সিরাজগঞ্জ , রবিবার, ১০ মে ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo নিকলীতে মাদকবিরোধী অভিযানে আটক স্বামী-স্ত্রী Logo বিদ্যুৎমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর ৭৬তম জন্মদিন আজ Logo আইনজীবী আলিফ হত্যা মামলা: চিন্ময় দাশকে জামিন দেননি হাইকোর্ট Logo বিনামূল্যে বিদ্যুৎ ও মাদকমুক্ত তামিলনাড়ুর প্রতিশ্রুতি বিজয়ের Logo রায়গঞ্জে গরু চুরি রোধে ‘বাঁশ ব্যারিয়ার: ব্যতিক্রমী উদ্যোগে খামারিদের স্বস্তি  Logo কোটি টাকার হেরোইনসহ নারী মাদক কারবারি গ্রেপ্তার Logo রায়গঞ্জে ব্র্যাক সিড অ্যান্ড অ্যাগ্রো এন্টারপ্রাইজের উদ্যোগে ধানের অধিক ফলন নিশ্চিতে প্রশিক্ষণ কর্মশালা Logo রায়গঞ্জে ঝুঁকিপূর্ণ ব্রিজ, লাল নিশানায় চলছে সতর্কতা Logo কামারখন্দে সড়ক দুর্ঘটনায় বুদ্ধি প্রতিবন্ধী যুবকের মৃত্যু Logo শপথ নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হলেন বিজয়

তিন মাস পর কারামুক্তি পেলেন সাংবাদিক আনিস আলমগীর

সাংবাদিক আনিস আলমগীরকে ফুল দিয়ে বরণ। ছবি : সংগৃহীত

সাংবাদিক আনিস আলমগীর আদালত থেকে জামিন পাওয়ার পর গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন।

 

 

শনিবার (১৪ মার্চ) দুপুর আড়াইটার দিকে কারা কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে তাকে কারাগার থেকে মুক্তি দেয়।

 

 

কারা সূত্র জানায়, আদালতের জামিনের আদেশ কারাগারে পৌঁছানোর পর নিয়ম অনুযায়ী যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়। পরে দুপুরের দিকে তাকে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার পার্ট-২ থেকে মুক্তি দেয়। মুক্তির সময় তার স্ত্রীসহ পরিবারের কয়েকজন সদস্য কারাগারের সামনে উপস্থিত ছিলেন।

কারা প্রশাসনের এক কর্মকর্তা জানান, আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী সব কাগজপত্র যাচাই করার পরই বন্দিদের মুক্তি দেওয়া হয়। আনিস আলমগীরের ক্ষেত্রেও একই প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়েছে।

এর আগে গত ১১ মার্চ ঢাকার একটি আদালত তার জামিন মঞ্জুর করেন। আইনজীবীদের মাধ্যমে সেই জামিনের কাগজ কারাগারে পৌঁছানোর পর মুক্তির প্রক্রিয়া শুরু হয়। জানা যায়, গত বছরের ১৪ ডিসেম্বর রাতে রাজধানীর ধানমন্ডি এলাকা থেকে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কার্যালয়ে নেওয়া হয়। পরদিন তাকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের আদেশে কয়েক দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়। রিমান্ড শেষে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

 

এদিকে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা আরেকটি মামলায়ও তার বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়ের বাইরে সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়। ওই মামলায়ও আদালতের মাধ্যমে তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছিল। পরে ধারাবাহিক আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তিনি এসব মামলায় জামিন লাভ করেন।

 

 

আইনজীবীরা জানান, সংশ্লিষ্ট মামলাগুলোতে জামিন পাওয়ার ফলে তার কারামুক্তির পথ তৈরি হয়। আদালতের নির্দেশনা কার্যকর হওয়ার পর শনিবার তাকে কাশিমপুর কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়।

 

 

কারামুক্তির পর আনিস আলমগীরের পরিবারের সদস্যরা স্বস্তি প্রকাশ করেন। তারা বলেন, দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়ার পর তিনি জামিন পেয়ে কারাগার থেকে মুক্তি পেলেন। আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, যেকোনো মামলায় আদালত জামিন মঞ্জুর করলে নির্ধারিত আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট বন্দিকে মুক্তি দেওয়া হয়। এ ক্ষেত্রে আদালতের আদেশ কারাগারে পৌঁছানো এবং কাগজপত্র যাচাই হওয়ার পরই মুক্তির কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়েছে।

 

 

উল্লেখ্য, সাংবাদিক আনিস আলমগীর দীর্ঘদিন ধরে গণমাধ্যমে কাজ করে আসছেন এবং বিভিন্ন সময়ে সমসাময়িক বিষয় নিয়ে লেখালেখি করেছেন। তার গ্রেপ্তার ও কারাবাস নিয়ে সাংবাদিক মহলে আলোচনা তৈরি হয়েছিল। আদালত থেকে জামিন পাওয়ার পর অবশেষে তিনি কারাগার থেকে মুক্তি পেলেন।

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নিকলীতে মাদকবিরোধী অভিযানে আটক স্বামী-স্ত্রী

তিন মাস পর কারামুক্তি পেলেন সাংবাদিক আনিস আলমগীর

আপডেট টাইম : ০৪:০৯:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬

সাংবাদিক আনিস আলমগীর আদালত থেকে জামিন পাওয়ার পর গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন।

 

 

শনিবার (১৪ মার্চ) দুপুর আড়াইটার দিকে কারা কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে তাকে কারাগার থেকে মুক্তি দেয়।

 

 

কারা সূত্র জানায়, আদালতের জামিনের আদেশ কারাগারে পৌঁছানোর পর নিয়ম অনুযায়ী যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়। পরে দুপুরের দিকে তাকে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার পার্ট-২ থেকে মুক্তি দেয়। মুক্তির সময় তার স্ত্রীসহ পরিবারের কয়েকজন সদস্য কারাগারের সামনে উপস্থিত ছিলেন।

কারা প্রশাসনের এক কর্মকর্তা জানান, আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী সব কাগজপত্র যাচাই করার পরই বন্দিদের মুক্তি দেওয়া হয়। আনিস আলমগীরের ক্ষেত্রেও একই প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়েছে।

এর আগে গত ১১ মার্চ ঢাকার একটি আদালত তার জামিন মঞ্জুর করেন। আইনজীবীদের মাধ্যমে সেই জামিনের কাগজ কারাগারে পৌঁছানোর পর মুক্তির প্রক্রিয়া শুরু হয়। জানা যায়, গত বছরের ১৪ ডিসেম্বর রাতে রাজধানীর ধানমন্ডি এলাকা থেকে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কার্যালয়ে নেওয়া হয়। পরদিন তাকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের আদেশে কয়েক দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়। রিমান্ড শেষে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

 

এদিকে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা আরেকটি মামলায়ও তার বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়ের বাইরে সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়। ওই মামলায়ও আদালতের মাধ্যমে তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছিল। পরে ধারাবাহিক আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তিনি এসব মামলায় জামিন লাভ করেন।

 

 

আইনজীবীরা জানান, সংশ্লিষ্ট মামলাগুলোতে জামিন পাওয়ার ফলে তার কারামুক্তির পথ তৈরি হয়। আদালতের নির্দেশনা কার্যকর হওয়ার পর শনিবার তাকে কাশিমপুর কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়।

 

 

কারামুক্তির পর আনিস আলমগীরের পরিবারের সদস্যরা স্বস্তি প্রকাশ করেন। তারা বলেন, দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়ার পর তিনি জামিন পেয়ে কারাগার থেকে মুক্তি পেলেন। আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, যেকোনো মামলায় আদালত জামিন মঞ্জুর করলে নির্ধারিত আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট বন্দিকে মুক্তি দেওয়া হয়। এ ক্ষেত্রে আদালতের আদেশ কারাগারে পৌঁছানো এবং কাগজপত্র যাচাই হওয়ার পরই মুক্তির কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়েছে।

 

 

উল্লেখ্য, সাংবাদিক আনিস আলমগীর দীর্ঘদিন ধরে গণমাধ্যমে কাজ করে আসছেন এবং বিভিন্ন সময়ে সমসাময়িক বিষয় নিয়ে লেখালেখি করেছেন। তার গ্রেপ্তার ও কারাবাস নিয়ে সাংবাদিক মহলে আলোচনা তৈরি হয়েছিল। আদালত থেকে জামিন পাওয়ার পর অবশেষে তিনি কারাগার থেকে মুক্তি পেলেন।