সিরাজগঞ্জ , শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo মমতাকে অব্যাহতি দিয়ে ভেঙে দেওয়া হলো পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রিসভা Logo কবিগুরুর জন্মবার্ষিকী উদযাপনে প্রস্তুত শাহজাদপুরের কাছারিবাড়ি Logo নিকার অনুমোদন: ভূল্লী উপজেলা গঠনে জনসাধারণের উচ্ছ্বাস Logo ধর্ষণ মামলায় নির্দোষ ইমাম জেলে, ডিএনএ পরীক্ষায় বেরিয়ে এলো আসল তথ্য Logo অবৈধভাবে গড়ে উঠা স্থাপনা দখলমুক্ত হবে: পানি সম্পদ মন্ত্রী Logo বিদ্যুৎ মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি: বিদ্যুৎমন্ত্রী Logo  বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ও ট্রান্সফরমার চোর চক্রের ৯ সদস্য গ্রেফতার Logo মাদক সেবনের দায়ে কারাদণ্ড, কলেজ ছাত্রদল সভাপতি বহিষ্কার Logo মাসুদ উদ্দিনকে জুলাই হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল Logo ইসরায়েলকে হুমকি দিলে কঠিন পরিণতি: নেতানিয়াহুর হুঁশিয়ারি

নিয়মিত মনিটরিংয়ের অভাবে কামারখন্দে বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে সার

সিরাজগঞ্জ কামারখন্দে সরকার নির্ধারিত মুল্যের চেয়ে অতিরিক্ত মুল্যে খুচরা সার বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। সেই সাথে প্রশাসনের নিয়মিত মনিটরিং এর রয়েছে অভাব।

সরেজমিনে জানা যায়, উপজেলার জামতৈল পশ্চিম বাজারে ডিলার মেসার্স কৃষি বিতানের স্বত্বাধিকারী মো. মোতালেব ইউরিয়া, ডিএপি, এমওপি ও টিএসপি সার সরকার নির্ধারিত মুল্যের চেয়ে কেজি প্রতি ২/৩ টাকা বেশি দামে কৃষকদের নিকট বিক্রি করছেন। সরকার নির্ধারিত খুচরা মুল্য ইউরিয়া প্রতি কেজি ২৭ টাকার পরিবর্তে বিক্রি করছে ৩০ টাকা, টিএসপি প্রতি কেজি ২৭ টাকা বিক্রি করছে ৩০ টাকা, এমওপি প্রতি কেজি ২০ টাকা কিন্তু বিক্রি করা হচ্ছে ২২ টাকা এবং ডিএপি প্রতি কেজি ২১ টাকার স্থলে ২৩ টাকা করে বিক্রি করছেন।

 

কৃষক আমজাদের নিকট ১৫ কেজি ইউরিয়া ৪৫০ টাকা, ১০ কেজি টিএসপি ৩০০ টাকা, এমওপি ১০ কেজি ২২০ টাকা এবং ১০ কেজি ডিএপি ২৩০ টাকায় বিক্রি করলেন।

 

প্রত্যেক সার কেজি প্রতি ২/৩ টাকা বেশি দেওয়ার কারণ জানতে চাইলে ঐ কৃষক বলেন, দোকানদার যা বলে তাই আমাদের শুনতে হয়। তা না হলে সার দেবে না। আমাদের খুব ঝামেলা হবে।

 

এমন চিত্র উপজেলার প্রত্যেকটি বিএডিসি ও বিসিআইসি ডিলার, সাব ডিলার ও খুচরা সার বিক্রেতাদের মাঝেই লক্ষ্য করা গেছে।
সরকার নির্ধারিত মুল্যের চেয়ে বেশি নিচ্ছেন কেন? জানতে চাইলে বিএডিসির ডিলার মোতালেব বলেন, ৫০ কেজির বস্তা খুলে ৫/১০ কেজি করে বিক্রি করলে সারের ঘারতি বা কমতি হয়। তাই, ঘারতি পুষতেই কেজি প্রতি ২/৩ টাকা বেশি নেওয়া হয়। তাছাড়া বাঁকিতেও সার বিক্রি করতে হয়।

 

কামারখন্দ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শ্রী রতন চন্দ্র বর্মন বলেন, আমরা কৃষকদের সচেতনতাসহ নিয়মিত বাজার মনিটরিং করছি। সরকার নির্ধারিত মুল্যের চেয়ে কোনো ডিলার যদি সারের এক টাকাও বেশি নেয় তাহলে কৃষকদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে অথবা তথ্য প্রমাণ সাপেক্ষে ঐ ডিলারের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা সার বীজ মনিটরিং কমিটির সভাপতি বিপাশা হোসাইন বলেন, সরকার নির্ধারিত মুল্যের চেয়ে বেশি নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। তবে, যদি কেউ বেশি নেন, তাহলে বিস্তারিত লিখে আমাকে জানান। আমি ব্যবস্থা নেব।

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মমতাকে অব্যাহতি দিয়ে ভেঙে দেওয়া হলো পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রিসভা

নিয়মিত মনিটরিংয়ের অভাবে কামারখন্দে বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে সার

আপডেট টাইম : ০৭:৩৬:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ ডিসেম্বর ২০২৫

সিরাজগঞ্জ কামারখন্দে সরকার নির্ধারিত মুল্যের চেয়ে অতিরিক্ত মুল্যে খুচরা সার বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। সেই সাথে প্রশাসনের নিয়মিত মনিটরিং এর রয়েছে অভাব।

সরেজমিনে জানা যায়, উপজেলার জামতৈল পশ্চিম বাজারে ডিলার মেসার্স কৃষি বিতানের স্বত্বাধিকারী মো. মোতালেব ইউরিয়া, ডিএপি, এমওপি ও টিএসপি সার সরকার নির্ধারিত মুল্যের চেয়ে কেজি প্রতি ২/৩ টাকা বেশি দামে কৃষকদের নিকট বিক্রি করছেন। সরকার নির্ধারিত খুচরা মুল্য ইউরিয়া প্রতি কেজি ২৭ টাকার পরিবর্তে বিক্রি করছে ৩০ টাকা, টিএসপি প্রতি কেজি ২৭ টাকা বিক্রি করছে ৩০ টাকা, এমওপি প্রতি কেজি ২০ টাকা কিন্তু বিক্রি করা হচ্ছে ২২ টাকা এবং ডিএপি প্রতি কেজি ২১ টাকার স্থলে ২৩ টাকা করে বিক্রি করছেন।

 

কৃষক আমজাদের নিকট ১৫ কেজি ইউরিয়া ৪৫০ টাকা, ১০ কেজি টিএসপি ৩০০ টাকা, এমওপি ১০ কেজি ২২০ টাকা এবং ১০ কেজি ডিএপি ২৩০ টাকায় বিক্রি করলেন।

 

প্রত্যেক সার কেজি প্রতি ২/৩ টাকা বেশি দেওয়ার কারণ জানতে চাইলে ঐ কৃষক বলেন, দোকানদার যা বলে তাই আমাদের শুনতে হয়। তা না হলে সার দেবে না। আমাদের খুব ঝামেলা হবে।

 

এমন চিত্র উপজেলার প্রত্যেকটি বিএডিসি ও বিসিআইসি ডিলার, সাব ডিলার ও খুচরা সার বিক্রেতাদের মাঝেই লক্ষ্য করা গেছে।
সরকার নির্ধারিত মুল্যের চেয়ে বেশি নিচ্ছেন কেন? জানতে চাইলে বিএডিসির ডিলার মোতালেব বলেন, ৫০ কেজির বস্তা খুলে ৫/১০ কেজি করে বিক্রি করলে সারের ঘারতি বা কমতি হয়। তাই, ঘারতি পুষতেই কেজি প্রতি ২/৩ টাকা বেশি নেওয়া হয়। তাছাড়া বাঁকিতেও সার বিক্রি করতে হয়।

 

কামারখন্দ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শ্রী রতন চন্দ্র বর্মন বলেন, আমরা কৃষকদের সচেতনতাসহ নিয়মিত বাজার মনিটরিং করছি। সরকার নির্ধারিত মুল্যের চেয়ে কোনো ডিলার যদি সারের এক টাকাও বেশি নেয় তাহলে কৃষকদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে অথবা তথ্য প্রমাণ সাপেক্ষে ঐ ডিলারের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা সার বীজ মনিটরিং কমিটির সভাপতি বিপাশা হোসাইন বলেন, সরকার নির্ধারিত মুল্যের চেয়ে বেশি নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। তবে, যদি কেউ বেশি নেন, তাহলে বিস্তারিত লিখে আমাকে জানান। আমি ব্যবস্থা নেব।