সিরাজগঞ্জ , শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo মমতাকে অব্যাহতি দিয়ে ভেঙে দেওয়া হলো পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রিসভা Logo কবিগুরুর জন্মবার্ষিকী উদযাপনে প্রস্তুত শাহজাদপুরের কাছারিবাড়ি Logo নিকার অনুমোদন: ভূল্লী উপজেলা গঠনে জনসাধারণের উচ্ছ্বাস Logo ধর্ষণ মামলায় নির্দোষ ইমাম জেলে, ডিএনএ পরীক্ষায় বেরিয়ে এলো আসল তথ্য Logo অবৈধভাবে গড়ে উঠা স্থাপনা দখলমুক্ত হবে: পানি সম্পদ মন্ত্রী Logo বিদ্যুৎ মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি: বিদ্যুৎমন্ত্রী Logo  বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ও ট্রান্সফরমার চোর চক্রের ৯ সদস্য গ্রেফতার Logo মাদক সেবনের দায়ে কারাদণ্ড, কলেজ ছাত্রদল সভাপতি বহিষ্কার Logo মাসুদ উদ্দিনকে জুলাই হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল Logo ইসরায়েলকে হুমকি দিলে কঠিন পরিণতি: নেতানিয়াহুর হুঁশিয়ারি

কামারখন্দ টিটিসি অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে অভিযোগ: তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে গড়িমসি

সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে যাতায়াত ও টিফিন খরচ বাবদ সম্মানী ভাতা ও সনদ প্রদান না করার অভিযোগ উঠেছে কামারখন্দ কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে।

 

 

এঘটনায় প্রতিকার পেতে গত ১৮ জানুয়ারি তৌহিদুল ইসলাম তালুকদার নামে ভুক্তভোগী এক শিক্ষার্থী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর অভিযোগ দিয়েছেন।

 

 

অভিযোগ তদন্তে গত ২০ জানুয়ারি উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শাহ আলমকে আহবায়ক ও উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার আনন্দ কুমার মন্ডলকে সদস্য করে কমিটি গঠন করেছে উপজলা নির্বাহী কর্মকর্তা। কমিটিকে ৫ কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হলেও এক মাসেও প্রতিবেদন জমা দিতে পারেনি তদন্ত কমিটি।

 

 

ভুক্তভোগী তৌহিদুল অ্যাসেট প্রকল্পের আওতায় মোটর ড্রাইভিং এর ২০২৫ সালের (মে-আগষ্ট) কোর্সের শিক্ষার্থী। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, অ্যাসেট প্রকল্পের আওতায় মোটর ড্রাইভিং এর ২০২৫ সালের (মে-আগষ্ট) কোর্সে ২৫ জন শিক্ষার্থী ভর্তি হয়। নভেম্বরে পরীক্ষা হলে সেখানে ১৭জন পরীক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়। পরীক্ষার উত্তীর্ণদের সনদ ও সম্মানী ভাতা বাবদ ১৩ হাজার ৫০০ টাকা দেওয়ার কথা। কিন্তু অধ্যক্ষ এ ব্যাপারে নানা মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন। ভুক্তভোগী তৌহিদুল ইসলাম তালুকদার জানান, সনদ ও টাকার বিষয়ে জানতে গেলে অধ্যক্ষকে প্রতিষ্ঠানে পাওয়া যায় না। পরে তার মুঠোফোনে ফোন দিলে তিনি ধমক দিয়ে বলেন, আপনার জন্য আমাকে বসে থাকতে হবে নাকি, ফাইজলামি করেন নাকি, ডিরেক্টর না থাকলে অফিস চলে না? আপনার যে টাকা দরকার সেই টাকা নিয়ে যাবেন, চেক দিয়ে দিবো আপনাকে। আমাকে দরকার কি আপনার?

 

 

কামারখন্দ কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের অধ্যক্ষ প্রকৌশলী মোহম্মদ গোলাম নবী জানান, অভিযোগ দেওয়া শিক্ষার্থী টাকা কিংবা সনদের ব্যাপারে আমাদের কিছু জানায়নি। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর অভিযোগের প্রেক্ষিতে তদন্ত কমিটি এব্যাপারে তদন্ত করে গেছে। প্রতিবেদন জমা দেওয়ার ব্যাপারে উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার ও তদন্ত কমিটির সদস্য আনন্দ কুমার মন্ডল জানান, নির্বাচনের কারণে প্রতিবেদন জমা দিতে বিলম্ব হয়েছে। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ও তদন্ত কমিটির আহবায়ক শাহ আলম জানান, প্রাথমিক তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি। সোমবার প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে বলে জানান।

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মমতাকে অব্যাহতি দিয়ে ভেঙে দেওয়া হলো পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রিসভা

কামারখন্দ টিটিসি অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে অভিযোগ: তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে গড়িমসি

আপডেট টাইম : ১২:৫৬:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে যাতায়াত ও টিফিন খরচ বাবদ সম্মানী ভাতা ও সনদ প্রদান না করার অভিযোগ উঠেছে কামারখন্দ কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে।

 

 

এঘটনায় প্রতিকার পেতে গত ১৮ জানুয়ারি তৌহিদুল ইসলাম তালুকদার নামে ভুক্তভোগী এক শিক্ষার্থী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর অভিযোগ দিয়েছেন।

 

 

অভিযোগ তদন্তে গত ২০ জানুয়ারি উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শাহ আলমকে আহবায়ক ও উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার আনন্দ কুমার মন্ডলকে সদস্য করে কমিটি গঠন করেছে উপজলা নির্বাহী কর্মকর্তা। কমিটিকে ৫ কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হলেও এক মাসেও প্রতিবেদন জমা দিতে পারেনি তদন্ত কমিটি।

 

 

ভুক্তভোগী তৌহিদুল অ্যাসেট প্রকল্পের আওতায় মোটর ড্রাইভিং এর ২০২৫ সালের (মে-আগষ্ট) কোর্সের শিক্ষার্থী। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, অ্যাসেট প্রকল্পের আওতায় মোটর ড্রাইভিং এর ২০২৫ সালের (মে-আগষ্ট) কোর্সে ২৫ জন শিক্ষার্থী ভর্তি হয়। নভেম্বরে পরীক্ষা হলে সেখানে ১৭জন পরীক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়। পরীক্ষার উত্তীর্ণদের সনদ ও সম্মানী ভাতা বাবদ ১৩ হাজার ৫০০ টাকা দেওয়ার কথা। কিন্তু অধ্যক্ষ এ ব্যাপারে নানা মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন। ভুক্তভোগী তৌহিদুল ইসলাম তালুকদার জানান, সনদ ও টাকার বিষয়ে জানতে গেলে অধ্যক্ষকে প্রতিষ্ঠানে পাওয়া যায় না। পরে তার মুঠোফোনে ফোন দিলে তিনি ধমক দিয়ে বলেন, আপনার জন্য আমাকে বসে থাকতে হবে নাকি, ফাইজলামি করেন নাকি, ডিরেক্টর না থাকলে অফিস চলে না? আপনার যে টাকা দরকার সেই টাকা নিয়ে যাবেন, চেক দিয়ে দিবো আপনাকে। আমাকে দরকার কি আপনার?

 

 

কামারখন্দ কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের অধ্যক্ষ প্রকৌশলী মোহম্মদ গোলাম নবী জানান, অভিযোগ দেওয়া শিক্ষার্থী টাকা কিংবা সনদের ব্যাপারে আমাদের কিছু জানায়নি। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর অভিযোগের প্রেক্ষিতে তদন্ত কমিটি এব্যাপারে তদন্ত করে গেছে। প্রতিবেদন জমা দেওয়ার ব্যাপারে উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার ও তদন্ত কমিটির সদস্য আনন্দ কুমার মন্ডল জানান, নির্বাচনের কারণে প্রতিবেদন জমা দিতে বিলম্ব হয়েছে। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ও তদন্ত কমিটির আহবায়ক শাহ আলম জানান, প্রাথমিক তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি। সোমবার প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে বলে জানান।