজি হইছে। আপনাদের সাংবাদিকতা এখন এইটাই।
রিকশা–অটোর চলাচল নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে বলতে গিয়ে সার্জেন্ট শান্ত আরও বলেন— রিকশা-অটোর কারণে আমাদের ডিউটি বেশি হয়। কত ভালো করে বলা হয় রাস্তা ফাঁকা রাখতে—তবুও শোনে না। এদের পিটাইয়া গাড়ি ভাঙা উচিত। কাজ করতে করতে ইনসিডেন্ট হইয়া যায়। হাত লাগলে ছিঁড়াইয়া যাইতেই পারে।
এ বিষয়ে জানতে আরএমপি ট্রাফিক বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার নুর আলম সিদ্দিকীর সঙ্গে একাধিকবার ফোনে যোগাযোগ করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি। ফলে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।