সিরাজগঞ্জ , রবিবার, ১০ মে ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo বিদ্যুৎমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর ৭৬তম জন্মদিন আজ Logo আইনজীবী আলিফ হত্যা মামলা: চিন্ময় দাশকে জামিন দেননি হাইকোর্ট Logo বিনামূল্যে বিদ্যুৎ ও মাদকমুক্ত তামিলনাড়ুর প্রতিশ্রুতি বিজয়ের Logo রায়গঞ্জে গরু চুরি রোধে ‘বাঁশ ব্যারিয়ার: ব্যতিক্রমী উদ্যোগে খামারিদের স্বস্তি  Logo কোটি টাকার হেরোইনসহ নারী মাদক কারবারি গ্রেপ্তার Logo রায়গঞ্জে ব্র্যাক সিড অ্যান্ড অ্যাগ্রো এন্টারপ্রাইজের উদ্যোগে ধানের অধিক ফলন নিশ্চিতে প্রশিক্ষণ কর্মশালা Logo রায়গঞ্জে ঝুঁকিপূর্ণ ব্রিজ, লাল নিশানায় চলছে সতর্কতা Logo কামারখন্দে সড়ক দুর্ঘটনায় বুদ্ধি প্রতিবন্ধী যুবকের মৃত্যু Logo শপথ নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হলেন বিজয় Logo সিরাজগঞ্জে নির্মিত হচ্ছে আধুনিক ‘আল-আকসা কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ’ কমপ্লেক্স

ডাকসু নির্বাচনে মিডিয়া ট্রায়ালের শিকার হয়েছি : আবিদ

  • রিপোর্টার:
  • আপডেট টাইম : ০২:৪৬:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • 42

ন্যাশনাল ডেস্ক। জনতার কণ্ঠ.কম
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনে ভোটগ্রহণের দিন মিডিয়া ট্রায়ালের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন ছাত্রদলের ভিপি প্রার্থী আবিদুল ইসলাম আবিদ।

সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) মধুর ক্যান্টিনে ডাকসু নির্বাচনের নানা অনিয়ম নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ তোলেন তিনি।

আবিদ বলেন, নির্বাচনে ভোটার চিহ্নিত করার জন্য যে মারকার পেন ব্যবহার করা হয় তা অস্থায়ী হওয়ায় একই ব্যক্তি একাধিক ভোট দিয়েছে কি না তা নিয়ে সংশয়ে আছে ছাত্রদল। নির্বাচনের ব্যালট পেপার কোন প্রেস থেকে ছাপা হয়েছে তা প্রকাশ করা হয়নি। এ নিয়ে সব অভিযোগ স্পষ্ট, এটাকে আড়াল করার সুযোগ নেই।

তিনি আরও বলেন, নির্বাচনের দিন থেকে পরবর্তী সময়ে যে অসংগতি ছিল, চাইলে আমরা আন্দোলন, মিছিল, মিটিংয়ে যেতে পারতাম। তবে আমরা পূর্বের রাজনৈতিক সংস্কৃতি ভেঙে যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে এগিয়ে চলেছি। তবে নির্বাচনের নানা অভিযোগ নিয়ে লিখিত আবেদন জানানোর পরও আমাদের এড়িয়ে চলছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। নির্বাচনের দিন তিনি নিজেই মিডিয়া ট্রায়ালের শিকার হয়েছেন বলেও দাবি আবিদের।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, নির্বাচনের চার দিন পর বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানানো হয় যে পোলিং এজেন্টদের বাছাই প্রক্রিয়ায় অস্বচ্ছতা ছিল এবং আইডি কার্ড যথাসময়ে দেওয়া হয়নি। পোলিং এজেন্টদের অনুপস্থিতিতে ভোট নেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন আবিদ।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে ভাইস প্রেসিডেন্ট (ভিপি) পদে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৫ হাজার ৭০৮ ভোট পেয়ে হারেন ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেলের প্রার্থী আবিদুল ইসলাম খান। এরপর পরবর্তী ডাকসু নির্বাচন নিয়ে ফেসবুক পোস্টে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা জানান তিনি।

পোস্টে আবিদুল লেখেন, সমগ্র বাংলাদেশের ছাত্ররাজনীতির ইতিবাচক পরিবর্তন নিয়ে আসব, ইনশাআল্লাহ। এর প্রতিফলন আপনারা পরবর্তী ডাকসুতে দেখতে পাবেন। আবিদ আপনাদের কখনো ছেড়ে যাবে না।

তিনি লেখেন, ক্ষুদ্র জীবনে আমি এতদূর আসব কোনোদিন ভাবিনি। নির্বাচনের আগের রাতে খালেদ মুহিউদ্দীন ভাই আমাকে জিজ্ঞেস করেছিলেন, পাঁচ বছর পর নিজেকে কোথায় দেখতে চাই? আমি কোনো সদুত্তর দিতে পারিনি। আসলে কখনোই জানতাম না নিজেকে কোথায় দেখতে হবে। একের পর এক আন্দোলন-সংগ্রাম এসেছে, নিজেকে রাজপথে সঁপে দিয়েছি। সেই পথই আজ আমাকে এতদূর নিয়ে এসেছে।

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিদ্যুৎমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর ৭৬তম জন্মদিন আজ

ডাকসু নির্বাচনে মিডিয়া ট্রায়ালের শিকার হয়েছি : আবিদ

আপডেট টাইম : ০২:৪৬:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৫

ন্যাশনাল ডেস্ক। জনতার কণ্ঠ.কম
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনে ভোটগ্রহণের দিন মিডিয়া ট্রায়ালের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন ছাত্রদলের ভিপি প্রার্থী আবিদুল ইসলাম আবিদ।

সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) মধুর ক্যান্টিনে ডাকসু নির্বাচনের নানা অনিয়ম নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ তোলেন তিনি।

আবিদ বলেন, নির্বাচনে ভোটার চিহ্নিত করার জন্য যে মারকার পেন ব্যবহার করা হয় তা অস্থায়ী হওয়ায় একই ব্যক্তি একাধিক ভোট দিয়েছে কি না তা নিয়ে সংশয়ে আছে ছাত্রদল। নির্বাচনের ব্যালট পেপার কোন প্রেস থেকে ছাপা হয়েছে তা প্রকাশ করা হয়নি। এ নিয়ে সব অভিযোগ স্পষ্ট, এটাকে আড়াল করার সুযোগ নেই।

তিনি আরও বলেন, নির্বাচনের দিন থেকে পরবর্তী সময়ে যে অসংগতি ছিল, চাইলে আমরা আন্দোলন, মিছিল, মিটিংয়ে যেতে পারতাম। তবে আমরা পূর্বের রাজনৈতিক সংস্কৃতি ভেঙে যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে এগিয়ে চলেছি। তবে নির্বাচনের নানা অভিযোগ নিয়ে লিখিত আবেদন জানানোর পরও আমাদের এড়িয়ে চলছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। নির্বাচনের দিন তিনি নিজেই মিডিয়া ট্রায়ালের শিকার হয়েছেন বলেও দাবি আবিদের।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, নির্বাচনের চার দিন পর বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানানো হয় যে পোলিং এজেন্টদের বাছাই প্রক্রিয়ায় অস্বচ্ছতা ছিল এবং আইডি কার্ড যথাসময়ে দেওয়া হয়নি। পোলিং এজেন্টদের অনুপস্থিতিতে ভোট নেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন আবিদ।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে ভাইস প্রেসিডেন্ট (ভিপি) পদে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৫ হাজার ৭০৮ ভোট পেয়ে হারেন ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেলের প্রার্থী আবিদুল ইসলাম খান। এরপর পরবর্তী ডাকসু নির্বাচন নিয়ে ফেসবুক পোস্টে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা জানান তিনি।

পোস্টে আবিদুল লেখেন, সমগ্র বাংলাদেশের ছাত্ররাজনীতির ইতিবাচক পরিবর্তন নিয়ে আসব, ইনশাআল্লাহ। এর প্রতিফলন আপনারা পরবর্তী ডাকসুতে দেখতে পাবেন। আবিদ আপনাদের কখনো ছেড়ে যাবে না।

তিনি লেখেন, ক্ষুদ্র জীবনে আমি এতদূর আসব কোনোদিন ভাবিনি। নির্বাচনের আগের রাতে খালেদ মুহিউদ্দীন ভাই আমাকে জিজ্ঞেস করেছিলেন, পাঁচ বছর পর নিজেকে কোথায় দেখতে চাই? আমি কোনো সদুত্তর দিতে পারিনি। আসলে কখনোই জানতাম না নিজেকে কোথায় দেখতে হবে। একের পর এক আন্দোলন-সংগ্রাম এসেছে, নিজেকে রাজপথে সঁপে দিয়েছি। সেই পথই আজ আমাকে এতদূর নিয়ে এসেছে।