সিরাজগঞ্জ , শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬

দীর্ঘ অপেক্ষার পর সাব্বিরের সুখবর

মিরপুরে গতকাল নীরব এক জবাবই দিলেন সাব্বির রহমান। ২২১ বলে ১১৩ রানের ইনিংস দিয়ে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে আট বছরের খরা কাটালেন। শেষবার এমন উচ্ছ্বাস তিনি দেখেছিলেন ২০১৮ সালের জুনে, চট্টগ্রামে শ্রীলঙ্কা ‘এ’ দলের বিপক্ষে ১৬৫ রানের ইনিংসে। ৮৪তম ম্যাচে এসে পেলেন ক্যারিয়ারের পঞ্চম শতক।

 

 

 

 

ম্যাচের গল্পটাও কম নাটকীয় নয়। প্রথম ইনিংসে মাত্র ১১৯ রানে গুটিয়ে যাওয়া রাজশাহী খুলনার বিপক্ষে শেষ দিনে নামে ৩ উইকেটে ৩০০ রান নিয়ে। সেখান থেকে সাব্বির ও অধিনায়ক প্রিতম কুমারের হাত ধরে এগোয় দল। প্রিতম ফেরেন ৪৪ রানে, আর ৪৭৪ রানে নবম ব্যাটার হিসেবে বিদায় নেন সাব্বির। ইনিংসে ছিল ৮ চার ও ১ ছক্কা। শেষ পর্যন্ত ৯ উইকেটে ৫০০ রানে ড্র মেনে নেয় দুই দল। ম্যাচ বাঁচানোর কৃতিত্ব সাব্বিরের।

 

 

 

 

কক্সবাজারে গল্পের মোড় ছিল উল্টোদিকে। চট্টগ্রামের ৫৭৬ রানের বিশাল পুঁজির সামনে প্রথম ইনিংসে ২৮২ রানে থেমে ফলোঅনে পড়ে বরিশাল শেষ দিন শুরু করে ৪ উইকেটে ১৪৯ রান নিয়ে। প্রথম সেশনে রাফসান আল মাহমুদ ও মঈনুল ইসলাম এমনভাবে ব্যাট চালালেন যে, হার এড়ানোর আশা জেগে উঠেছিল। মধ্যাহ্নবিরতিতে স্কোর ছিল ৪ উইকেটে ২২৬। বিরতির পরই ছন্দ হারায় বরিশাল। ৭২ রানে রাফসান, ৪১ রানে মঈনুল ফিরলেন, তারপর আর ১৬ ওভারও টিকতে পারেনি দলটি। ২৯৩ রানে অলআউট হয়ে ব্যবধান দাঁড়াল ইনিংস ও ১ রান। মাত্র এক রান বেশি হলে ফের ব্যাট করতে নামতে হতো চট্টগ্রামকে। বাঁহাতি স্পিনার আশরাফুল হাসান রোহান ৭৭ রানে ৫ উইকেট নেন। আরেক বাঁহাতি স্পিনার হাসান মুরাদ ২ উইকেট নিয়ে ছুঁয়ে ফেলেন প্রথম শ্রেণির ২০০ উইকেটের মাইলফলক। এই জয়ে চট্টগ্রাম পেয়েছে মৌসুমের প্রথম জয় ও বাড়তি বোনাস পয়েন্ট, দুই ম্যাচ শেষে সংগ্রহ ১১। আর বরিশালের ঝুলিতে শূন্য, টানা দুই ম্যাচে হার।

সাব্বিরের এই শতক কি জাতীয় দলের দরজায় নতুন করে কড়া নাড়বে, নাকি আরেকটি সুন্দর, কিন্তু একাকী মুহূর্ত হয়েই থেকে যাবে!

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দীর্ঘ অপেক্ষার পর সাব্বিরের সুখবর

আপডেট টাইম : ১১:২২:২৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬

মিরপুরে গতকাল নীরব এক জবাবই দিলেন সাব্বির রহমান। ২২১ বলে ১১৩ রানের ইনিংস দিয়ে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে আট বছরের খরা কাটালেন। শেষবার এমন উচ্ছ্বাস তিনি দেখেছিলেন ২০১৮ সালের জুনে, চট্টগ্রামে শ্রীলঙ্কা ‘এ’ দলের বিপক্ষে ১৬৫ রানের ইনিংসে। ৮৪তম ম্যাচে এসে পেলেন ক্যারিয়ারের পঞ্চম শতক।

 

 

 

 

ম্যাচের গল্পটাও কম নাটকীয় নয়। প্রথম ইনিংসে মাত্র ১১৯ রানে গুটিয়ে যাওয়া রাজশাহী খুলনার বিপক্ষে শেষ দিনে নামে ৩ উইকেটে ৩০০ রান নিয়ে। সেখান থেকে সাব্বির ও অধিনায়ক প্রিতম কুমারের হাত ধরে এগোয় দল। প্রিতম ফেরেন ৪৪ রানে, আর ৪৭৪ রানে নবম ব্যাটার হিসেবে বিদায় নেন সাব্বির। ইনিংসে ছিল ৮ চার ও ১ ছক্কা। শেষ পর্যন্ত ৯ উইকেটে ৫০০ রানে ড্র মেনে নেয় দুই দল। ম্যাচ বাঁচানোর কৃতিত্ব সাব্বিরের।

 

 

 

 

কক্সবাজারে গল্পের মোড় ছিল উল্টোদিকে। চট্টগ্রামের ৫৭৬ রানের বিশাল পুঁজির সামনে প্রথম ইনিংসে ২৮২ রানে থেমে ফলোঅনে পড়ে বরিশাল শেষ দিন শুরু করে ৪ উইকেটে ১৪৯ রান নিয়ে। প্রথম সেশনে রাফসান আল মাহমুদ ও মঈনুল ইসলাম এমনভাবে ব্যাট চালালেন যে, হার এড়ানোর আশা জেগে উঠেছিল। মধ্যাহ্নবিরতিতে স্কোর ছিল ৪ উইকেটে ২২৬। বিরতির পরই ছন্দ হারায় বরিশাল। ৭২ রানে রাফসান, ৪১ রানে মঈনুল ফিরলেন, তারপর আর ১৬ ওভারও টিকতে পারেনি দলটি। ২৯৩ রানে অলআউট হয়ে ব্যবধান দাঁড়াল ইনিংস ও ১ রান। মাত্র এক রান বেশি হলে ফের ব্যাট করতে নামতে হতো চট্টগ্রামকে। বাঁহাতি স্পিনার আশরাফুল হাসান রোহান ৭৭ রানে ৫ উইকেট নেন। আরেক বাঁহাতি স্পিনার হাসান মুরাদ ২ উইকেট নিয়ে ছুঁয়ে ফেলেন প্রথম শ্রেণির ২০০ উইকেটের মাইলফলক। এই জয়ে চট্টগ্রাম পেয়েছে মৌসুমের প্রথম জয় ও বাড়তি বোনাস পয়েন্ট, দুই ম্যাচ শেষে সংগ্রহ ১১। আর বরিশালের ঝুলিতে শূন্য, টানা দুই ম্যাচে হার।

সাব্বিরের এই শতক কি জাতীয় দলের দরজায় নতুন করে কড়া নাড়বে, নাকি আরেকটি সুন্দর, কিন্তু একাকী মুহূর্ত হয়েই থেকে যাবে!