সিরাজগঞ্জ , শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo মমতাকে অব্যাহতি দিয়ে ভেঙে দেওয়া হলো পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রিসভা Logo কবিগুরুর জন্মবার্ষিকী উদযাপনে প্রস্তুত শাহজাদপুরের কাছারিবাড়ি Logo নিকার অনুমোদন: ভূল্লী উপজেলা গঠনে জনসাধারণের উচ্ছ্বাস Logo ধর্ষণ মামলায় নির্দোষ ইমাম জেলে, ডিএনএ পরীক্ষায় বেরিয়ে এলো আসল তথ্য Logo অবৈধভাবে গড়ে উঠা স্থাপনা দখলমুক্ত হবে: পানি সম্পদ মন্ত্রী Logo বিদ্যুৎ মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি: বিদ্যুৎমন্ত্রী Logo  বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ও ট্রান্সফরমার চোর চক্রের ৯ সদস্য গ্রেফতার Logo মাদক সেবনের দায়ে কারাদণ্ড, কলেজ ছাত্রদল সভাপতি বহিষ্কার Logo মাসুদ উদ্দিনকে জুলাই হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল Logo ইসরায়েলকে হুমকি দিলে কঠিন পরিণতি: নেতানিয়াহুর হুঁশিয়ারি

তারেক রহমানের আগমনে বিএনপি নেতাকর্মীরা আরও সাহসী হবে: বাচ্চু

বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান বাচ্চু বলেছেন, বিএনপি নেতাকর্মীদের প্রাণের স্পন্দন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশে আসছেন। এটা আমাদের জন্য অনেক বড় অনুপ্রেরণা। তাকে যখন নেতাকর্মীরা সামনে পাবে তারা আরও সাহসী হবে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারী যে নির্বাচনের ঘোষণা দিয়েছে সেই নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে হলে গণতন্ত্র পূর্ণাঙ্গ রূপ পাবে।

 

তিনি স্মৃতিচারণ করে বলেন, আমি সবসময়ই রাজপথে সরব ছিলাম, আমার নামে ৭৪টি মামলা ছিল। গত ৭ জানুয়ারির নির্বাচনের আগে আমাকে রাত ১২টার সময় তারেক রহমান টেলিফোন করে বলেন আমি তোমাকে ৩০ বছর ধরে চিনি। তুমি আন্দোলন সংগ্রামে পরীক্ষিত সৈনিক। তুমি কড্ডার মোড় থেকে হাটিকুমরুল পর্যন্ত একটি বিক্ষোভ মিছিল করো। তিনি আজ দেশে আসছেন এটা আমার জন্য অনেক বড় বিষয়। তারেক রহমানের মা অসুস্থ্য, তিনি মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছেন, মাকে দেখতে পারেন নাই, মায়ের পাশে দাঁড়াতে পারেন নাই। তাঁর ছোট ভাই মারা গেছেন তার জানাযায় অংশ নিতে পারেন নাই।

 

তারেক রহমানের দেশে আসা বিএনপি নেতাকর্মীদের জন্য অনেক উৎসাহের বিষয়। তারেক রহমান গণতন্ত্র পুণরুদ্ধারের আন্দোলনে নেতাকর্মীদের এক রেখেছিলেন। তাঁর আন্দোলন ছিল এক দফা, ফ্যাসিবাদের উৎখাত করা। তার এই আন্দোলনটা স্বার্থক হয়েছে। তখন থেকেই গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পক্ষে।

 

২৪ এর গণঅভ্যুত্থানের পর একটা শ্রেণী দ্বিতীয় স্বাধীনতার কথা বলেছে। এটা নিয়ে বিতর্ক হয়েছে, মানুষের মাঝে দ্বিধাদ্বন্দ্ব হয়েছে। আসলে স্বাধীনতা যুদ্ধ একবারই হয়েছে, আর ২৪ ছিল গণতন্ত্রের লড়াই। তারেক রহমান ২৪ কেও প্রাধান্য দিয়েছেন একাত্তরকেউ প্রাধান্য দিয়েছেন। ২৪ আর ৭১ এর সমন্বয় ঘটিয়েছেন।

 

যেহেতু বাংলাদেশে তারেক রহমানকে নিয়ে ষড়যন্ত্র রয়েছে। সেই কারণে আমি সিরাজগঞ্জের নেতাকর্মীদের নির্দেশনা দিয়েছি, কেউ মাস্ক বা হেলমেট পড়বেন না। আর তৃণমূল নেতাকর্মীদের পর্যন্ত নির্দেশ দিয়েছি, কে কার পাশে দাঁড়িয়েছে, নতুন কেউ দাঁড়িয়েছে কিনা তার দিকে খেয়াল রাখতে।

 

আমরা জীবনকে বাজি রেখে আমাদের নেতা তারেক রহমানকে টিকিয়ে রাখতে চাই, গণতন্ত্রকে টিকিয়ে রাখতে চাই, স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বকে টিকিয়ে রাখতে চাই।

 

স্বাধীনতা যেন কোন কারণেই বিনষ্ট না হয় সেই কারণে বিএনপির সকল নেতাকে নির্দেশনা দিয়েছি। তারেক রহমান বাংলাদেশের আশার প্রতীক।

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মমতাকে অব্যাহতি দিয়ে ভেঙে দেওয়া হলো পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রিসভা

তারেক রহমানের আগমনে বিএনপি নেতাকর্মীরা আরও সাহসী হবে: বাচ্চু

আপডেট টাইম : ০৭:৩৪:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫

বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান বাচ্চু বলেছেন, বিএনপি নেতাকর্মীদের প্রাণের স্পন্দন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশে আসছেন। এটা আমাদের জন্য অনেক বড় অনুপ্রেরণা। তাকে যখন নেতাকর্মীরা সামনে পাবে তারা আরও সাহসী হবে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারী যে নির্বাচনের ঘোষণা দিয়েছে সেই নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে হলে গণতন্ত্র পূর্ণাঙ্গ রূপ পাবে।

 

তিনি স্মৃতিচারণ করে বলেন, আমি সবসময়ই রাজপথে সরব ছিলাম, আমার নামে ৭৪টি মামলা ছিল। গত ৭ জানুয়ারির নির্বাচনের আগে আমাকে রাত ১২টার সময় তারেক রহমান টেলিফোন করে বলেন আমি তোমাকে ৩০ বছর ধরে চিনি। তুমি আন্দোলন সংগ্রামে পরীক্ষিত সৈনিক। তুমি কড্ডার মোড় থেকে হাটিকুমরুল পর্যন্ত একটি বিক্ষোভ মিছিল করো। তিনি আজ দেশে আসছেন এটা আমার জন্য অনেক বড় বিষয়। তারেক রহমানের মা অসুস্থ্য, তিনি মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছেন, মাকে দেখতে পারেন নাই, মায়ের পাশে দাঁড়াতে পারেন নাই। তাঁর ছোট ভাই মারা গেছেন তার জানাযায় অংশ নিতে পারেন নাই।

 

তারেক রহমানের দেশে আসা বিএনপি নেতাকর্মীদের জন্য অনেক উৎসাহের বিষয়। তারেক রহমান গণতন্ত্র পুণরুদ্ধারের আন্দোলনে নেতাকর্মীদের এক রেখেছিলেন। তাঁর আন্দোলন ছিল এক দফা, ফ্যাসিবাদের উৎখাত করা। তার এই আন্দোলনটা স্বার্থক হয়েছে। তখন থেকেই গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পক্ষে।

 

২৪ এর গণঅভ্যুত্থানের পর একটা শ্রেণী দ্বিতীয় স্বাধীনতার কথা বলেছে। এটা নিয়ে বিতর্ক হয়েছে, মানুষের মাঝে দ্বিধাদ্বন্দ্ব হয়েছে। আসলে স্বাধীনতা যুদ্ধ একবারই হয়েছে, আর ২৪ ছিল গণতন্ত্রের লড়াই। তারেক রহমান ২৪ কেও প্রাধান্য দিয়েছেন একাত্তরকেউ প্রাধান্য দিয়েছেন। ২৪ আর ৭১ এর সমন্বয় ঘটিয়েছেন।

 

যেহেতু বাংলাদেশে তারেক রহমানকে নিয়ে ষড়যন্ত্র রয়েছে। সেই কারণে আমি সিরাজগঞ্জের নেতাকর্মীদের নির্দেশনা দিয়েছি, কেউ মাস্ক বা হেলমেট পড়বেন না। আর তৃণমূল নেতাকর্মীদের পর্যন্ত নির্দেশ দিয়েছি, কে কার পাশে দাঁড়িয়েছে, নতুন কেউ দাঁড়িয়েছে কিনা তার দিকে খেয়াল রাখতে।

 

আমরা জীবনকে বাজি রেখে আমাদের নেতা তারেক রহমানকে টিকিয়ে রাখতে চাই, গণতন্ত্রকে টিকিয়ে রাখতে চাই, স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বকে টিকিয়ে রাখতে চাই।

 

স্বাধীনতা যেন কোন কারণেই বিনষ্ট না হয় সেই কারণে বিএনপির সকল নেতাকে নির্দেশনা দিয়েছি। তারেক রহমান বাংলাদেশের আশার প্রতীক।